Alexa

জেএমবি মিডিয়াতে কাজ করত আইএস মতাদর্শী শরিফুল

জেএমবি মিডিয়াতে কাজ করত আইএস মতাদর্শী শরিফুল

র‍্যাবের মুখপাত্র মুফতি মাহমুদ খান। ছবি: বার্তা২৪.কম

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, ঢাকা, বার্তা২৪.কম

২০১৩ সালে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়া শরিফুল ইসলাম ওরফে খালিদ ছিলেন আইএস মতাদর্শী। পরবর্তীতে জেএমবিতে যোগ দেয়ার পরে ভালো ছাত্র হওয়ার কারণে দলটির মিডিয়া শাখায় অন্তর্ভুক্ত হন তিনি।

শনিবার (২৬ জানুয়ারি) হলি আর্টিজান মামলার চার্জশিটভুক্ত সর্বশেষ পলাতক আসামি শরিফুল ইসলাম সম্পর্কে এ তথ্য জানান র‍্যাবের মুখপাত্র মুফতি মাহমুদ খান।

মুফতি মাহমুদ খান বলেন, ‘২০১৩ সালের ডিসেম্বরে শোভন নামের এক বন্ধুর কাছে থেকে জঙ্গিবাদে অনুপ্রাণিত হন শরিফুল ইসলাম। প্রথম দিকে তিনি আইএসের মতাদর্শী ছিলেন। পরবর্তীতে শোভনের মাধ্যমে রাজশাহীতে জঙ্গি শীর্ষ নেতা তামিম চৌধুরীর সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে তিনি জেএমবিতে যোগ দেন।

র‍্যাব জানায়, সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে ২০১৫ সালে গ্রেফতার মামুনুর রশিদের বগুড়ার বাসায় জঙ্গি শীর্ষ নেতা সারোয়ার জাহান ও তামিম চৌধুরী এক হন। তাদের এই এক হওয়ার পেছনে বিশেষ ভূমিকা রাখেন শরিফুল ইসলাম। ওই দিন তাদের একটি মিটিং হয়। সেই মিটিংয়ে জেএমবি মিডিয়া শাখায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় শরিফুলকে।

র‍্যাবের এই মুখপাত্র জানান, মূলত কোনো অভিযানে যাওয়ার আগে কয়জন জঙ্গি আর কে কে অংশগ্রহণ করবে সেই বিষয়টি দেখতেন শরিফুল।

মুফতি মাহমুদ খান আরও জানান, ওই মিটিংয়ে দেশের গুণী ব্যক্তিদের টার্গেট কিলিংয়ের জন্য একটি তালিকা করা হয়। তার ধারাবাহিকতায় গত ২৩ এপ্রিল ২০১৬ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক রেজাউল করিমকে হত্যায় অংশ নেন এ জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা। তারপর থেকেই আত্মগোপনে চলে যান শরিফুল ইসলাম।

অন্যদিকে হলি আর্টিজান হামলায় শরিফুলের ভূমিকা সম্পর্কে মুফতি মাহমুদ খান জানান, হলি আর্টিজান হামলার পূর্বে মামুনুর রশিদ রিপন যে ৩৯ লাখ টাকা দিয়েছিল, ওই টাকা সংগ্রহে কাজ করেছেন তিনি। টাকাগুলো আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (২৫ জানুয়ারি) চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল থেকে হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর রেজাউল করিম হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শরিফুল জঙ্গিকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-৫।

জাতীয় এর আরও খবর