Alexa

জমতে শুরু করেছে শীতবস্ত্রের দোকানগুলো

জমতে শুরু করেছে শীতবস্ত্রের দোকানগুলো

জমতে শুরু করেছে শীতবস্ত্রের দোকানগুলো। ছবি: বার্তা২৪.কম

সারাদিন হালকা রোদের রাজত্ব শেষে সন্ধ্যা নামতেই বদলে যাচ্ছে তাপমাত্রা। ভোরের দিকে চাদর বিছিয়ে দিচ্ছে কুয়াশা। এরই মধ্যে শীত মোকাবিলায় জমতে শুরু করেছে ঠাকুরগাঁওয়ের ভ্রাম্যমাণ শীতবস্ত্রের দোকানগুলো।

প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এসব ভ্রাম্যমাণ কাপড়ের দোকানে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের ভিড় থাকে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, শহরের প্রাণকেন্দ্র ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড়মাঠের পাশে রাস্তার দুই ধারে, পৌর হকার্স মার্কেট, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড ও গ্রামের বিভিন্ন হাট-বাজারের ফুটপাতের ওপর ও ভ্যান গাড়িতে করে বাহারি রঙের শীতবস্ত্র বিক্রি করছে ব্যবসায়ীরা। আর এসব কাপড় কিনতে ভিড় করছে নিম্নবিত্তের পাশাপাশি উচ্চবিত্তরাও।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/06/1544069401513.gif

রাস্তার পাশে আব্দুল খালেক নামে একজন ব্যবসায়ী জানান, কিছুদিন ধরেই ঠাকুরগাঁওয়ে শীত বেড়েছে। এ জন্য শহরের ভ্রাম্যমাণ শীতবস্ত্রের দোকানে কেনাকাটা শুরু হয়ে গেছে। ক্রেতাদের চাহিদার কথা ভেবে ছোট-বড়দের জ্যাকেট, মাফলার, সোয়েটার, হাত মোজা, কোট, টুপি সবই মিলছে এসব দোকানে। দাম সস্তা হওয়ায় নিম্নবিত্ত ক্রেতাদের কাছে এই কাপড়ের চাহিদা বেশি।

আরেক ব্যবসায়ী মানিক জানান, এখানে মেয়েদের সোয়েটারের দাম মানভেদে ১০০ থেকে ৫০০ টাকা, ছেলেদের সোয়েটার ৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ছেলেদের জ্যাকেট ১৫০ থেকে ৪০০০ টাকা, বাচ্চাদের সোয়েটার ৩০ থেকে ৬০০ টাকা, হাতের মোজা ৩০ থেকে ১৫০ টাকা। এছাড়া এখানে মানভেদে সাধারণ টুপি ৪০ থেকে ১০০ টাকা ও মাফলার ৫০ থেকে ২৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

গরম কাপড় কিনতে আসা শহরের নিশ্চিন্তপুর এলাকার হাসি বেগম বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। আমাদের কী আর বড় বড় মার্কেট থেকে কাপড় কেনার সামর্থ্য আছে। তাই এখানে এসেছি। এখানে বিভিন্ন দোকান ঘুরে মেয়ের জন্য ২শ টাকা ও ছেলের জন্য ১শ টাকা দিয়ে একটা সোয়েটার নিয়েছি।’

আপনার মতামত লিখুন :