চট্টগ্রামে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের ব্যাপক প্রস্তুতি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চট্টগ্রাম, বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রামে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, ছবি: বার্তা২৪.কম

চট্টগ্রামে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন দপ্তর ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ। ক্যাম্পেইনকে সফল করার লক্ষ্যে শহর থেকে গ্রামেও প্রচারণা চালানো হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের দাবী, তাদের লক্ষ্য নগর ও গ্রামের একটি শিশুও যেন ভিটামিন এ ক্যাম্পসুল খাওয়া থেকে বাদ না থাকে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের ১২ লাখ ২৬ হাজার ১৯৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে ৪ লাখ ৩০ হাজার এবং জেলায় সাত লাখ ৯৬ হাজার ১৯৫ জন শিশু।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এ কর্মসূচি পালন করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) স্বাস্থ্য বিভাগ প্রধান ডাক্তার সেলিম আক্তার এক সংবাদ সম্মেলনের জানান, সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে স্থায়ী-অস্থায়ী ১২৮৮টি কেন্দ্রে ৬-১১ মাস বয়সী ৮০ হাজার শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’প্লাস ক্যাপসুল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৪ লাখ ৩০ হাজার শিশুকে ১টি করে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

সকল শিশুকে অবশ্যই ভরা পেটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য যথাসময়ে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসতে হবে।

চসিক স্বাস্থ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক প্রধান অতিথি এবং চট্টগ্রাম বিভাগের সহকারী পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, চসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলী, জোনাল মেডিকেল অফিসার ডা. ইমাম হোসেন রানা, ডা. সুমন তালুকদার, ডা. মুজিবুল আলম চৌধুরী, রফিকুল ইসলাম ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. সরওয়ার আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম জেলার সিভিল ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী জানান, জেলার ১৪টি উপজেলার ২০০টি ইউনিয়নের চার হাজার ৮৪১টি কেন্দ্র ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘স্বাস্থ্যকর্মীরা ক্যাপসুল খাওয়ানোর পাশাপাশি অভিভাবকদের প্রতি শিশুকে ছয় মাস পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়ানো, লাল-হলুদ-সবুজ রংয়ের ফলমূল, শাক-সবজি খাওয়ানোর পরামর্শ দেবেন। সরকারি স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি নয় হাজার ৭২২ জন স্বেচ্ছাসেবক থাকবেন ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রমে।’

আপনার মতামত লিখুন :