Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

রাজশাহীতে চেয়ারম্যান পদে ২৫ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল

রাজশাহীতে চেয়ারম্যান পদে ২৫ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল
মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার পর উচ্ছ্বাস, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
রাজশাহী
বার্তা২৪


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহীর আট উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ২৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩৭ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৭ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারি) মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষদিনে এসব প্রার্থীরা তাদের মনোনয়ন জমা দেন। প্রথম দফা তফসিল অনুযায়ী আগামী ১০ মার্চ এসব উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এর মধ্যে গোদাগাড়ীতে চারজন, তানোরে দুইজন, চারঘাটে দুইজন, বাঘায় চারজন, বাগমারায় তিনজন, মোহনপুরে চারজন, দুর্গাপুরে তিনজন ও পুঠিয়ায় তিনজন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন।

জানা গেছে, গোদাগাড়ীত উপজেলা থেকে মনোনয়ন দাখিল করেছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বদিউজ্জামান, সালাউদ্দিন বিশ্বাস ও ওয়ার্কার্স পার্টির সাইদুর রহমান।

তানোরে মনোনয়ন দাখিল করেন আওয়ামী লীগের মনোনীত লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না ও ওয়ার্কার্স পার্টির শরিফুল ইসলাম।

বাঘায় মনোনয়ন জমা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত লায়েব উদ্দিন লাভলু, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মেরাজুল ইসলাম মেরাজ, বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ আল মামুন ও জাপা নেতা সামশুদ্দিন রিন্টু।

চারঘাটে মনোনয়ন দাখিল করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত ফকরুল ইসলাম ও এ্যাডভোকেট টিপু সুলতান।

দুর্গাপুরে মনোনয়ন দাখিল করেন আওয়ামী লীগের নজরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সরদার আবদুল মজিদ ও আবদুল কাদের মন্ডল।

বাগমারা উপজেলা থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত অনিল কুমার সরকার, বিএনপি নেতা ডিএম জিয়াউর রহমান ও বাবুল হোসেন।

পুঠিয়া থেকে মনোনয়ন দাখিল করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত জিএম হিরা বাচ্চু, জাপার আনসার আলী ও মোখলেসুর রহমান মন্টু। এছাড়া মোহনপুর থেকে আওয়ামী লীগ মনোনীত এ্যাডভোকেট আবদুস সালাম, জাপার কামরুজ্জামান বুলু, স্বতন্ত্র শহীদ ইবনে ও আফজাল হোসেন বকুল।

রাজশাহীতে মোট নয়টি উপজেলা থাকলেও সীমানা জটিলতায় আদালতের নির্দেশে পবা উপজেলা নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। বাকি আট উপজেলায় প্রথম ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

পাখির জন্য ভালোবাসার আবাস

পাখির জন্য ভালোবাসার আবাস
পাখির জন্য নিরাপদ আবাস গড়তে গাছে মাটির পাত্র বেঁধে দিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবীরা

‘পাখি-সব করে রব, রাতি পোহাইল’—মদনমোহন তর্কালঙ্কারের ছড়ার ছড়াটি পড়েনি এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া কঠিন। শুধু গ্রামেই নয়, শহরেও পাখির কিচির-মিচির হরহামেশাই শোনা যেত। কিন্তু এখন আর ছড়ার সঙ্গে মিল রেখে পাখির কলরব শোনা যায় না। গাছে গাছে পাখির কলকাকলি যেন হারিয়ে যাচ্ছে।

তাই ‘ইজি ডোর’ নামে একটি সংগঠনের সদস্যরা খুলনা শহরের সাতরাস্তার মোড়ের একটি বাদাম গাছে ৪০টি মাটির পাত্র বেঁধে দিয়েছেন পাখির জন্য নিরাপদ আবাস গড়ে দিতে। তাদের কার্যক্রমের নাম দেওয়া হয়েছে ‘টু-লেট ফর বার্ডস’।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দিনভর সাতরাস্তার মোড়ের গাছটিতে পাখির বাসা সংযোজন করেছে উদ্যমী ওই তরুণরা। এ সপ্তাহে জিলা স্কুল, টাউন জামে মসজিদ রোড এবং ওজোপাডিকো সদর দফতরের ভেতরের গাছে পাখির নিরাপদ আবাসের ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সদস্যরা।

ইজি ডোরের সহ-প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষার্থী আহসান আহম্মেদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, সাতরাস্তা মোড়ের বাদাম গাছটিতে প্রতিদিন বিকেল থেকে শত শত চড়ুই পাখি আশ্রয় নেয়। পাখিরগুলোর ডাকে বিকেল থেকে পুরো এলাকা মুখরিত থাকে। আমরা কয়েকজন বন্ধু এখানে আড্ডা দিতাম। আড্ডা দিতে দিতেই পাখির নিরাপদ আবাসের কথাটা সবার মাথায় আসে। এরপর শহরের কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করি। এরপর টাকা সংগ্রহ করে প্রথম দিনে ৪০টি মাটির পাত্র কিনে বাদাম গাছে লাগিয়েছি। এ কাজে খুলনা ফায়ার সার্ভিস আমাদের সাহায্য করেছে।

পাখির নিরাপদ আবাসের জন্য কাজ করা এসব স্বপ্নবাজ তরুণরা আরও বলেন, এ কাজের উদ্দেশ্য খুলনা শহরের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা। পাখিদের অভয়ারণ্য তৈরি হলে এ শহরের সৌন্দর্য এবং পরিবেশ অনেক ভালো হবে বলে আমরা মনে করি। পাখিরা নিশ্চিন্তে শহরে যেন থাকতে পারে তার একটা পরিবেশ তৈরি করাও আমাদের কাজের লক্ষ্য। শহরের বাসিন্দাদের বাড়ির ছাদে বা যেকোন স্থানে সবাই যেন পাখির জন্য একটু এগিয়ে আসে সেই চেষ্টাও করছি। আমাদের উদ্যোগ একদিনের নয় বরং সহযোগিতা পেলে আমরা এই কাজ চালিয়ে যাব। প্রয়োজনে আরও আধুনিক উপায় বের করে পাখি ও অন্যান্য প্রজাতির জন্য সুন্দর আবাসস্থল তৈরি করব।

ইজি ডোরের এ উদ্য‌োগের সঙ্গে ছিলেন—মাহমুদুল ইসলাম সনেট, আহসান আহম্মেদ, জুবায়ের হাসান সৈকত, শুভ্র মজুমদার, আলামিন শেখ, সাব্বির আহম্মেদ, আলামিন, তানভীর আহম্মেদ সজল প্রমুখ। এরা প্রত্যেকেই ইজি ডোর ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাসোসিয়েশনের স্বেচ্ছাসেবী।

খুলনা শহরের কিছু কিছু এলাকায় প্রচুর পাখি দেখা যায়। পাখির জন্য নিরাপদ আবাস বানিয়ে প্রাণীটির প্রতি নিজেদের ভালোবাসা প্রকাশ করছেন খুলনার এই তরুণরা। এ কাজের জন্য তরুণেরা মানুষের ভালোবাসাও পাচ্ছেন।

সাংবাদিক প্লাবনকে হুমকি, থানায় জিডি

সাংবাদিক প্লাবনকে হুমকি, থানায় জিডি
রেজাউল করিম প্লাবন

সাংবাদিক রেজাউল করিম প্লাবনকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। চাঁদা না পাওয়ায় মোবাইল ফোনে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় উল্লেখ করে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় জিডি করেছেন তিনি।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) এসব তথ্য জানান দৈনিক যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার রেজাউল করিম প্লাবন। তার গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামের চিলমারীতে।

জিডিতে তিনি বলেন, ‘কুড়িগ্রামের চিলমারী থেকে মাসুম বিল্লাহ নামে একজন সন্ত্রাসী দীর্ঘদিন থেকে আমার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। সর্বশেষ গত ১১ আগস্ট চিলমারী আমার নিজ এলাকায় ত্রাণ বিতরণকালে আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সংগঠনের নেতা পরিচয় দিয়ে ১০০টি ত্রাণের স্লিপ দাবি করে। চাঁদার স্লিপ না দেয়ায় সে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে চলে যায়। এরই জের ধরে গত কয়েকদিন ধরে মাসুম বিল্লাহ ও তার সহযোগী মামুন আমার পরিবারের লোকজনদের হয়রানি করছে। বাসায় গিয়ে বিনা কারণে শাসিয়ে আসছে। এ নিয়ে মাসুম বিল্লাহ আমাকে ফোন দিয়ে বৃহস্পতিবার অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও হত্যার হুমকি দেয়। আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

রেজাউল করিম প্লাবন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতেই আমি হাতিরঝিল থানায় সাধারণ ডায়েরি করি। প্রশাসনের কাছে আমার পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করছি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র