Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

জাবিতে সেলিম আল দীনের মহাপ্রয়াণ দিবস পালিত

জাবিতে সেলিম আল দীনের মহাপ্রয়াণ দিবস পালিত
জাবিতে সেলিম আল দীনের মহাপ্রয়াণ দিবস পালিত। ছবি: বার্তা২৪.কম
জাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বাংলা নাটকের প্রবাদপুরুষ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নাট্যচার্য অধ্যাপক সেলিম আল দীনের একাদশ মহাপ্রয়াণ দিবস পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে ১৪-১৫ জানুয়ারি ২ দিন ব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন কলা ভবন থেকে নাট্যতত্ত্ব বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক ও নাট্যচার্য সেলিম আল দীনের নাট্য সঙ্গী প্রফেসর হারুন অর রশীদ খানের নেতৃত্বে একটি স্মরণ শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি নাট্যচার্যের সমাধিস্থলে গিয়ে শেষ হয়।

শোভাযাত্রার উদ্বোধনকালে প্রফেসর হারুন অর রশীদ খান বলেন, ‘নাট্যচার্যের প্রয়াণ দিবসে আমরা শ্রদ্ধাভরে তাকে স্মরণ করছি। আমরা সেলিম আল দীনের নাট্য চর্চা নন্দনতত্ত্ব সকলের মাঝে পৌঁছে দিতে চাই।’

শোভাযাত্রায় নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের ব্যক্তি, সেলিম আল দীনের আত্মীয়-স্বজনরা অংশগ্রহণ করে।

স্মরণশোভাযাত্রা শেষে জাবি নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ, বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার, ঢাকা থিয়েটার, সেলিম আল দীন ফাউন্ডেশন, তালুকনগর থিয়েটার, স্বপ্নদল ঢাকা, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার, পুতুল নাট্য গবেষণা কেন্দ্র, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র, নাটক সংসদ, কলমা থিয়েটার, ভোর হোল, শহীদ টিটু থিয়েটারসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন সেলিম আল দীনের সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে।

এছাড়া দিনব্যাপী নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ আয়োজিত অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে দুপুর ২টায় আলোকচিত্র প্রদর্শনী 'বারীণ ঘোষের' ক্যামেরায় সেলিম আল দীন, দুপুর আড়াইটায় 'সেলিম আল দীন এই যে আমি : অন্তর্গত আলোক' শীর্ষক সেমিনার। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের প্রযোজনায় নাটক 'চন্দ্রাবতী'।

কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় পুরাতন কলা ভবনের মৃৎ মঞ্চে সঙযাত্রা এবং সন্ধ্যা ৬টায় সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে কিশোরগঞ্জের ইসলাম উদ্দিনের পালাগান অনুষ্ঠিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

ন্যায্য মূল্যে ধান কিনতে ডিসিদের সহায়তা চান কৃষিমন্ত্রী

ন্যায্য মূল্যে ধান কিনতে ডিসিদের সহায়তা চান কৃষিমন্ত্রী
সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

আগামী বছর থেকে বোরো মৌসুমে ন্যায্য মূল্যে ধান কিনতে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সহায়তা চেয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ দিনের সপ্তম অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘এই বোরো মৌসুমে ধানের দাম অনেক কম। ফলে কৃষকরা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। চার লাখ টন চাল কেনার যে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বলেছি সরাসরি যেন কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনা হয়। এবার ধান কেনা প্রভাবমুক্ত ছিল।’

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘বড় সমস্যা হলো গুদাম নেই, আর উৎপাদন খরচও বেশি। কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণের জন্য প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দুই থেকে তিন হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা দেবেন। ইতোমধ্যে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে, তার জন্য ইতোমধ্যে ৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।’

চালের লাভ মিল মালিকদের কাছে যায় উল্লেখ বরে তিনি বলেন, ‘এবার বলেছি, আগামী বছর থেকে মিলারকে যদি ৫০০ টন চাল দিই তাহলে তাদের ৫০০ টন ধানও কিনতে হবে। এই লিস্ট আমরা করে দেবে। আমরা মিটার কিনে দেবে। সেটা ঠিক থাকলে মিলারের কাছ থেকে দাম নেবে।’

‘ডিসিদের অনুরোধ করেছি আগামীতে বোরো আমরা যেন বিপুল ধান প্রত্যক্ষভাবে কিনতে পারি। সেজন্য আমরা একটি নীতিমালাও করব। এটি কেবিনেটে অনুমোদন করে, সুনির্দিষ্ট নীতিমালা আইনের মাধ্যমে এক্ষেত্রে অগ্রসর হতে চাচ্ছি।’

চাষিদের ক্যাটাগরি করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রান্তিক চাষি, মাঝারি চাষি ও বৃহৎ চাষি- এই তিন ক্যাটাগরি করা হবে। বৃহৎ চাষিদের একটু কম দিলাম, আবার মাঝারি ও প্রান্তিক চাষিদের একটু বেশি সুবিধা দিলাম। ডিসিদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছি। আগামী আমন ও বোরো মৌসুমে চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য আমাদের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’

ডিসিরা কোনো সমস্যার কথা বলেছেন কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তারা বলেছে সহায়তা করবে। ধানের বিষয়টি নিয়ে তারাও চিন্তিত, মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। এছাড়া তারা বিভিন্ন সমস্যার কথা বলেছেন। আমরা সেগুলোর উত্তরও দিচ্ছি।’

ধান ক্রয়ে রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করেনি দাবি করে মন্ত্রী বলেন, ‘এবার আমরা রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়েছি। ডিসি, ইউএনও ও কৃষি অফিসারদের এমন নির্দেশ দিয়েছি, যার ফলে রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করেনি, করতে দেওয়া হয়নি।’

প্রত্যাহারের আদেশ না মানায় দুর্গাপুর থানার ওসি স্ট্যান্ড রিলিজ

প্রত্যাহারের আদেশ না মানায় দুর্গাপুর থানার ওসি স্ট্যান্ড রিলিজ
দুর্গাপুর থানার ওসি আব্দুল মোতালেব, ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহীর দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) আব্দুল মোতালেব প্রত্যাহারের আদেশ না মানায় তাকে স্ট্যান্ড রিলিজের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) সকালে রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার এই আদেশ দেন। জেলা পুলিশের মুখপাত্র ইফতে খায়ের আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, গত ২ জুলাই একজন নারী তার স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের মামলা করতে আসলেও তা নিতে গড়িমসি করার অভিযোগ ওঠে ওসি আব্দুল মোতালেবের বিরুদ্ধে। তিনি অভিযোগ খতিয়ে দেখতে একজন এএসআইকে দায়িত্ব দেন। ওই এএসআই আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে মীমাংসার জন্য বৈঠক ডাকেন। তবে ঘটনা মীমাংসা করার আগেই ভুক্তভোগী নারীর স্বামী (অভিযুক্ত) দুবাই চলে যান।

জেলা পুলিশের মুখপাত্র আরও জানান, বিষয়টি জানাজানি হলে এবং ভুক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে জনস্বার্থে ওসি আব্দুল মোতালেবকে বদলি করা হয়। তাকে ১৬ জুলাইয়ে পুলিশ লাইনে হাজির হওয়ার আদেশ জারি করা হয়। নির্ধারিত দিনে পুলিশ লাইনে হাজির না হওয়ায় তাকে দুর্গাপুর থানা থেকে স্ট্যান্ড রিলিজের আদেশ দেওয়া হয়।

থানা সূত্র জানায়, রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার মহিপাড়া গ্রামের শিমু ইয়াসমিন লিপি নামের এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে শারীরিক নির্যাতন করে তার দুবাই প্রবাসী স্বামী সোহেল রানা। পরে ওই নারী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে অপারেশনের মাধ্যমে তার গর্ভের মৃত সন্তানকে বের করা হয়। চিকিৎসকরা জানান, স্বামীর মারধর ও আঘাতে ওই নারীর গর্ভের সন্তান মারা যায়।

এ ঘটনায় গত ২ জুলাই স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের মামলা করতে গেলে ওসি আব্দুল মোতালেব তা নিতে গড়িমসি করে নারীকে ফিরিয়ে দেন। দ্বিতীয় দফায় অভিযোগ করতে গেলে, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা জানার পর অভিযোগ নেওয়া হবে মর্মে একজন এএসআইকে দায়িত্ব দেন। তবে সেই এএসআই অভিযুক্তকে দেশ ছেড়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেন বলে অভিযোগ ওঠে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র