থেমে গেল গণসংগীতের প্রাণপুরুষ সেনগুপ্তের কণ্ঠ

আশোক সেনগুপ্ত, ছবি: সংগৃহীত

থেমে গেছে বাংলাদেশের গণসংগীতের প্রাণপুরুষ আশোক সেনগুপ্তের কণ্ঠ।

বুধবার (৫ ডিসেম্বর) ভোরে ছয়টায় কলকাতার টাটা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফুসফুসের ক্যান্সারে তার মৃত্যু হয়।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের ক্যান্সারে ভুগছিলেন। স্ত্রী, এক মেয়েসহ অসংখ্য ভক্ত ও অনুরাগী রেখে গেছেন তিনি।

আশোক সেনগুপ্ত ১৯৪৯ সালে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার খিতাপচর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। পিতা যতীন্দ্রলাল ও মাতা মৃণালিনী সেনগুপ্ত। তিনি বিয়ে করেছিলেন নৃত্যশিল্পী রত্না সেনগুপ্তকে।

১৩ বছর বয়সে ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান থেকে শুরু করে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে তার পদচারণ ছিল। এর পাশাপাশি বেতার ও বিটিভিতে নজরুল সংগীত পরিবেশন করতেন।

চট্টগ্রামের সংস্কৃতি অঙ্গন কিংবা প্রতিটি গণআন্দোলনে তার দৃপ্ত পদচারণা, সাহস ও চিন্তা করতে শিখিয়েছে প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষকে।

৪০০-এর অধিক গণসংগীত রচনার পাশাপাশি তিনি সুর দিয়েছেন। ‘যেখানে পাখির গানে সকাল আসে, রাঙ্গা সূর্য হাসে সবুজ ঘাসে, আমার বাংলাদেশ, জেগো ওঠো বাংলা ৭১ এর চেতনায়, তোরা যুদ্ধাপরাধী, তোরা মানবতাবিরোধী, তোদের দেশে হবে না ঠাঁই’ তার গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য।

এছাড়াও ‘বিক্ষুব্ধ বাঙালি’, ‘দিন বদলের পালা’, ‘সর্বনাশী রাঙ্গাবালী’ নামক কয়েকটি গীতি আলেখ্য রচনা ও পরিবেশন করেছেন এ গণসংগীত শিল্পী।

শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানানো হবে।

জাতীয় এর আরও খবর

//election count down