Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

অনলাইনে পাওয়া যাবে বিল্ডিং প্ল্যান পাস

অনলাইনে পাওয়া যাবে বিল্ডিং প্ল্যান পাস
আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম / ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পহেলা মে থেকে সকল বিল্ডিং প্ল্যান অনলাইন করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

তিনি বলেছেন, `এখন থেকে রাজউকে শত শত লোক অপেক্ষা করার কোনো দরকার নেই। বাসা থেকে অনলাইনে যে কেউ প্ল্যান পাস করিয়ে নিতে পারবে।'

বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী ইন্টারন্যাশনাল ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সার্ভিসেস এক্সপো শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, `প্রকল্প বাস্তবায়নে যে ফ্রন্ট লোডিং নামক একটি ব্যবস্থা ছিল তা এখন থেকে বন্ধ‌। যিনি কাজ করবেন না তাকে তার জায়গা থেকে অব্যাহতি নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। এখানে যারা কাজ করবেন না এবং প্রতিবছর বিল বাড়াবেন তাদেরকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।'

এ সময় তিনি বিল্ডিং পাসের প্রক্রিয়ায় যে ১৬টি ধাপ ছিল তা কমিয়ে চারটি ধাপে নিয়ে আসার সফলতার কথা উল্লেখ করেন।

আলোচনা অনুষ্ঠানে র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ বলেন, `যুক্তরাজ্যে প্রতিবছর ১০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয় আগুনের কারণে। সারা বিশ্বে আগুন এবং বিল্ডিং নিরাপত্তা একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয়।'

তিনি আরও বলেন, `প্রতিবছর এই আয়োজনে শুধুমাত্র আগুন সংক্রান্ত কোম্পানিগুলো আসে। আমরা চাইব শুধুমাত্র আগুন নয়, সিকিউরিটি ইভেন ডিজিটাল সিকিউরিটি নিয়ে কাজ করা কোম্পানিগুলো তাদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করবে।'

বাংলাদেশের ভবন নির্মাণের যে আইন রয়েছে তা দেশীয় প্রেক্ষাপটে তৈরি করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন।

তিনি বলেন, `শুধুমাত্র পরিকল্পনা দিয়ে নয় বিল্ডিংকে নিরাপদ করতে হলে প্রয়োজন প্রশিক্ষণও।'

বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, `ড্যাপের কারণে বিভিন্ন জায়গায় শিল্প কারখানা তৈরি করতে সমস্যা হচ্ছে। আমরা যে চাচ্ছি ২০১৯ সালে উন্নত দেশে পরিণত হতে, এই ড্যাপের কারণে তা বাস্তবায়িত হচ্ছে না।'

এ সময় তিনি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রীকে ড্যাপ নিয়ে আরেকটু উদ্যোগী হয়ে এ বিষয়টি সুরাহা করার আহ্বান জানান।

ইসাবের সভাপতি মোতাহার হোসেন খান বলেন, `ইফসিএর কারণে ইঞ্জিনিয়ার এবং বিল্ডিংয়ের সুরক্ষা নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের এটি মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে আমরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন ধরনের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করেছি।'

তিনি আরও বলেন, `ফায়ার সার্ভিসের সংশ্লিষ্ট কিছুই আমদানি নির্ভর। এই ধরনের নিরাপত্তা পণ্যগুলো আমদানিকালে ট্যাক্স ছাড় দিলে তা ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে এছাড়া যারা দেশের নিরাপত্তা পণ্য তৈরি করে থাকে তাদের প্রণোদনা দেওয়ার অনুরোধ করছি।'

আগামী শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ও শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলাটি চলবে।

আপনার মতামত লিখুন :

অতিরিক্ত ডিআইজি পদে ২০ পুলিশ কর্মকর্তার পদোন্নতিসহ বদলি

অতিরিক্ত ডিআইজি পদে ২০ পুলিশ কর্মকর্তার পদোন্নতিসহ বদলি
বাংলাদেশ পুলিশ, ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ পুলিশের পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ২০ কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রদানপূর্বক পদায়ন করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সোমবার (১৮ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ অধিশাখা-১ এর উপসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে পদোন্নতির এই আদেশ দেওয়া হয়।

অন্য আরেকটি প্রজ্ঞাপনে অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ২০ কর্মকর্তাগনদের জনস্বার্থে বিভিন্নস্থানে বদলি বা পদায়ন করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নৌ-পুলিশের চলতি দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত ডিআইজি হাবিবুর রহমানকে পদোন্নতি দিয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার তানভীর হায়দার চৌধুরীকে পদোন্নতি দিয়ে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার এসএম ফজলুর রহমানকে একই ইউনিটে অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এআইজি কামরুল আহসানকে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশের বিশেষ শাখা এসবি’র বিশেষ পুলিশ সুপার প্রলয় চিসিমকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার, এসবি’র বিশেষ পুলিশ সুপার আইনুল বারীকে এসবির অতিরিক্ত ডিআইজি, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশণার হাবিবুর রহমান খানকে খুলনার পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি, পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদকে রংপুর পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি, নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেনকে রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে শিল্পাঞ্চল পুলিশের পুলিশ সুপার গোলাম রউফ খানকে পিবিআইয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলামকে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার, পুলিশ হেড কোয়ার্টাসের এআইজি শামীম বেগমকে টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার সালমা বেগমকে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ও মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদকে রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি, নৌ-পুলিশের পুলিশ সুপার এ কে এম এহসান উল্লাহকে বরিশাল রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি, ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমানকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম কমিশনার, টিঅ্যান্ডআইএম-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তবারক উল্লাহকে একই শাখায় অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলামকে নৌ-পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার এস এম মোস্তাক আহমেদকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ও চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার জিহাদুল কবিরকে ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

‘ছেলেধরা’ সন্দেহে বৃদ্ধকে থানায় এনে বিপাকে পুলিশ!

‘ছেলেধরা’ সন্দেহে বৃদ্ধকে থানায় এনে বিপাকে পুলিশ!
২৩ দিন ধরে রাজশাহীর বাগমারা থানায় পুলিশ হেফাজতে আছেন বৃদ্ধ, ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহীর বাগমারা থানার বারান্দায় তিন-চার টুকরো কাগজ হাতে নিয়ে জোড়া লাগনোর চেষ্টায় ব্যস্ত ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধ। পরনে নোংরা পোশাক থাকলেও মুখে ক্লিন সেভ। মাথার চুলগুলোও তেল দিয়ে আঁচড়ে পরিপাটি করা। হঠাৎ চিৎকার দিয়ে বলে ওঠেন ‘অই... এ্যানতা আয়! আড্ডাটাড্ডা দ্যাই!’

বৃদ্ধের এমন বাচনভঙ্গিতে তাকে কুমিল্লার বাসিন্দা বললেন থানার এক বয়স্ক কনস্টেবল। তবে নাম-পরিচয় কিছুই জানাতে পারছেন না তিনি। ফলে গত ২৩ দিন থানার বারান্দায় পড়ে আছেন তিনি।

থানার কর্মকর্তারা জানালেন- রাত বাড়লেই হাঁকডাক ছেড়ে মাথায় যন্ত্রণা ধরিয়ে দেন তিনি। অশ্লীল-অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজও করেন। তবে পুলিশ কর্মকর্তারা তাকে ভালো খাবার খাওয়াচ্ছেন। চিকিৎসাও করাচ্ছেন। মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় সেফ হোমেও পাঠানো যাচ্ছে না। পরিচয় না পাওয়ায় তাকে ছাড়াও যাচ্ছে না। বড্ড বিপাকে পড়েছে পুলিশ!

থানা সূত্র জানায়, গত ২৪ জুলাই বাগমারা উপজেলার দ্বীপনগর এলাকায় রাতে ঘোরাঘুরির সময় স্থানীয়রা তাকে ছেলেধরা সন্দেহে মারপিট শুরু করেন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে তাকে থানায় নিয়ে আসে। পরে জানা যায় তিনি আসলে মানসিক প্রতিবন্ধী। নিজের নাম-পরিচয়ও বলতে পারছেন না। আদালতের নির্দেশে তাকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠানো হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পর দিনই তাকে আবার বাগমারা থানায় পাঠানো হয়।

ফলে থানায় রেখে তাকে দেখভাল করতে হচ্ছে পুলিশকে। অসুস্থ হলে পুলিশের গাড়িতে গার্ডসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসা শেষে আবার থানায় আনা হচ্ছে। পুলিশ কর্মকর্তা ও কনস্টেবলরা ভাগাভাগি করে খাবার কিনে খাওয়াচ্ছেন। সেলুনে নিয়ে চুল-দাড়ি কাটিয়ে দিয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। কিছু পুরোনো কাপড়ও দেওয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, ‘প্রতিবন্ধী বৃদ্ধকে নিয়ে বিপাকে আছি ভাই। মানসিক সমস্যা থাকায় তিনি মাঝে-মধ্যেই চিৎকার শুরু করেন। অশ্লীল-অশ্রাব্য ভাষায় গালি দেন। কিন্তু কিছু করার তো নেই। আদালতের নির্দেশে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় তাকে সেফহোমে নিচ্ছে না। আবার সুস্থ না হওয়া এবং পরিচয় না পাওয়া পর্যন্ত থানা হেফাজতে রাখার জন্য আদালতের নির্দেশনা রয়েছে। অজ্ঞাত ওই বৃদ্ধকে নিয়ে চরম বিপদে আছে থানা পুলিশ। রীতিমতো পুলিশের ওপর জুলুম করছেন ওই বৃদ্ধ।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র