Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

ছিনতাইয়ের চেষ্টাকারীর কোমরে টাইম বোমার রিমোট

ছিনতাইয়ের চেষ্টাকারীর কোমরে টাইম বোমার রিমোট
বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনায় বিমানবন্দরে অভিযান চালায় সামরিক বাহিনীর বিশেষ দল/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

উড়োজাহাজ ছিনতাইয়ের চেষ্টাকারী নিহত যুবকের কোমরে টাইম বোমার রিমোট থেকে বারবার টাইম রিকল হচ্ছে। বিমানের বিভিন্ন স্থানে খোঁজা হচ্ছে বোমা। যেকোনো দুর্ঘটনা এড়াতে রানওয়ে থেকে সরানো হচ্ছে বিজি-১৪৭কে।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরের একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে রাত ৯টায় সামরিক বাহিনী অভিযান শেষ ঘোষণা করলেও নতুন করে আবার সমস্যা দেখা দিয়েছে। ফলে বিমান বন্দরে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ও বিমান বাহিনী আবার অভিযান শুরু করেছে।

তবে রানওয়ে থেকে বিজি-১৪৭কে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে আবার বিমান অবতরণ ও উড্ডয়নের জন্য চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরের ম্যানেজার সারওয়ার ই জাহান।

তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘বিজি-১৪৭কে রানওয়ে থেকে সরিয়ে নিয়ে তল্লাশি করা হবে। বিমান বন্দর সচল করে দেওয়া হবে কিছুক্ষণের মধ্যে।’

চট্টগ্রাম ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মতিউর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘চট্টগ্রাম শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে বিজি-১৪৭ ফ্লাইট ছিনতাইকারী অভিযানে গোলাগুলিতে নিহত হয়েছেন। তার নাম মাহাদীর (২৬)। তার বাড়ি চট্টগ্রামে । সে আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেছেন।’

তিনি বলেন, ‘বিমানের ভেতরে অভিযান চালানোর সময় ঐ ব্যক্তিকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়, কিন্তু সে অস্বীকৃতি জানায়। নিয়মানুসারে তাকে বিমানের ভেতরে কথোপকথনের মাধ্যমে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করে বিমান বাহিনী ও কেবিন ক্রুরা। পরে জরুরি ভিত্তিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করি।’

জিওসি বলেন, ‘বিমানে ক্রুসহ ১৪৮ জন যাত্রী ছিলেন। তারা সবাই নিরাপদে বের হয়ে এসেছেন। অভিযান শেষ হয় রাত ৯টায়। বিমানটির সব যাত্রী ও ক্রু সুস্থ রয়েছেন।’

রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ বিমানের একটি উড়োজাহাজ উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই ছিনতাইয়ের কবলে পড়ে। এক ব্যক্তি পাইলটকে অস্ত্র ঠেকিয়ে উড়োজাহাজটি জিম্মি করেন। অবস্থা বেগতিক দেখে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি জরুরি অবতরণ করে। এর পরপরই রানওয়েতে বিমানটি ঘিরে ফেলে সামরিক বাহিনী, র‌্যাব ও পুলিশ।

পরে সব যাত্রীকে নিরাপদে নামিয়ে আনা হলেও একজন ক্রুকে ঐ ছিনতাইকারী জিম্মি করে রাখে বলে সূত্র জানায়। এরপরে বিমানবন্দরে যায় সোয়াত ও বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল। ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ফায়ার সার্ভিসও।

বিমানের বিজি-১৪৭ নম্বর ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে দুবাই যাওয়ার কথা। কিন্তু উড্ডয়নের পরপরই এ ঘটনা ঘটে।

বিমানবন্দরের একাধিক সূত্র জানায়, যাত্রীদের নামিয়ে আনলেও সাগর নামে একজন ক্রু ও ছিনতাইকারী প্লেনের ভেতরে অবস্থান নেন।

বিমানটিকে রোববার বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে জরুরি অবতরণ করানো হয়। তাৎক্ষণিক সেখানে বিমান উঠা-নামা বন্ধ করা হয় । তবে রাত সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর চালু করে দেওয়া হয় বলে জানান ম্যানেজার সরওয়ার ই জাহান।

আপনার মতামত লিখুন :

এএসপির বাড়িতে পুলিশের লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলি!

এএসপির বাড়িতে পুলিশের লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলি!
খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার, ছবি: সংগৃহীত

খুলনায় পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের ফায়ারিংয়ের লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলি পার্শ্ববর্তী এক এএসপির বাসার সিলিং ফ্যানে আঘাত করেছে।

রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরে খুলনার ফুলবাড়িগেট কেডিএ আবাসিকের ৬৫ নম্বর বাড়ির দ্বিতীয় তলায় এএসপি’র বাসাতে এ ঘটনা ঘটে। খুলনার পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি) থেকে গুলিটি আসে। লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলিটি এএসপির বাসার রান্না ঘরের জানালায় ওপর দিয়ে গ্লাস ভেঙে ডাইনিং রুমের সিলিং ফ্যানে লাগে।

খুলনা জেলা পুলিশের এএসপি আনিসুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বার্তাটোয়েন্টিফোর. কম কে বলেন বলেন, 'খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার থেকে আমার বাসার দূরত্ব এক কিলোমিটার। দুপুরের দিকে বিকট শব্দে একটি গুলি আমার বাসার রান্না ঘরের জানালায় মাথার ঠিক ওপর দিয়ে গ্লাস ভেঙে ডাইনিং রুমের সিলিং ফ্যানে লাগে। তখন ডাইনিংয়ে আমার দুই সন্তান ছিল। গুলির শব্দে বাসার সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে আমি বাসায় ছুটে যাই। এরপর খানজাহান আলী থানা পুলিশ বাসায় এসে গুলিটি জব্দ করে নিয়ে যায়।'

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মহানগরীর খানজাহান আলী থানা সংলগ্ন পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে ফায়ারিং রেঞ্জে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) ফায়ারিং ট্রেনিং ছিল। ওই ট্রেনিং থেকেই রাইফেলের গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ফুলবাড়িগেট কেডিএ আবাসিকের ৬৫ নম্বর বাড়ির দ্বিতীয় তলায় এএসপি’র বাসাতে আঘাত হানে।

মমেক হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত যুবকের মৃত্যু

মমেক হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত যুবকের মৃত্যু
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রাসেল (৩৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় চরনিকি এলাকায়।

রোববার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ৭ টার দিকে তিনি মারা যান। হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. এ.বি.এম. শামসুজ্জামান সেলিম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ওই যুবক ঢাকায় থাকতেন। সেখানেই তিনি ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে যাওয়ার পর তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চারদিন সেখানে চিকিৎসাধীন থাকার পর রোববার বেলা ৩টার দিকে তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে এসে ভর্তি হন। পরে এখানে চিকিৎসাধীন অবস্থান রাত সাড়ে ৭ টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজনের মৃত্যু হল। এর আগে গত ১১ আগস্ট কিশোরগঞ্জের ইটনা ডিগ্রি কলেজের ছাত্র ফরহাদ মারা যান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র