Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

দুদকে তলব: স্বাস্থ্য অধিদফতরের ৪ কর্মকর্তার দু’জনই অসুস্থ

দুদকে তলব: স্বাস্থ্য অধিদফতরের ৪ কর্মকর্তার দু’জনই অসুস্থ
দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) / ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ভুয়া টেন্ডারের মাধ্যমে শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চার কর্মকর্তাকে তলব করলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) এসেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (বাজেট) ডা. আনিসুর রহমান। তবে

সোমবার ( ৯ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় হাজির হবার পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. সামসুল আলম।

এর আগে গত ৯ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত চিঠি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর সংশ্লিষ্ট চারজন কর্মকর্তাকে তলব করে নোটিশ পাঠায় করে সামসুল আলম।

ওই চার কর্মকর্তা হলেন- পরিচালক ডা. কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, অধ্যাপক ডা. আবদুর রশীদ, সহকারী পরিচালক (বাজেট) ডা. আনিসুর রহমান ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আফজাল হোসেন।

দুদকের উপ-পরিচালক মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সামসুল আলম বলেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. আনিসুর রহমানকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। শারীরিক অসুস্থতার কারণে টেলিফোনে দু'দিন সময় চেয়েছেন পরিচালক ডা কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন। আর ১৫ দিনের সময় চেয়ে আবেদন করেছেন লাইন ডিরেক্টর ডা আব্দুর রশিদ।’

তিনি আরও বলেন, ‘এর আগে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া হিসাব কর্মকর্তা আফজাল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, যার কারণে সে আসেনি।’

দুদকের কাছে জমা দেওয়া সম্পদের বিবরণীতে জানা যায়, আফজাল ও তার স্ত্রীর ১২ কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। আফজালের মাসিক বেতন মাত্র ২৪ হাজার টাকা হলেও তিনি মিলিয়ন ডলার ব্যয় করে অস্ট্রেলিয়ার সিডনীতে বিলাসবহুল একটি বাড়ি কিনেছেন। তার স্ত্রীর রাজধানী ঢাকায় বেশ কয়েকটি ভবনের মালিক।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সিন্ডিকেট করে সীমাহীন দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। এছাড়া বিদেশে অর্থ পাচার ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অর্জনের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

আপনার মতামত লিখুন :

মাছ উৎপাদনে ষষ্ঠ রাজশাহী, বছরে উৎপাদন ৮১ হাজার মেট্রিক টন

মাছ উৎপাদনে ষষ্ঠ রাজশাহী, বছরে উৎপাদন ৮১ হাজার মেট্রিক টন
রাজশাহীতে মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজশাহী জেলায় বছরে প্রায় ৮১ হাজার মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়ে থাকে। চাহিদার উদ্বৃত্ত এই মাছ উৎপাদন করে সারাদেশের মধ্যে রাজশাহী জেলা ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে।

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০১৯ উপলক্ষে বুধবার (১৭ জুলাই) রাজশাহীতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এর আয়োজন করে মৎস্য অধিদফতর। সেখানে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা অলক কুমার সাহা জানান, রাজশাহীতে বছরে মাছের চাহিদা ৫৮ হাজার ৮১৮ দশমিক ৭৫ মেট্রিক টন। তবে উৎপাদন হয় ৮০ হাজার ৮৯৯ দশমিক ৭৯৫ মেট্রিক টন। জেলার চাহিদা মিটিয়ে বাইরে পাঠানো হচ্ছে উদ্বৃত্ত প্রায় ২২ হাজার ৮১ মেট্রিক টন মাছ।

রাজশাহীতে পুকুর রয়েছে ৪১ হাজার ৮৭৬টি। এসবের আয়তন সাত হাজার ২৯৪ হেক্টর। আর তিন হাজার ৪৬২ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিক খামার রয়েছে ছয় হাজার ১০৮টি। এছাড়া বারোপিট, নদী, খাল, বিল ও প্লাবন ভূমিসহ মাছ পাওয়া যায় এমন মোট জলাশয় রয়েছে ৪৮ হাজার ৫৩১টি। মোট আয়তন ৩৯ হাজার ২৫২ হেক্টর।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বুধবার থেকেই জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ শুরু হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে প্রথম দিন সংবাদ সম্মেলন করা হলো। দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার বের করা হবে র‌্যালি। শ্রেষ্ঠ মাছ চাষিদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ শেষে মাছের পোনাও অবমুক্ত করা হবে। তৃতীয় দিন জেলার বাগমারা উপজেলায় আলোচনা সভা শেষে উদ্বোধন করা হবে মৎস্য মেলা। চতুর্থ দিন চলবে ফরমালিন বিরোধী অভিযান। এর পরদিন স্কুল-কলেজে অনুষ্ঠিত হবে মৎস্য চাষ বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা।

ষষ্ঠ দিনে হাটবাজারে মৎস্য চাষে উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। একইসঙ্গে প্রচার করা হবে প্রামাণ্যচিত্র। ২৩ জুলাই সপ্তম দিনে জেলার পবা উপজেলা পরিষদ হল রুমে আয়োজন করা হবে মূল্যায়ন ও সমাপনী অনুষ্ঠানের। জেলা ও উপজেলা মৎস্য দফতর, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন সমন্বিতভাবে সপ্তাহটি উদযাপন করবে।

সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য অধিদফতরের বিভাগীয় পরিচালক মো. শামসুজ্জোহা, উপ-পরিচালক হাসান ফেরদৌস, দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পারভেজ রায়হানসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাফল্যে উচ্ছ্বসিত ময়মনসিংহের সেরা কলেজগুলো

সাফল্যে উচ্ছ্বসিত ময়মনসিংহের সেরা কলেজগুলো
সাফল্যে উচ্ছ্বসিত ময়মনসিংহের সেরা কলেজগুলো

 

চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে উচ্ছ্বসিত ময়মনসিংহের সেরা কলেজগুলো। ফলে বুধবার (১৭ জুলাই) ফলাফল প্রকাশের পর থেকে কলেজগুলোতে ছিলো বাঁধভাঙা আনন্দের জোয়ার। মেধাবী শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে অভিভাবক ও শিক্ষকরাও এ আনন্দে শরিক হয়েছেন। তাঁরা সমস্বরেই গেয়েছেন বিজয়ের গান।

মেধাবী এসব শিক্ষার্থীরা নিজেদের এমন সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছেন তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, শিক্ষক-অভিভাবকদের আন্তরিকতা ও পরিশ্রমকে। আগামী দিনে এসব শিক্ষার্থীরা দেশের জন্য কাজ করবেন বলে অঙ্গীকারও করেছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563370073711.jpg

ময়মনসিংহের সেরা দশ কলেজের ফলাফল বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমের হাতে এসেছে। এ ফলাফলে এবার অন্যান্য বারের মত প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি শিক্ষা নগরী ময়মনসিংহের গর্বের প্রতিষ্ঠান ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ। কলেজটি থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাশের কৃতিত্ব অর্জন করলেও জিপিএ-৫ পেয়েছে সাকুল্যে ৪১ জন।

ময়মনসিংহ নগরীর কলেজগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ৩২৫ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ থেকে। এখান থেকে ১ হাজার ২৭২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ১ হাজার ২৫৮ জন শিক্ষার্থী। পাশের হার ৯৮ দশমিক ৯০।

মুমিনুন্নিসা সরকারি মহিলা কলেজ থেকে ৯৯৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৯৭৮ জন। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৮৯ জন। পাশের হার ৯৮ দশমিক ৩৯।

সরকারি আনন্দ মোহন কলেজ থেকে ৯৯২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৯৪৪ জন। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৪৩ জন। পাশের হার ৯৫ দশমিক ১৬।

ক্যান্ট. পাবলিক স্কুল এ্যান্ড কলেজ থেকে ৫২৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৫২৪ জন। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৭৪ জন। পাশের হার ৯৯ দশমিক ৪৩।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563370091081.jpg

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ৮৩২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৮০৩ জন। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৫৯ জন। পাশের হার ৯৬ দশমিক ৫১।

ময়মনসিংহ নটর ডেম কলেজ থেকে ১ হাজার ১৪৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১ হাজার ৯৩ জন পাশ করেছে। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৫ জন। পাশের হার ৯৫ দশমিক ৭৯।

আলমগীর মনসুর (মিন্টু) মেমোরিয়া কলেজ থেকে ৭৫৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৬৭৪ জন। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১১ জন। পাশের হার ৮৯ দশমিক ২৭।

ময়মনসিংহ সরকারি কলেজ থেকে ৭৮৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৬২৩ জন। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৮ জন। পাশের হার ৭৯ দশমিক শূন্য ছয়।

এ্যাডভান্সড রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ থেকে ৪৭২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৪৪৪ জন। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৭ জন। পাশের হার ৯৪ দশমিক ৬৭।

ময়মনসিংহ কমার্স কলেজের ৫৩৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪৯৩ জন পাশ করেছে। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬ জন। পাশের হার ৯২ দশমিক ১৫।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র