Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

ছিনতাই চক্র 'সালাম পার্টির' ৫ সদস্য গ্রেফতার

ছিনতাই চক্র 'সালাম পার্টির' ৫ সদস্য গ্রেফতার
ছিনতাই চক্র সালাম পার্টির সদস্যরা / ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর ছিনতাই চক্র সালাম পার্টির পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে মতিঝিল জোনের পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) গ্রেফতারের বিষয়টি বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন মতিঝিল জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মিশু বিশ্বাস।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন ওয়াহিদ(৩০), আ‌নোয়ার(৩৫),মিজান (৩৫), মিজান ওরফে মিজু (২৮) এবং তুফান( ৪৫)।

পুলিশ জানায়, এই সালাম পার্টির সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন, উত্তরা, গুলিস্তান, শ্যামপুর, ইসলামপুর এলাকায় মানুষকে ভয় দেখিয়ে সর্বস্ব ছিনতাই করে আসছে। বুধবার (৫ ডিসেম্বর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ছিনতাইয়ের প্রস্তুতি নেবার সময় তাদের গ্রেফতার করা হয়।

সিনিয়র সহকারি কমিশনার মিশু বিশ্বাস বলেন, ‘রাজধানীতে ছিনতাই চক্রের ২০ থেকে ২৫টি সক্রিয় গ্রুপ আছে। তাদের মধ্যে অন্যতম সালাম পার্টি ও মামা পার্টি।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাছে থেকে ছিনতাই করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানা যায়। তারা বলে, যখন ফাঁকা রাস্তায় যখন কেউ রিকশায় যাওয়া আসা করে। হঠাৎ চক্রের একজন সদস্যে এসে সালাম দেয়। রিকশা থামিয়ে গল্প করতে শুরু করে। ততক্ষণে এ চক্রের অন্য ৪/৫ জন সদস্য এসে রিকশা ঘিরে ফেলে। কোমড়ে রাখা দেশি অস্ত্র দেখিয়ে সব কিছু ছিনিয়ে নেয়।’

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘মতিঝিলের ছিনতাই চক্রের বিরুদ্ধে এ বিশেষ অভিযান অব্যহত থাকবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

জমির তিন পাশে বেড়া দেওয়ায় অবরুদ্ধ একটি পরিবার

জমির তিন পাশে বেড়া দেওয়ায় অবরুদ্ধ একটি পরিবার
জমির তিন পাশে বেড়া দেওয়া অবরুদ্ধ পরিবার

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কুচিয়াবাড়ী গ্রামে জামির তিন পাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে একটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি থানার ওসিকে জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি। শনিবার (১৭ আগস্ট) এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী লোহাগড়া উপজেলার কুচিয়াবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা তরিকুল ইসলাম জানান, প্রায় ২৫ বছর ধরে নিজের বসতভিটায় বসবাস করছেন তিনি। তার বসতভিটায় প্রায় ৩০ শতক জমি রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৫ শতক নিজের কেনা জমি এবং পাঁচ শতক মায়ের পাওয়া জমি। ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানার কামারগ্রামে পৈত্রিক ভিটায় বসবাস করার জন্য তিনি লোহাগড়ার জমি তিন ভাইয়ের কাছে বিক্রি করেছেন। ভূমি অফিসে জমির কাগজপত্র যাচাই-বাচাই শেষে গত ৩১ জুলাই ওই জমি লোহাগড়ায় রেজিস্ট্রি হয়। এছাড়া গত ৮ আগস্ট বিলের প্রায় ২১ শতক জমি তরিকুলের প্রতিবেশী শিমুল মোল্যার কাছে বিক্রি করেন। কিন্তু জমি বেচাকেনার বিষয়টি তরিকুলের মামা পাশের ঝিকড়া গ্রামের হাফিজার রহমান জানতে পেরে ক্ষুব্ধ হন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566090538315.jpg

এ ঘটনায় হাফিজার শনিবার (১৭ আগস্ট) সকালে হঠাৎ তরিকুলের ঘরের তিন পাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে আটকে দেন। এতে জমির ক্রেতাদের জমিতে আসতে দিবেন না বলেও হুমকি দিয়েছেন তিনি।

তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘মায়ের সঙ্গে প্রায় ২৫ বছর ধরে কুচিয়াবাড়ির জমিতে বসবাস করছি। আর বাবা আছেন ফরিদপুরের বাড়িতে। তিনি মাঝে-মধ্যে আমাদের খোঁজখবর নেন। এখন নিজের বাড়ি ফরিদপুরের কামারগ্রামে বসবাস করার উদ্দেশ্যে এখানকার (কুচিয়াবাড়ী) জমি বিক্রি করেছি। অথচ আমার মামা ঝিকড়া গ্রামের হাফিজুর রহমান আমাদের পরিবারকে বাড়ি থেকে বের হতে দিচ্ছে না। ঘরের তিন পাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে দিয়েছে। এ কারণে ঘরের মালামাল নিয়ে ফরিদপুরে যেতে পারছি না, যেন বন্দিশালার মধ্যে আছি।’

তরিকুলের মা স্বরুপজান বলেন, ‘আমি এবং আমার ছেলে, বেটার বউ ও দুই পুতনি (ছেলের মেয়ে) ঘর থেকে বের হতে পারছি না। বৈধ জমি বিক্রির পরও আমরা হুমকির মধ্যে আছি।’

অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান বলেন, ‘পৈতৃকসূত্রে ওই জমিতে আমার অংশ রয়েছে। তাই আমি বেড়া দিয়েছি।’

এদিকে, বিষয়টি জানার পরও শনিবার বিকেল পর্যন্ত পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে জানিয়েছেন ভূক্তভোগী তরিকুলের পরিবার।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকাররম হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখা হচ্ছে।’

বরিশাল লঞ্চঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

বরিশাল লঞ্চঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়
বরিশাল লঞ্চঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, ছবি:; বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

পবিত্র ঈদুল আজহা পালন শেষে রাজধানী শহর ঢাকার উদ্দেশে বরিশাল ছাড়ছেন কয়েক লাখ মানুষ।

শনিবার (১৭ আগস্ট) বরিশাল নৌবন্দরে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দুপুর থেকেই বরিশালের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা লঞ্চ যাত্রীরা ভিড় করছে নোঙর করা লঞ্চগুলোতে।

বিকেল শেষ না হতেই লঞ্চের ডেক থেকে শুরু করে প্রথম শ্রেণীর কেবিনের বারান্দার কানায় কানায়ও পরিপূর্ণ হয়ে যায়। যার কারণে, বিআইডব্লিউটিএর নির্দেশে নৌ দুর্ঘটনা ও অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই অপরাধ এড়াতে অন্যান্য দিনের চাইতে ২/১ ঘণ্টা আগেই বরিশাল লঞ্চঘাট ছাড়ে কয়েকটি বিলাসবহুল লঞ্চ।

গত শুক্রবারও ছিল যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। ওই দিনেও নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা আগেই বরিশাল নদীবন্দর ছেড়েছিল ঢাকাগামী বিলাশ বহুল কয়েকটি লঞ্চ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566075739275.JPG

বিআইডব্লিউটিএ’র বরিশালের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপ-পরিচালক আজমল হুদা মিঠু সরকার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘কোরবানির ছুটি শেষে স্ব স্ব কর্মস্থলে যোগ দিতে বরিশাল ছাড়ছে কয়েক লাখ মানুষ। কোরবানির দ্বিতীয় দিন থেকে ঢাকার উদ্দেশে লঞ্চযোগে বরিশাল নৌ বন্দর থেকে যাচ্ছে লঞ্চযাত্রীরা। তবে কয়েকদিনের চেয়ে শুক্রবার ও শনিবার যাত্রী চাপ অনেকটা বেশি ছিল।

তিনি আরেও জানান, অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই নিয়ে বরিশাল লঞ্চঘাট থেকে কোনো লঞ্চই ছাড়তে দেওয়া হচ্ছে না। বিশেষ করে লোড লাইন দেখে নির্ধারিত সময়ের আগেই লঞ্চগুলোকে ঘাট ত্যাগ করতে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ঝুঁকি নিয়ে লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করতে নিষেধ করা হচ্ছে। একই সাথে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়ের একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে সরকারি জাহাজগুলোতেও। লঞ্চযাত্রীদের নির্বিঘ্নে যাতায়াতের জন্য গত ৮ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে স্পেশাল লঞ্চ সার্ভিস। থাকছে ২০ আগস্ট পর্যন্ত। এর আওতায় পাঁচটি সরকারি জাহাজসহ ব্যক্তি মালিকানা ২০টি বিলাসবহুল লঞ্চ যাতায়াত করছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র