Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

বস্তিতে অগ্নিকাণ্ড: ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে চসিক

বস্তিতে অগ্নিকাণ্ড: ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে চসিক
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন ও পানিসম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম / ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
চট্টগ্রাম
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের চাক্তাইয়ে ভেড়ামারা মার্কেট বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের তিনদিনের খাবার সরবরাহের দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের থাকার বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।

রোববার (১৭ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় তিনি ঘটনাস্থলে পরিদর্শন যান। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন মেয়র নাছিনর।

পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের খাবারের দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের পুর্নবাসনের পূর্বে থাকার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।’

গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পরে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান মেয়র।

এর আগে ঘটনা পরিদর্শনে এসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের ২০ হাজার টাকা অর্থের সহায়তার কথা জানান জেলা প্রশাসক মো.ইলিয়াছ হোসেন।

জানা যায়, শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে চাক্তাইয়ের ভেড়ামারা বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে দুই পরিবারের সাতজনসহ আট জন মারা যায়। ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিটের দশটি গাড়ি ৪৫মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আপনার মতামত লিখুন :

সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মরদেহ উদ্ধার

সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মরদেহ উদ্ধার
সুন্দরবন থেকে বাঘের মরদেহ উদ্ধার, ছবি: সংগৃহীত

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের চাপড়াখালী থেকে একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মরদেহ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। উদ্ধার হওয়া মরদেহ বাঘিনীর এবং এটি প্রায় সাত ফুট লম্বা বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।

বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুরে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ কার্যালয়ে বাঘের মরদেহটি আনা হয়। মরদেহের ময়না তদন্তের জন্য কাজ শুরু করেছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

বনবিভাগ জানায়, গত মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) দুপুরে সুন্দরবন থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মরদেহ উদ্ধার

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেনন, 'পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের চাপড়াখালী এলাকায় টহলের সময় বনরক্ষীরা বাঘের মরদেহটি দেখতে পায়। পরে মরদেহটি উদ্ধার করে শরণখোলা রেঞ্জ কার্যালয়ে নিয়ে আসে। শরণখোলা ও মোরেলগঞ্জ উপজেলার দু’জন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সমন্বয়ে বাঘটির ময়নাতদন্তের কাজ শুরু করেছি। এছাড়া বাঘটির কিছু অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সংগ্রহ করে বন বিভাগের ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পরীক্ষা শেষ হলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।'

তিনি আরও বলেন, 'মৃত বাঘটির চামড়া আমরা সংরক্ষণ করব। দেহটি শরণখোলা রেঞ্জ কার্যালয়ের ভেতরে মাটিচাপা দেওয়া হবে।'

ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়ের সমাধান কোথায়?

ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়ের সমাধান কোথায়?
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম ফাইল ছবি

আরামদায়ক ও নিরাপদ ভ্রমণের জন্য রেলযাত্রাই মানুষের প্রথম পছন্দ। ঈদসহ যেকোন উৎসবে আপনজনের কাছে ফিরতে ট্রেনের একটি টিকিটের জন্য তাই মরিয়া হয়ে ওঠেন নগরবাসী।

তবে প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদের আগে ও পরে ঘটেছে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়। এবার ঈদে ট্রেনযোগে ঢাকা ছাড়তে এবং ঢাকায় ফিরতে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। উৎসবের সময় রেলের শিডিউল ঠিক রাখতে সমাধানের পথ বের করার দাবি জানিয়েছেন যাত্রীরা।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন ঘুরে দেখা যায়, ঈদের দশ দিন পার হয়ে গেলেও উত্তরাঞ্চলের বেশকিছু ট্রেন দুই থেকে তিন ঘণ্টা দেরিতে ছেড়ে গেছে।

পশ্চিমাঞ্চলগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস, সুন্দরবন এক্সপ্রেস, নীলসাগর এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস ট্রেন এ দিনও কমলাপুর থেকে দেরিতে ছেড়ে গেছে। এ ছাড়া রংপুর এক্সপ্রেস সকালে ঢাকায় আসার কথা থাকলেও, সাত ঘণ্টা বিলম্বে সেটা বিকেল তিনটা নাগাদ ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

ট্রেনের নিয়মিত যাত্রী জামিরুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, আমাদের দেশে এখনও এমন অনেক মানুষ আছেন যারা ট্রেনেই বেশি যাতায়াত করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। কিন্তু সম্প্রতি ট্রেনে যাত্রা করা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এবার ঈদে সকালের ট্রেন পেয়েছি রাতে, আর রাতের ট্রেন পাওয়া গেছে পরের দিন সকালে। এমন যদি চলতে থাকে যোগাযোগের পুরনো এই মাধ্যম থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে মানুষজন। উৎসবকেন্দ্রিক মানুষের চাপ সামলাতে রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়িয়ে যাত্রীদের সঠিক সময়ে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়ার এখনই সময়।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566387363377.jpg
কমলাপুর রেলস্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ আমিনুল হক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ঈদের সময় কিছুটা বিলম্বে যাওয়াকে আমরা ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় বলতে পারি না। আপনারা দেখেছেন অধিক যাত্রী চাপের ফলে প্রতিটা স্টেশনে নির্ধারিত সময়ের বেশি সময় বিরতি দেওয়ার ফলে ট্রেনগুলো ঢাকায় আসতে বেশি সময় লেগেছে, সে জন্যই দেরি করে ঢাকা ছেড়ে যায়। এখানে প্রকৃতপক্ষে আমাদের চেষ্টার কোন কমতি নেই। আমরা চাই যাত্রীদের সঠিক সময়ে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে। ঈদ শেষ হয়ে গেছে এবং যাত্রী চাপ কমে গেছে এখন আস্তে আস্তে ট্রেনের টাইমের ব্যাপারটি ঠিক হয়ে আসবে।

যাত্রীকল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, এবার ঈদে রেল পথে ট্রেনে কাটা পড়ে ১১, ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে ১ , ট্রেন ও যানবাহন সংঘর্ষে ১, ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ১টি। এসব ঘটনায় মোট ১৩ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। এ অবস্থায় যাত্রীদের নিরাপদ ও ভোগান্তিমুক্ত ট্রেনযাত্রা নিশ্চিত করতে হলে রেল কর্তৃপক্ষের বাস্তবমুখী ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে রেলের এক কর্মকর্তা বলেন, শুধু নতুন নতুন ট্রেন দিয়ে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়ের মতো পরিস্থিতি রোধ করা সম্ভব না। এ জন্য ট্রেনের যেসব সিঙ্গেল লাইন আছে সেগুলোকে ডাবল লাইনে রূপান্তরিত করতে হবে। একই সঙ্গে মেয়াদোত্তীর্ণ পুরনো ইঞ্জিন ও কোচ বাদ দিয়ে নতুন কোচ ও ইঞ্জিন সংযোজন করতে হবে। তাহলে রেলের গতি বাড়বে এবং শিডিউল বিপর্যয়ের মতো এ ধরনের ঘটনা থাকবে না।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র