‘নেতাকর্মীরা জেলগেট থেকে বাসায় যেতে পারছে না’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সংবাদ সম্মেলনে সীতাকুন্ড-৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ইসহাক / ছবি: বার্তা২৪

সংবাদ সম্মেলনে সীতাকুন্ড-৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ইসহাক / ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলার বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জেলগেট থেকে বাড়িতে যেতে পারছে বলে অভিযোগ করেছেন এই আসনের (৪ আসন) দলটির প্রার্থী ইসহাক চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় এমন লোককে আটক করে মোটা টাকায় ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। যার সঙ্গে বাণিজ্য হয় না তাদের মামলা ঠুকে দেয়া হচ্ছে। এর পেছনে স্থানীয় এমপি জড়িত রয়েছেন।’

মঙ্গলবার (১১ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটায় নগরীর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন। সীতাকুন্ড উপজেলার সার্বিক পরিস্থিতি ও পুলিশি হয়রানির প্রতিবাদে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

ইসহাক চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুন্ড) সংসদীয় আসনের বিএনপির প্রার্থী ও উত্তর জেলা কৃষক দলের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি এই আসনে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক মনোনয়ন বাতিল হওয়া বিএনপির যুগ্মমহাসচিব আসলাম চৌধুরীর বড় ভাই। অপরদিকে, বর্তমান সংসদ সদস্য দিদারুল ইসলাম দিদার এই আসন থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন।

জানা যায়, সোমবার (১০ডিসেম্বর) রাত ১০টায় ইসহাকের বাড়ি থেকে গোপন বৈঠকের অভিযোগে পুলিশ ২৫ নেতাকর্মীকে আটক করে। এর প্রতিবাদ জানিয়ে আজ (১১ ডিসেম্বর) সংবাদ সম্মেলনের উদ্যোগ নেয় দলটি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ইসহাক চৌধুরী জানান, ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপির ২০ দলীয় জোট নির্বাচনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরে নেতাকর্মীদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। তফসিল ঘোষণার পরে শতাধিক নেতাকর্মীর নামে গায়েবি ও পেন্ডিং মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গত এক সপ্তাহ আগে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অকারণে কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না আশ্বাসের পরেও নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে গেছে।

তিনি বলেন, ‘সোমবার (১১ ডিসেম্বর) আমার বাড়িতে নির্বাচনী কার্যক্রমের জন্য আসা নেতাকর্মীদের নিয়ে মতবিনিময়ের আয়োজন করি। সভা চলাকালীন পুলিশ ও সিভিল পোশাকধারী বাসার আশপাশ ঘেরাও করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। ওই সময় সভা শেষে করে চলে যাওয়ার সময় ২৫ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে সহকারি রির্টানিং কর্মকর্তাকে জানানোর পরে তিনি আটকৃতদের তালিকা চেয়ে ছেড়ে দেয়ার আশ্বাস দেন। কিন্তু তাদের না ছেড়ে দিয়ে উল্টো গায়েবি মামলায় আদালতে পাঠিয়ে দেয়া হয়।’

তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে সীতাকুণ্ড উপজেলাসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে মামলার বিষয়ে সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেনকে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন :