ফুলকপি চাষ করে স্বাবলম্বী শাহিন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ফুলকপি চাষ করে স্বাবলম্বী শাহিন। ছবি: বার্তা২৪.কম

ফুলকপি চাষ করে স্বাবলম্বী শাহিন। ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মো. শাহিন কাউছার (৪৬)। বাড়ি নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের চরকাদহ গ্রামে। ফুলকপি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি। তার দেখাদেখি গ্রামের এখন অনেকেই ফুলকপি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

রোববার (২৫ নভেম্বর) সকালে চরকাদহ গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, ফুলকপির জমিতে পানি দিয়ে স্প্রে করছেন শাহিন কাউছার।

এ সময় শাহিন কাউছার বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমি পেশায় একজন মহুরী। গত পাঁচ বছর যাবৎ ফুলকপি চাষ করছি। ফুলকপি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘২০১৩ সালে ১০ কাঠা জমিতে আমি ফুলকপি চাষ শুরু করি। প্রথম বছরে অল্প চারা রোপণ করেই ভালো লাভবান হই। পরের বছরে এক বিঘা জমিতে ফুলকপি চাষ করি। এতেও লাভের মুখ দেখি। এরপর থেকেই গত পাঁচ বছর ধরে আমি ফুলকপি চাষ করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে দুই বিঘা জমিতে ১১ হাজার পিস ফুলকপির চারা রোপণ করেছি এবং প্রতিদিন জমিতে এসে পরিচর্যা করি। চারা রোপণের ২ থেকে আড়াই মাসের মধ্যে এগুলো বিক্রির উপযোগী হয়ে যায়। বিক্রি করার সময় কেজি প্রতি দাম পাই ২০-৩০ টাকা। বিক্রি করা শেষ পর্যন্ত আমার দুই বিঘা জমিতে ফুলকপি চাষ করতে সম্পূর্ণ খরচ হবে ৫০-৬০ হাজার টাকা। আর আমার বিক্রি হবে প্রায় ২ লাখ টাকা।’

শাহিন কাউছার বলেন, ‘আগামীতে অন্যের জমি বর্গা নিয়ে আরও বড় পরিসরে ফুলকপির চাষ করব। আমি মনে করি নিজের বাড়তি সময় নষ্ট না করে সকলেরই সবজি চাষে এগিয়ে আসা উচিত।’

গুরুদাসপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.আব্দুল করিম জানান, শাহিন কাউছার দীর্ঘদিন ধরে ফুলকপির চাষ করে আসছেন। সরকারের পক্ষ থেকে তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়।