Alexa

ফুটপাতে অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষকরা

ফুটপাতে অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষকরা

ফুটপাতে অবস্থান নিয়েছেন অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষকরা, ছবি: বার্তা২৪.কম

চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে রাত হয়ে যাওয়ায় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদেরকে অবস্থান কর্মসূচি শেষ করতে বলা হলেও শিক্ষকরা তাতে রাজি হননি। তারা বলছেন, পুলিশ উঠিয়ে দিলেও এসিটিদের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

রোববার (৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষকরা (এসিটি)। দিন শেষে হলেও তারা প্রেসক্লাবের সামনের ফুটপাতেই অবস্থান করবেন।

সোমবার (৪ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনশন কর্মসূচি চলাকালীন তারা এসব কথা বলেন।

চলমান কর্মসূচি সম্পর্কে জানতে চাইলে বাংলাদেশ এসিটি অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মামুন হোসেন বলেন, 'পুলিশের সঙ্গে এখনও আলোচনা চলছে। তবে এখনও কোনো সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছা যায়নি। পুলিশ এর আগেরবার আমাদের উঠিয়ে দিয়েছিল, সেভাবে উঠিয়ে দিলেও আমরা থাকবো। প্রয়োজনে আগামীকাল সকালে আবারও আসবো।’

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সকাল থেকে চাকরি স্থায়ীকরণ অথবা পরবর্তী প্রকল্পে স্থানান্তরের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষকরা (এসিটি)। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন বলেও জানিয়েছেন সংগঠনের নেতারা।

এসিটি অ্যাসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কৌশিক চন্দ্র বর্মন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে চাকরি স্থায়ীকরণের সুপারিশের চিঠি উপেক্ষা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমাদের রাখতে চাচ্ছে না। তাহলে সেই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কে আছে, কারা আছে? শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বিএনপি-জামায়াতের দোসররা চক্রান্ত করে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি উপেক্ষা করে আমাদের চাকরি স্থায়ীকরণে বাধার সৃষ্টি করছে। আমরা অবিলম্বে স্থায়ীকরণের লিখিত নোটিশসহ স্কুলে ফিরে যেতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘২০১৭ সালের ডিসেম্বরে সমাপ্ত সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি অ্যান্ড অ্যাকসেস এনহান্সমেন্ট প্রজেক্টে (সেকায়েপ) নিয়োগ পাওয়া অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষকদের (এসিটি) চাকরি স্থায়ী করার আশ্বাস দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় পাঁচ হাজার শিক্ষকের ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।’

তিনি আরও জানান, ‘প্রকল্প শেষ হওয়ার পরও মৌখিক আশ্বাসে ক্লাস করে আসছি আমরা। চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে কয়েক দফা মানববন্ধন করেছি। আশ্বাস অনুযায়ী মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে নতুন প্রকল্প এসইডিপিতে সেকায়েপের বিভিন্ন কম্পোনেন্টের কার্যক্রম চালু হলেও এসিটিদের চাকরি স্থায়ী করার কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এতে চরমভাবে হতাশ হয়ে পড়েছেন অভিজ্ঞ এই শিক্ষকরা।’

অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন শিক্ষক নেতা রাফিউল ইসলাম রাফি, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. রইজউদ্দিন, মো. ওসমান গণিসহ অন্যরা।

আপনার মতামত লিখুন :