Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিপন্নপ্রায় কালগুই গাজীপুর জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত

বিপন্নপ্রায় কালগুই গাজীপুর জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত
উদ্ধার হওয়া কালগুই / ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নবীগঞ্জ এলাকার একটি জলাশয়ে থাকা বিপন্ন প্রজাতির নয়টি রামগদি বা কালগুই উদ্ধার করে গাজীপুরের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় বন্যপ্রাণী পরিদর্শক নিগার সলতানা বলেন, ‘আবাসস্থল ধবংস বন্যপ্রাণীর বিলুপ্ত হওয়ার একটি মূল কারণ। শিল্পায়ন ও নগরায়নের ফলে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ক্রমশই কমেছে। সাধারণত খুলনার কিছু বনাঞ্চলে কালগুইয়ের এ প্রজাতির দেখা মেলে। নবীগঞ্জের ওই জলাশয়টি ভরাট হয়ে যাওয়ায় অবাস্থল পরিবর্তনের চেষ্টা করছিল প্রাণীগুলো। এ সময় কয়েকটি কালগুই এলাকাবাসী পিটিয়ে মেরে ফেলে।’

বিপন্নপ্রায় কালগুইগুলোর আবাসস্থল সংকটাপন্ন হওয়ার ঐ তথ্য পেয়ে বাংলাদেশ বন বিভাগ এদের উদ্ধার করে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে পূনঃর্বাসনের (এক্সসিটু কনজারভেশন এর) উদ্যোগ গ্রহণ করে। এরই ফলশ্রুতিতে দুই দিনে  বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, ঢাকা’র বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জহির উদ্দিন আকনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের সহযোগিতায় বন্যপ্রাণী পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আস-সাদিকসহ বন কর্মকর্তারা নয়টি কালগুই (চারটি পুরুষ ও পাঁচটি স্ত্রী) উদ্ধার করে গাজীপুর ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে পুনঃর্বাসনের লক্ষ্যে অবমুক্ত করা হয়। প্রতিটি পূর্ণ বয়ষ্ক গুইর ওজন প্রায় ২৫ থেকে ৩০ কেজি হয় এবং দৈর্ঘ্যে হয় ৬ থেকে সাত ফুট।

এ ব্যাপারে আব্দুল্লাহ আস সাদিক জানান, বাংলাদেশে রামগদি বা কালগুইয়ের অবস্থা প্রায় বিপন্ন তালিকায় রয়েছে। আবাসস্থল ক্রমশ ধ্বংস হয়ে যাবার ফলে এদের সংরক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করা অতীব জরুরি হয়ে পড়েছিল। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে এরা সাসটেইন করলে গাজীপুরে এদের নতুন একটা পপুলেশন সৃষ্টি হবে। এরা হলো আবর্জনা, ময়লাসহ সর্বভূক প্রাণি।

কালগুই বাসা-বাড়ির ময়লা খেয়ে পরিবেশকে দূষণের হাত থেকে রক্ষা করে। এরা ইঁদুর জাতীয় ক্ষতিকারক প্রাণি ও মুরগী, সাপসহ বিভিন্ন ছোটপ্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে থাকে। এরা পরিবেশের বাস্তুতন্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিকুল পরিবেশে এরা মানুষের সান্নিধ্যে চলে আসে এবং আক্রমণাত্মক হয়ে উঠে। এদের কামড়ে ও লেজের আঘাতে মানুষের দেহে ক্ষত ও পচন দেখা দেয়।

কালগুইগুলোর পুনঃর্বাসন কাজে সার্বিক সহযোগিতা করেন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভারসিটির শিক্ষানবিশ শিক্ষার্থী মইন মাহমুদ ও স্থানীয় একাত্তর মেম্বার সংগঠনের সদস্যবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন :

এইচএসসির ফল প্রকাশ বুধবার

এইচএসসির ফল প্রকাশ বুধবার
পুরনো ছবি

চলতি বছর অনুষ্ঠিত উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আগামীকাল।

বুধবার (১৭ জুলাই) সকাল ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলের অনুলিপি তুলে দেবেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট বোর্ড প্রধানরা।

পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী। মন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে শিক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন।

স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠান থেকে রেজাল্ট শিট ডাউনলোডের প্রক্রিয়া কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জানিয়েছে ঢাকা বোর্ড।

বোর্ডের ওয়েবসাইটে (www.dhakaeducationboard.gov.bd) ‘রেজাল্ট’ কর্নারে ক্লিক করে ইআইআইএন নম্বর এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠনভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়া জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইমেইলে কেন্দ্র ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল পাঠানো হবে। ডিসি অফিস ও ইউএনও কার্যালয় থেকে ফলের হার্ড কপি সংগ্রহ করা যাবে।

এছাড়া দুপুর ১টায় মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে (www.bmeb.gov.bd) প্রবেশ করে আলিম পরীক্ষার জেলা ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল পাওয়া যাবে।

উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন।

এর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫০ জন, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ৭৮ হাজার ৪৫১ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এক লাখ ২৪ হাজার ২৬৫ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।

মোট কেন্দ্রের সংখ্যা দুই হাজার ৫৮০টি। পরীক্ষা শেষ হয় ১২ মে। আর ১২ থেকে ২১ মের মধ্যে হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা।

বন্যার্তদের জন্য রেড ক্রিসেন্টে ছুটি বাতিল

বন্যার্তদের জন্য রেড ক্রিসেন্টে ছুটি বাতিল
ছবি: সংগৃহীত

বন্যার্তদের মধ্যে শুকনা খাবার ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করছে রেড ক্রিসেন্ট। এ কাজে সহযোগিতা করতে সোসাইটি জাতীয় সদর দফতরসহ ৩২ জেলার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করেছে রেড ক্রিসেন্ট। শুক্র ও শনিবারও অফিস খোলা রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব জানানো হয়েছে। এছাড়া রেড ক্রিসেন্ট রাঙ্গামাটিতে ৪০০, সুনামগঞ্জে ১০০, বান্দরবানে ১০০, সিলেটে ২০০, জামালপুরের ৫০০ এবং লালমনিরহাটে ১৫০ পরিবারের মধ্যে শুকনা খাবার দিয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সোসাইটির কনফারেন্স কক্ষে ‘বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয়’ শীর্ষক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সোসাইটির ডিজাস্টার রেসপন্স বিভাগ জানায়, বন্যা পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে চিকিৎসা সেবা দিতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে মেডিকেল টিম ও প্রয়োজনীয় ওষুধ। এছাড়া প্রস্তুত রাখা হয়েছে ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স টিম, ন্যাশনাল ডিজাস্টার ওয়াটসন রেসপন্স টিম, ইউনিট ডিজাস্টার রেসপন্স টিম ও রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের স্বেচ্ছাসেবকদের। সার্বক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহের জন্য সোসাইটির মগবাজার জাতীয় সদর দফতরে কাজ করছে ‘বিডিআরসিএস
কন্ট্রোল রুম’।

সব ধরনের তথ্য জানতে ফোন নম্বর: +০০৮৮-০২-৯৩৫৫৯৯৫ (সরাসরি), ০১৭২০৯৭৭৮৭৭, ০১৮১১৪৫৮৫২৪, ৯৩৩০১৮৮, ৯৩৩০১৮৯, ৯৩৫০৩৯৯-২৮২।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র