Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

প্লিজ, আমাদের একটু সাহায্য করুন : ভারতকে কাদের

প্লিজ, আমাদের একটু সাহায্য করুন : ভারতকে কাদের
সেন্ট্রাল ডেস্ক ২


  • Font increase
  • Font Decrease
বিভিন্ন সমস্যায় বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতা করার জন্য প্রতিবেশী দেশ ভারতকে অনুরোধ জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ভারত সরকারের উদ্দেশে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘প্লিজ, আমাদের একটু সাহায্য করুন। পর পর তিনটা প্রাকৃতিক দুর্যোগ আমরা ফেইস করেছি। আমাদের হাওরের বন্যা, দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা, রোহিঙ্গা ইস্যু… রোহিঙ্গাদের সংখ্যা এখন এগারো লাখ অতিক্রম করেছে। বাংলাদেশ কীভাবে ভার সইবে? একাত্তরের ক্রাইসিসে আপনারা আমাদের পাশে ছিলেন, এবারও আপনারা পাশে দাঁড়ান।’ এমন অনুরোধ করার আগে আওয়ামী লীগের এই শীর্ষ নেতা বলেন, একটি বিষয় তিনি ভারত সরকারকে মনে করিয়ে দিতে চান যে,বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভবিষ্যতে যারা আওয়ামী লীগের বিকল্প হতে পারে, তারা ‘পাকিস্তানের বন্ধু’ । ‘আমরা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে অনেক সমস্যার সমাধান করতে পারি’ জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্কটা আরও শক্তিশালী করতে চাই, আরও জোড়দার করতে চাই।’ ভারতীয় সাংবাদিকদের বন্ধু সম্বোধন করে কাদের বলেন, ‘এ কথাটা আপনাদের মনে রাখতে হবে… বাংলাদেশে আমাদের বিকল্প যারা তারা পাকিস্তানের বন্ধু, যারা আপনাদের সেভেন সিস্টার্সের যাবতীয় গ্যাঞ্জামের হোতা, যারা পাকিস্তানের আইএসআইয়ের সঙ্গে কাজ করে। একই চক্রান্তের জালে তারা আবদ্ধ।’ একাদশ জাতীয় সংসদ মাস দশেক বাকি থাকতে বুধবার বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া মিডিয়া ডায়ালগ’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। কাদের বলেন, ‘আজকেও আমরা ক্রাইসিসের মধ্যে আছি। এক্ষেত্রে ভারতের সাহায্য খুবই প্রয়োজন। আপনাদের সাথে মিয়ানমারের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আমাদের কোনো বক্তব্য নেই। কিন্তু মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের কারণে উখিয়া-টেকনাফ এলাকায় মানুষের যে কষ্ট হচ্ছে সেটা দেখে না কেউ। আমাদের সি বিচে এখন পর্যটকরা যাচ্ছে না, আমাদের পাহাড় কেটে ফেলা হচ্ছে। আমরা অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত হচ্ছি। কাজেই ভারত সরকার যেন মিয়ানমারের ওপর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তিতে চাপ দেয়, প্রেশার দেয়।’ তিস্তা নিয়ে বাংলাদেশের সমস্যার কথাও ভারতীয় গণমাধ্যমে তুলে ধরার আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যখন (২০১৫ সালের জুনে) ঢাকায় এলেন, তখন তিনি আমাদের বলেছিলেন, তিনি এবং শেখ হাসিনা দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থাতেই তিস্তা চুক্তি হবে। এ রকম আশ্বাসে আমরা আশায় বুক বেঁধেছিলাম, এখনো আশায় আছি। সামনে নির্বাচন, মাত্র সাত-আট মাস আছে নির্বাচনের, আমাদের জনগণের কাছে জবাব দিতে হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন… এ ব্যাপারে আপনাদের সহযোগিতা চাইছি।’ আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, তিস্তায় যে পানি আছে, তার যৌক্তিক হিস্যা বাংলাদেশকে দিতে হবে। তিনি বলেন, দেখুন… কিছু হলেও আমাদের দিন। আমাদের বাঁচতে দিন। উত্তর জনপদ মরুভূমি হয়ে যাচ্ছে। তিস্তার দুই পারে হাহাকার, এই হাহাকার বড়ই কষ্টদায়ক ‘ ভারত ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার যাতে তিস্তার পানিবণ্টন নিয়ে ‘সম্মানজনক, যুক্তিসঙ্গত, বাস্তবসম্মত’ একটি সমাধানে আসে, সে বিষয়টি ভারত সরকারের কাছে তুলে ধরতে পশ্চিমবঙ্গের সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের। তিস্তার পানি বণ্টন ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ তোলেন ওবায়দুল কাদের। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা তাকে (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বলবেন, তিস্তার পানি বণ্টনের সহযোগিতায় এগিয়ে এলে বাংলাদেশের জনগণ শ্রদ্ধার সাথে তাকে  স্মরণ করবে।’
আপনার মতামত লিখুন :

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের
আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। একই সঙ্গে এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণেও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানমের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের মামলায় তারই স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দ্রুত গতিতে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে রিমান্ডে নেওয়া হলো। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এসপির বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, মিন্নি জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়া গিয়েছে।

মিন্নি একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর দেননি। তাই এ বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ তদন্তসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অভিযুক্ত মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ মনে করে, বহু গুরুতর অপরাধ, শত খুনের আসামিদের পাশে আইনজীবীরা দাঁড়ান। নারী নির্যাতন না শুধু হত্যাকারীদের পাশেও দাঁড়ান।

তারা বলেন, মানবাধিকার নীতিমালা অনুযায়ী আসামিরাও লিগ্যাল প্রটেকশন পাওয়ার অধিকার আছে। সুতরাং ইচ্ছা বা অনিচ্ছায়, চাপ বা অন্য কারণে যা কিছু হোক বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, আইনানুগ, স্বচ্ছ তদন্ত হবে এবং আসামিরও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি দাবি করে।

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি
আদালত চত্বরে ডাবল খুন মামলার আসামিরা/ ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে দ্বৈত (ডাবল) খুনের মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম গোলাপগঞ্জ উপজেলার মেহেরপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে।

একই মামলার আসামি রানু মিয়াকে তিন বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। তিনি মেহেরপুর গ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে। মামলার অন্য দুই আসামি মনোয়ারা বেগম ও আয়েশা আক্তারকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

সিলেটের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকালে সিলেট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আমিনুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গোলাপগঞ্জের মেহেরপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আসামিরা হামলা চালিয়ে রুবেল আহমেদ ও ফারুক মিয়াকে জখম করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল ও ফারুক মারা যান।

ঘটনার দুই দিন পর নিহতদের বোন নাজিরা বেগম চারজনকে আসামি করে গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র