Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ৩১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

চাকসু নির্বাচনের দাবিতে ছাত্রলীগের আল্টিমেটাম

চাকসু নির্বাচনের দাবিতে ছাত্রলীগের আল্টিমেটাম
চাকসু নির্বাচনের দাবিতে ছাত্রলীগের আল্টিমেটাম, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
চট্টগ্রাম
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকসু নির্বাচনের ডামাডোলের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনের দাবিতে প্রশাসনকে এক মাসের আল্টিমেটাম বেঁধে দিয়েছে ছাত্রলীগ। এই সময়ের মধ্যে তফসিল ঘোষণা এবং নির্বাচনের প্রস্তুতির দাবি জানানো হয়েছে।

সোমবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে এক মানববন্ধন থেকে এমন হুঁশিয়ারি ও আল্টিমেটাম দেয় ছাত্র নেতারা।

মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফজলে রাব্বি সুজন বলেন, ২৮ বছর ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের সংসদকে প্রশাসন অনৈতিক সুবিধার জন্য অচল করে রেখেছে। সিনেটে শিক্ষার্থীদের কোনো প্রতিনিধি না থাকায় শিক্ষার্থীরা সকল অধিকার থেকে বঞ্চিত। পর্যাপ্ত আবাসন ও যাতায়াত ব্যবস্থায় ত্রুটির কারণে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে। প্রশাসন একচেটিয়াভাবে তাদের অনৈতিক সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু তাদের এই সুযোগ আর দেওয়া হবে না। আগামী এক মাসের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকল ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও তফসিল ঘোষণা করতে হবে। অন্যথায় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে সকল ছাত্র সংগঠন কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।

সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক অর্থ সম্পাদক জাহেদ আওয়াল মানববন্ধন সঞ্চালনা করেন।

মানববন্ধনে ছাত্রলীগ চবি শাখার সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইলিয়াছ, জাহাঙ্গীর আলম জীবন, সহ-সম্পাদক আজাদুর রহমান, তারেকুল ইসলাম ও মিশু বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ ১৯৯০ সালের ফেব্রুয়ারিতে চাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর ক্ষমতার হাতবদলে উপাচার্যদের আশ্বাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল নেতৃত্ব তৈরির আঁতুরঘর। ঢাকসু নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হওয়ায় নতুন করে আশার সঞ্চার হয় চবির শিক্ষার্থীদের মাঝে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীকে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি। পরে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতারে কাছে জানতে চাইলে তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমি এখনই এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। ভিসি স্যার যা করবেন, তারপর দেখা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন :

এরশাদের সঙ্গে রংপুর যাচ্ছেন যারা

এরশাদের সঙ্গে রংপুর যাচ্ছেন যারা
চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ। ফাইল ছবি

রংপুর থেকে: আগামীকাল মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বাদ জোহর রংপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের চতুর্থ জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টার যোগে এরশাদের মরদেহ রংপুরে আনা হবে।

এরশাদের মরদেহের সঙ্গে রংপুরে আসবেন দলের শীর্ষ নেতারা। কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী আব্দুর রাজ্জাক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘এরশাদ স্যারের রংপুরের জানাজায় তার মরদেহের সঙ্গে যাচ্ছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের, স্যারের ছেলে রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ফয়সাল চিশতি, মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা, সাবেক মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, মেজর (অব.) খালেদ আখতার, আজম খান, এটিইউ তাজ রহমান ও শফিকুল ইসলাম সেন্টুসহ বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য।’

জানাজা শেষে মঙ্গলবার বিকেলে তাকে ঢাকা বনানীর সামরিক কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে। তবে জাতীয় পার্টির উত্তরাঞ্চলের নেতারা ইতোমধ্যে এরশাদের দাফন রংপুরে করার ঘোষণা দিয়ে কবর খনন করেছেন। দাফন নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হওয়ায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই ঢাকা সিএমএইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এরশাদ মারা যান।

রংপুরেই এরশাদের দাফন চান সাবেক স্ত্রী বিদিশা

রংপুরেই এরশাদের দাফন চান সাবেক স্ত্রী বিদিশা
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক, ছবি: সংগৃহীত

রংপুরবাসীর মতো সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দাফন রংপুরেই চান তার সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, 'আমিও তাই চাই, লাখ লাখ নেতাকর্মীদের মতো রংপুরের মাটি যেন হয় এরশাদের শেষ ঠিকানা। সহধর্মিণী থাকতে বহুবার পল্লী নিবাসের বারান্দায় ছেলে এরিককে কোলে বসিয়ে উনি আমাকে বলেছিলেন, তুমি আমার ছোট, দেখ আমার মৃত্যু ও যেন আমার ছেলের কাছে থেকে দূরে না রাখে। আমার কবর আমি এই পল্লী নিবাসে চাই। রংপুরের মানুষের ভালোবাসা প্রতিদান আমি দিতে পারিনি আজও। রংপুরের মানুষ আমার কবরে এসে দোয়া করবে এটাই আমার চাওয়া। প্রতিবার এই কথাটি বলতেন তিনি এরিকের দিকে তাকিয়ে, ভিজে চোখে।'

এর আগে রোববার ১৪ জুলাই রোববার হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর আজমির শরিফে থাকা বিদিশা এরশাদ ফেসবুকে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দেন। সেখানে বিদিশা এরশাদ লিখেছেন, 'এ জন্মে আর দেখা হলো না। আমিও আজমির শরিফ আসলাম, আর তুমিও চলে গেলে। এত কষ্ট পাওয়ার থেকে মনে হয় এই ভালো ছিল। আবার দেখা হবে হয়তো অন্য এক দুনিয়াতে, যেখানে থাকবে না কোনো রাজনীতি।'

সাবেক সেনা প্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা আজ সকালে আজমির শরিফ থেকে দেশে ফিরেন। তিনি সকালে এরশাদের মরদেহ দেখতে এবং ছেলে এরিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে প্রেসিডেন্ট পার্কে গিয়ে বাধার মুখে বাসার গেট থেকে ফিরে আসেন বলে অভিযোগ করেছেন।

উল্লেখ্য, রোববার (১৪ জুলাই) সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের মৃত্যুর পর তার মরদেহ দাফন জটিলতা তৈরি হয়। ঢাকার নেতারা চাইছেন এরশাদের দাফন হোক সেনা কবরস্থানে। বিপরীতে রংপুরের নেতাকর্মীরা চাইছেন, রংপুরেই হোক এরশাদের শেষ সমাধি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র