Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

একাদশ সংসদ নির্বাচন গণন্ত্রকে সুসংহত করেছে: স্পিকার

একাদশ সংসদ নির্বাচন গণন্ত্রকে সুসংহত করেছে: স্পিকার
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী / ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচনে অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে সুসংহত করেছে বলে জানিয়েছেন নতুন স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

বুধবার (৩০ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদ তাকে তৃতীয়বারের মতো স্পিকার নির্বাচিত করার পর স্বাগত বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

স্পিকার বলেন, ‘আমি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই আমার নির্বাচনী এলাকা রংপুর-৬ এর সমগ্র পীরগঞ্জবাসীদের, যারা তাদের মূল্যবান ভোটের মাধ্যমে আমাকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। তাদের জন্যই আমি একাদশ সংসদের স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি। পীরগঞ্জের সকল মা ও তরুণ ভাই-বোনদের আন্তরিক ধন্যবাদ যানাই, যারা কনকনে শীতের রাতেও বিভিন্ন ইউনিয়নে নির্বাচনী পথ সভায় উপস্থিত থেকেছেন। অনুরূপভাবে সারা বাংলাদেশে নির্বাচনী আসনে ব্যাপক উপস্থিতির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের প্রতি যে অকুণ্ঠ সমর্থন করেছেন তাদেরকে।

তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন সংসদীয় গণতন্ত্রকে বিকশিত করে। আইন প্রণয়নের পাশাপাশি জনগণের জীবন মানোন্নয়নের সার্বিক কল্যাণ সাধনের প্রত্যাশা পূরণে গঠনমূলক আলোচনা-সমালোচনার মধ্য দিয়ে সরকারের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় একাদশ সংসদ কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। সংসদীয় গণতন্ত্রে সংবিধান ও সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি গণতন্ত্রকে সুসংহত করে। দুনিয়ার সব পার্লামেন্টারি কনভেনশনে যেসব নীতিমালা আছে, সেগুলো আমরা মেনে চলতে চাই। সঙ্গে সঙ্গে এমন একটি পার্লামেন্টারি প্রসিডিউর ফলো করতে পারি যাতে দুনিয়া আমাদের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।’

শিরীন শারমিন বলেন, ‘আসুন আমরা আমাদের প্রসিডিউর ধারা ও সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ সমগ্র বিশ্বে উন্নয়নের বিস্ময়। এই নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণ আমাদের ওপর আস্থা ও গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছে- তা যথাযথভাবে পালন করাই হোক আমাদের আজকের প্রত্যয়। গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রার মধ্য দিয়ে উন্নয়নের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদ কার্যকর ভূমিকা রাখবে এই হোক আমাদের সকলের সম্মিলিত কাজ।’

এর আগে বেলা ৩টায় একাদশ সংসদের যাত্রা শুরু হয়। অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদের বৈঠক ২০ মিনিটের বিরতি দেওয়া হয়। এ সময় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ স্পিকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান। শপথ শেষে সভাপতির আসনে বসেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এরপর ডেপুটি স্পিকার হিসেবে শপথ নেন অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া।

আপনার মতামত লিখুন :

পাখির জন্য ভালোবাসার আবাস

পাখির জন্য ভালোবাসার আবাস
পাখির জন্য নিরাপদ আবাস গড়তে গাছে মাটির পাত্র বেঁধে দিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবীরা

‘পাখি-সব করে রব, রাতি পোহাইল’—মদনমোহন তর্কালঙ্কারের ছড়ার ছড়াটি পড়েনি এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া কঠিন। শুধু গ্রামেই নয়, শহরেও পাখির কিচির-মিচির হরহামেশাই শোনা যেত। কিন্তু এখন আর ছড়ার সঙ্গে মিল রেখে পাখির কলরব শোনা যায় না। গাছে গাছে পাখির কলকাকলি যেন হারিয়ে যাচ্ছে।

তাই ‘ইজি ডোর’ নামে একটি সংগঠনের সদস্যরা খুলনা শহরের সাতরাস্তার মোড়ের একটি বাদাম গাছে ৪০টি মাটির পাত্র বেঁধে দিয়েছেন পাখির জন্য নিরাপদ আবাস গড়ে দিতে। তাদের কার্যক্রমের নাম দেওয়া হয়েছে ‘টু-লেট ফর বার্ডস’।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দিনভর সাতরাস্তার মোড়ের গাছটিতে পাখির বাসা সংযোজন করেছে উদ্যমী ওই তরুণরা। এ সপ্তাহে জিলা স্কুল, টাউন জামে মসজিদ রোড এবং ওজোপাডিকো সদর দফতরের ভেতরের গাছে পাখির নিরাপদ আবাসের ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সদস্যরা।

ইজি ডোরের সহ-প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষার্থী আহসান আহম্মেদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, সাতরাস্তা মোড়ের বাদাম গাছটিতে প্রতিদিন বিকেল থেকে শত শত চড়ুই পাখি আশ্রয় নেয়। পাখিরগুলোর ডাকে বিকেল থেকে পুরো এলাকা মুখরিত থাকে। আমরা কয়েকজন বন্ধু এখানে আড্ডা দিতাম। আড্ডা দিতে দিতেই পাখির নিরাপদ আবাসের কথাটা সবার মাথায় আসে। এরপর শহরের কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করি। এরপর টাকা সংগ্রহ করে প্রথম দিনে ৪০টি মাটির পাত্র কিনে বাদাম গাছে লাগিয়েছি। এ কাজে খুলনা ফায়ার সার্ভিস আমাদের সাহায্য করেছে।

পাখির নিরাপদ আবাসের জন্য কাজ করা এসব স্বপ্নবাজ তরুণরা আরও বলেন, এ কাজের উদ্দেশ্য খুলনা শহরের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা। পাখিদের অভয়ারণ্য তৈরি হলে এ শহরের সৌন্দর্য এবং পরিবেশ অনেক ভালো হবে বলে আমরা মনে করি। পাখিরা নিশ্চিন্তে শহরে যেন থাকতে পারে তার একটা পরিবেশ তৈরি করাও আমাদের কাজের লক্ষ্য। শহরের বাসিন্দাদের বাড়ির ছাদে বা যেকোন স্থানে সবাই যেন পাখির জন্য একটু এগিয়ে আসে সেই চেষ্টাও করছি। আমাদের উদ্যোগ একদিনের নয় বরং সহযোগিতা পেলে আমরা এই কাজ চালিয়ে যাব। প্রয়োজনে আরও আধুনিক উপায় বের করে পাখি ও অন্যান্য প্রজাতির জন্য সুন্দর আবাসস্থল তৈরি করব।

ইজি ডোরের এ উদ্য‌োগের সঙ্গে ছিলেন—মাহমুদুল ইসলাম সনেট, আহসান আহম্মেদ, জুবায়ের হাসান সৈকত, শুভ্র মজুমদার, আলামিন শেখ, সাব্বির আহম্মেদ, আলামিন, তানভীর আহম্মেদ সজল প্রমুখ। এরা প্রত্যেকেই ইজি ডোর ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাসোসিয়েশনের স্বেচ্ছাসেবী।

খুলনা শহরের কিছু কিছু এলাকায় প্রচুর পাখি দেখা যায়। পাখির জন্য নিরাপদ আবাস বানিয়ে প্রাণীটির প্রতি নিজেদের ভালোবাসা প্রকাশ করছেন খুলনার এই তরুণরা। এ কাজের জন্য তরুণেরা মানুষের ভালোবাসাও পাচ্ছেন।

সাংবাদিক প্লাবনকে হুমকি, থানায় জিডি

সাংবাদিক প্লাবনকে হুমকি, থানায় জিডি
রেজাউল করিম প্লাবন

সাংবাদিক রেজাউল করিম প্লাবনকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। চাঁদা না পাওয়ায় মোবাইল ফোনে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় উল্লেখ করে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় জিডি করেছেন তিনি।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) এসব তথ্য জানান দৈনিক যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার রেজাউল করিম প্লাবন। তার গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামের চিলমারীতে।

জিডিতে তিনি বলেন, ‘কুড়িগ্রামের চিলমারী থেকে মাসুম বিল্লাহ নামে একজন সন্ত্রাসী দীর্ঘদিন থেকে আমার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। সর্বশেষ গত ১১ আগস্ট চিলমারী আমার নিজ এলাকায় ত্রাণ বিতরণকালে আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সংগঠনের নেতা পরিচয় দিয়ে ১০০টি ত্রাণের স্লিপ দাবি করে। চাঁদার স্লিপ না দেয়ায় সে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে চলে যায়। এরই জের ধরে গত কয়েকদিন ধরে মাসুম বিল্লাহ ও তার সহযোগী মামুন আমার পরিবারের লোকজনদের হয়রানি করছে। বাসায় গিয়ে বিনা কারণে শাসিয়ে আসছে। এ নিয়ে মাসুম বিল্লাহ আমাকে ফোন দিয়ে বৃহস্পতিবার অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও হত্যার হুমকি দেয়। আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

রেজাউল করিম প্লাবন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতেই আমি হাতিরঝিল থানায় সাধারণ ডায়েরি করি। প্রশাসনের কাছে আমার পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করছি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র