Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ই-পাসপোর্ট কিনতে ৮৬৯ কোটি টাকা ছাড়

ই-পাসপোর্ট কিনতে ৮৬৯ কোটি টাকা ছাড়
ই-পাসপোর্ট কিনতে ৮৬৯ কোটি টাকা ছাড়। ছবি: সংগৃহীত
আসিফ শওকত কল্লোল
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ই-পাসপোর্ট আমদানি করতে জার্মান কোম্পানি ভেরিডোস জিএমবিএইচ’র অনুকূলে ৮৬৯ কোটি ৫ লাখ টাকা ছাড় করেছে পরিকল্পনা কমিশন। যদিও ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রবর্তনের কথা ছিল।

‘বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডারনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রবর্তন’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর। এ প্রকল্পের অনুকূলে গত সপ্তাহে ২টি ডেফার্ড পেমেন্ট এলসি খুলতে সম্মতি জ্ঞাপন করেছে অর্থ বিভাগ। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অর্থ বিভাগের সিনিয়ার সহকারী সচিব রওনক জাহান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রকল্পের আওতায় সরবরাহকারী জার্মান প্রতিষ্ঠানির কাছ থেকে পাসপোর্ট বুকলেট ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি আমদানি করা হবে। এজন্য চুক্তির ৮৫ শতাংশ হিসাবে ৮৬৯ কোটি ৫ লাখ টাকার ২টি ডেফার্ড পেমেন্ট এলসি খুলতে অর্থ বিভাগের সম্মতি জ্ঞাপন করা হলো। পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম এ প্রকল্পের জন্য অতিরিক্ত এক হাজার ৬১০ কোটি টাকা বরাদ্দের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, চলতি অর্থ বছরে প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে পাবলিক প্রকিওরমেন্ট অ্যাক্ট-২০০৬ ও পাবলিক প্রকিওরমেন্ট রুলস-২০০৮ সহ সব বিবিবিধান যথাযথভাবে প্রতিপালন করতে হবে।

জানা গেছে, বর্তমানে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি)-এর ধারণাও শেষ প্রায়। কারণ, যুগ এখন ইলেকট্রনিক বা ই-পাসপোর্টের। এর মধ্যে বিশ্বের ১১৯টি দেশে চালু হয়ে গেছে এই পাসপোর্ট। পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও। তবে আগামী জানুয়ারি থেকে ই-পাসপোর্ট চালু করা সম্ভব হবে কি-না সেটা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।

আরো জানা গেছে, প্রকল্প পরিচালক দ্বিতীয় থেকে চর্তুথ কিস্তির টাকা ছাড় করানো আবেদন করেন। যদিও এর আগে জার্মান কোম্পানিকে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে আগামী মাসে ই-পাসপোর্ট চালু করা সম্ভব হবে না বলে মনে করেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

প্রসঙ্গত, আগামী ৫ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বৈঠকে প্রস্তাবটি উপস্থাপন করার কথা। এর আগে গত ১৫ মে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়। এই প্রকল্পে বাংলাদেশকে কারিগরি সহায়তা দেবে জার্মান।

প্রকল্প অনুমোদনের পর পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশি পাসপোর্টের নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও বর্হিবিশ্বে বাংলাদেশি পাসপোর্টের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির জন্য এই প্রকল্পটি জরুরি। এতে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে চার হাজার ৬৩৫ কোটি ৯১ লাখ টাকা। এর পুরোটাই জিওবি থেকে ব্যয় হবে। প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল ধরা হয় ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত।

প্রকল্পের আওতায়, দেশে-বিদেশের পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন সেন্টার আধুনিকায়ন করার কথা। যার মধ্যে- রাজধানী ঢাকা ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের প্রধান কার্যালয়, ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট অফিস, ডাটা সেন্টার, পাসপোর্ট অ্যাসেম্বলি লাইন, পার্সোনালাইজেশন সেন্টার, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ৬৪টি জেলায় অবস্থিত ৭২টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, বিদেশে অবস্থিত ৮০টি বাংলাদেশ মিশন, যশোরে অবস্থিত ডিজাস্টার রিকভারি সেন্টার, দেশের অভ্যন্তরে ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ২৪টি স্থলবন্দর (২টি স্থলবন্দরে স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল সিস্টেম, ২২টিতে ই-পাসপোর্ট রিডারের মাধ্যমে ইমিগ্রেশন) এবং ৭২টি এসবি/ডিএসবি অফিস স্থাপন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসার আড়ালে কোটি টাকার স্বর্ণ পাচার

মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসার আড়ালে কোটি টাকার স্বর্ণ পাচার
আটককৃত আব্দুর রাজ্জাক শেখ ও মো. আনোয়ার হোসেন, ছবি: সংগৃহীত

 

মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসার কারণ দেখিয়ে অবাধে মালয়েশিয়া যাতায়াত করত আব্দুর রাজ্জাক শেখ ও মো. আনোয়ার হোসেন। কিন্তু তারা মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসার আড়ালে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত এক ব্যক্তির কাছ থেকে কোটি কোটি টাকার অবৈধ স্বর্ণ বাংলাদেশে নিয়ে আসত।

চোরাই পথে আনা স্বর্ণর ব্যবসা করে নামে-বেনামে অঢেল সম্পদের মালিক হোন উল্লেখিত দুইজন। আর এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার (১৫ জুলাই) তাদের গ্রেফতার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সিআইডির মুখপাত্র সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শারমিন জাহান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

শারমিন জাহান বলেন, 'গত রোববার (১৪ জুলাই) মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে নিয়ে আসা ১২টি স্বর্ণর বারসহ দুইজনকে আটক করে শুল্ক গোয়েন্দা। এই বিষয়ে বিমান বন্দর থানায় একটি মামলা রুজু হয়। পরে মামলার তদন্তভার সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। মামলার গ্রেফতার হওয়া ২ আসামিকে জিজ্ঞেসবাদ করে স্বর্ণ চোরাচালান চক্রের মূল হোতাসহ বেশ কয়েকজনের নাম জানতে পারে সিআইডি। এছাড়া এই চক্রটির বিষয়ে এবং মালয়েশিয়া থেকে দেশে আসা অবৈধ স্বর্ণর চালান সম্পর্কেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পারে সিআইডি।'

তিনি বলেন, 'এসব তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সোমবার রাজধানীর মালিবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই চক্রের মূল হোতা আব্দুর রাজ্জাক শেখ ও তার সহযোগী মো. আনোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে মানি এক্সচেঞ্জের ব্যবসার আড়ালে মালয়েশিয়া অবস্থানরত এক ব্যক্তির কাছ থেকে স্বর্ণ অবৈধভাবে দেশে নিয়ে আসতেন। পরে এসব স্বর্ণ বিভিন্ন কায়দায় বিক্রি করে তারা অঢেল অর্থ সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। এছাড়া তাদের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গিয়েছে। উক্ত চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের আইনের আওতায় আনার জন্য মামলাটি সিআইডি কর্তৃক তদন্তাধীন আছে।'

পল্লী নিবাসে এরশাদের দাফন সম্পন্ন

পল্লী নিবাসে এরশাদের দাফন সম্পন্ন
পল্লী নিবাসে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কবর/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

স্বপ্নের বাসভবন রংপুরের পল্লী নিবাসে জাতীয় পার্টির সদ্য প্রয়াত চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় পল্লী নিবাসে তার দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে দুপুর আড়াইটায় রংপুরের কালেক্টরেট ঈদগাহ ময়দানে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563278585147.jpg

জানাজা শেষে পল্লী নিবাসে মরদেহ নেওয়া সময় নেতাকর্মীরা তার মরদেহ বহনকারী গাড়ি ঘিরে রাখে। এ সময় জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা স্লোগান দিয়ে এরশাদকে রংপুরে দাফনের দাবি জানান। পরে দলের কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ রংপুরে দাফনের বিষয়ে সম্মতি প্রদান করেন।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র