Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

দুর্যোগ মোকাবেলায় ভারত-বাংলাদেশ একসাথে কাজ করতে পারে

দুর্যোগ মোকাবেলায় ভারত-বাংলাদেশ একসাথে কাজ করতে পারে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মার্শাল বিরেন্দর সিং ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ ও ভারতের বিমান বাহিনীর একযোগে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

ভারতের বিমান বাহিনীর প্রধান মার্শাল বিরেন্দর সিং ধানোয়া সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর জাতীয় সংসদ ভবনস্থ কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আশা করি দুই বিমান বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। দুই বাহিনী যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার ক্ষেত্রে একযোগে কাজ করতে পারে।’

সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রী প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে এবং আমি আশা করি এ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে।’

বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশের বিস্ময়কর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ উন্নয়নের সুফল ভোগ করছে।

তৃণমূল পর্যায় থেকে উন্নয়ন করা সরকারের লক্ষ্য। দারিদ্র্য বিমোচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁর সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে দারিদ্র্যের হার ২১ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে।

ভারতের বিমান বাহিনীর প্রধানও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় ভারতীয় বিমান বাহিনী ও বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একযোগে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

তিনি বলেন, ‘যেহেতু এ অঞ্চলটি দুর্যোগ-প্রবণ, তাই যেকোনো দুর্যোগ মোকাবেলায় দুই বিমান বাহিনী একযোগে কাজ করতে পারে।’

বিরেন্দর সিং ধানোয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার তিন মাসের মধ্যেই ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর দেশের ফিরে যাওয়ার কথা স্মরণ করে বলেন, ‘এটি যুদ্ধ শেষে স্বল্পতম সময়ে কোন বাহিনীর দেশে ফিরে যাওয়ার একমাত্র দৃষ্টান্ত।’

তিনি বলেন, 'ভারতীয় বিমান বাহিনী বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সক্ষমতা বিনির্মাণে সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। তিনি প্রশিক্ষণসহ বহু ক্ষেত্রে দুই বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতার জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।'

ভারতের বিমান বাহিনীর প্রধান বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অবকাঠামোর ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, 'এটি বিশ্বমানের।'

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদিন ও ভারপ্রাপ্ত ভারতীয় হাইকমিশনার ড. আদার্শ সোয়াইকা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

পাখির জন্য ভালোবাসার আবাস

পাখির জন্য ভালোবাসার আবাস
পাখির জন্য নিরাপদ আবাস গড়তে গাছে মাটির পাত্র বেঁধে দিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবীরা

‘পাখি-সব করে রব, রাতি পোহাইল’—মদনমোহন তর্কালঙ্কারের ছড়ার ছড়াটি পড়েনি এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া কঠিন। শুধু গ্রামেই নয়, শহরেও পাখির কিচির-মিচির হরহামেশাই শোনা যেত। কিন্তু এখন আর ছড়ার সঙ্গে মিল রেখে পাখির কলরব শোনা যায় না। গাছে গাছে পাখির কলকাকলি যেন হারিয়ে যাচ্ছে।

তাই ‘ইজি ডোর’ নামে একটি সংগঠনের সদস্যরা খুলনা শহরের সাতরাস্তার মোড়ের একটি বাদাম গাছে ৪০টি মাটির পাত্র বেঁধে দিয়েছেন পাখির জন্য নিরাপদ আবাস গড়ে দিতে। তাদের কার্যক্রমের নাম দেওয়া হয়েছে ‘টু-লেট ফর বার্ডস’।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দিনভর সাতরাস্তার মোড়ের গাছটিতে পাখির বাসা সংযোজন করেছে উদ্যমী ওই তরুণরা। এ সপ্তাহে জিলা স্কুল, টাউন জামে মসজিদ রোড এবং ওজোপাডিকো সদর দফতরের ভেতরের গাছে পাখির নিরাপদ আবাসের ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সদস্যরা।

ইজি ডোরের সহ-প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষার্থী আহসান আহম্মেদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, সাতরাস্তা মোড়ের বাদাম গাছটিতে প্রতিদিন বিকেল থেকে শত শত চড়ুই পাখি আশ্রয় নেয়। পাখিরগুলোর ডাকে বিকেল থেকে পুরো এলাকা মুখরিত থাকে। আমরা কয়েকজন বন্ধু এখানে আড্ডা দিতাম। আড্ডা দিতে দিতেই পাখির নিরাপদ আবাসের কথাটা সবার মাথায় আসে। এরপর শহরের কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করি। এরপর টাকা সংগ্রহ করে প্রথম দিনে ৪০টি মাটির পাত্র কিনে বাদাম গাছে লাগিয়েছি। এ কাজে খুলনা ফায়ার সার্ভিস আমাদের সাহায্য করেছে।

পাখির নিরাপদ আবাসের জন্য কাজ করা এসব স্বপ্নবাজ তরুণরা আরও বলেন, এ কাজের উদ্দেশ্য খুলনা শহরের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা। পাখিদের অভয়ারণ্য তৈরি হলে এ শহরের সৌন্দর্য এবং পরিবেশ অনেক ভালো হবে বলে আমরা মনে করি। পাখিরা নিশ্চিন্তে শহরে যেন থাকতে পারে তার একটা পরিবেশ তৈরি করাও আমাদের কাজের লক্ষ্য। শহরের বাসিন্দাদের বাড়ির ছাদে বা যেকোন স্থানে সবাই যেন পাখির জন্য একটু এগিয়ে আসে সেই চেষ্টাও করছি। আমাদের উদ্যোগ একদিনের নয় বরং সহযোগিতা পেলে আমরা এই কাজ চালিয়ে যাব। প্রয়োজনে আরও আধুনিক উপায় বের করে পাখি ও অন্যান্য প্রজাতির জন্য সুন্দর আবাসস্থল তৈরি করব।

ইজি ডোরের এ উদ্য‌োগের সঙ্গে ছিলেন—মাহমুদুল ইসলাম সনেট, আহসান আহম্মেদ, জুবায়ের হাসান সৈকত, শুভ্র মজুমদার, আলামিন শেখ, সাব্বির আহম্মেদ, আলামিন, তানভীর আহম্মেদ সজল প্রমুখ। এরা প্রত্যেকেই ইজি ডোর ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাসোসিয়েশনের স্বেচ্ছাসেবী।

খুলনা শহরের কিছু কিছু এলাকায় প্রচুর পাখি দেখা যায়। পাখির জন্য নিরাপদ আবাস বানিয়ে প্রাণীটির প্রতি নিজেদের ভালোবাসা প্রকাশ করছেন খুলনার এই তরুণরা। এ কাজের জন্য তরুণেরা মানুষের ভালোবাসাও পাচ্ছেন।

সাংবাদিক প্লাবনকে হুমকি, থানায় জিডি

সাংবাদিক প্লাবনকে হুমকি, থানায় জিডি
রেজাউল করিম প্লাবন

সাংবাদিক রেজাউল করিম প্লাবনকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। চাঁদা না পাওয়ায় মোবাইল ফোনে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় উল্লেখ করে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় জিডি করেছেন তিনি।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) এসব তথ্য জানান দৈনিক যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার রেজাউল করিম প্লাবন। তার গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামের চিলমারীতে।

জিডিতে তিনি বলেন, ‘কুড়িগ্রামের চিলমারী থেকে মাসুম বিল্লাহ নামে একজন সন্ত্রাসী দীর্ঘদিন থেকে আমার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। সর্বশেষ গত ১১ আগস্ট চিলমারী আমার নিজ এলাকায় ত্রাণ বিতরণকালে আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সংগঠনের নেতা পরিচয় দিয়ে ১০০টি ত্রাণের স্লিপ দাবি করে। চাঁদার স্লিপ না দেয়ায় সে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে চলে যায়। এরই জের ধরে গত কয়েকদিন ধরে মাসুম বিল্লাহ ও তার সহযোগী মামুন আমার পরিবারের লোকজনদের হয়রানি করছে। বাসায় গিয়ে বিনা কারণে শাসিয়ে আসছে। এ নিয়ে মাসুম বিল্লাহ আমাকে ফোন দিয়ে বৃহস্পতিবার অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও হত্যার হুমকি দেয়। আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

রেজাউল করিম প্লাবন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতেই আমি হাতিরঝিল থানায় সাধারণ ডায়েরি করি। প্রশাসনের কাছে আমার পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করছি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র