এমপি দারা কাঁদালেন নৌকায় ভোট চাইলেন

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

কাঁদলেন সাংসদ আব্দুল ওয়াদুদ দারা। তিনি রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও পুঠিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। এবার তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছেন।

শুক্রবার (৩০ নভেম্বর) বাড়ি ফিরে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন দুইবারের এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারা। তার সঙ্গে কাঁদলেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রক্রিয়া শেষে শুক্রবার প্রথম এলাকায় আসেন আব্দুল ওয়াদুদ দারা। বিকেল ৫টার দিকে তিনি ঢাকা থেকে পুঠিয়ার বিড়ালদহ নিজ বাড়িতে পৌঁছান। এমপির আসার কথা শুনে আগে থেকেই তার বাড়িতে ভিড় জমান আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

বাড়ি ফিরেই তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘‘আমার পিতা স্বাধীনতার আগে থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছেন। যারা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা তাদের সঙ্গে তিনি রাজনীতি করে। স্বাধীনতা যুদ্ধে আমার দাদা, চাচা ও ফুফু মারা গেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে আমাকে স্নেহ করে দলীয় মনোনয়ন দিয়ে এমপি করেছিলেন। আমি চেষ্টা করেছি সততার সঙ্গে, নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার। চেষ্টা করেছি আওয়ামী লীগকে সুসংগঠনিত করা এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দেখা শোনার করার।’’

সাংসদ দারা বলেন, ‘‘আমি মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছি। প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছেন আওয়ামী লীগের কাজ করতে। আমি এলাকায় এসেছি আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করতে।’’

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘‘যারা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছেন তারা এখনো সক্রিয় রয়েছে। এই ষড়যন্ত্র থেকে সাবধান থাকতে হবে। কোনভাবেই তাদের এই ষড়যন্ত্রের জালে যেন আমরা ধরা না পরি। আপাতত আমি মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে মনে হচ্ছে আমার সর্বনাশ হয়েছে। কিন্তু এটি মূল সর্বনাশ নয়। মূল সর্বনাশ হবে যদি আমরা সেই ষড়যন্ত্রকারিদের কাছে ধরা পরি। যে কোন ত্যাগের বিনিময়ে সকল ষড়যন্ত্র, বিদ্বেষ ভূলে গিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করতে হবে। আওয়ামী লীগকে জয়ী করতে না পারি তবে আবার সেই জামায়াত-বিএনপি আলবদর রাজাকাররা ক্ষমতায় আসবে। তারা ক্ষমতাই আসলে কি হবে তা আমরা সবাই জানি।’’

আপনার মতামত লিখুন :