Alexa

ছিনতাই হতে যাওয়া উড়োজাহাজ ফ্লাইটের জন্য নিরাপদ

ছিনতাই হতে যাওয়া উড়োজাহাজ ফ্লাইটের জন্য নিরাপদ

ছিনতাইয়ের শিকার হতে যাওয়া উড়োজাহাজটি, ছবি: বার্তা২৪

চট্টগ্রামে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ ছিনতাইয়ের ঘটনার অবসান ঘটেছে। ছিনতাইকারী নিহত হওয়ার মধ্য দিয়ে রুদ্ধশ্বাস এই অভিযানের সমাপ্তি হয়েছে।

তবে অভিযান শেষ হলেও ছিনতাইয়ের শিকার বিমানের বোয়িং-৭৩৭ ৮০০ উড়োজাহাজটি কতক্ষণে উড্ডয়নের জন্য পুনরায় ছাড়পত্র পাবে সেটা নিয়ে কিছুটা শঙ্কা ছিল।

এ বিষয়ে বিমানের এক কর্মকর্তা নাম না প্রকাশের শর্তে বার্তা২৪.কম-কে জানান, এ ধরনের স্পর্শকাতর একটি অভিযানের পর সব ধরনের নিরাপত্তা তল্লাশি শেষ করতে দীর্ঘ সময় লাগবে। উড্ডয়নের ছাড়পত্র মিলতেও সময়ক্ষেপণ হবে, এমনটাই ভেবে ছিলেন তারা। তবে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে তা সম্পন্ন করে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী।

এ অভিযানের বিষয়ে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল এস এম মতিউর রহমান অভিযান শেষে এক ব্রিফিংয়ে বলেন, 'অভিযানে উড়োজাহাজটিতে কোনো ক্ষতি হয়নি। ছিনতাইকারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমরা চেয়েছিলাম দ্রুততম সময়ে অভিযান শেষ করতে। আর তাই ছিনতাইকারীর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ ছিল না। ৮ মিনিটের অভিযান শেষে উড়োজাহাজটিতে নিরাপত্তা তল্লাশি পরিচালনা করা হয়। এরপর উড়োজাহাজটিকে চলাচলের জন্য নিরাপদ ঘোষণা করা হয়।'

রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিমানের ফ্লাইটটি ১৩৪ জন যাত্রী ও ১৪ জন ক্রুসহ ঢাকা ছাড়ে। এর কিছুক্ষণ পর নিজেকে মাহাদি বলে পরিচয় দেওয়া ২৫ বছরের যুবক উড়োজাহাজটি ছিনতাই করে। যদিও যাত্রীরা সবাই নিরাপদে ফেরত আসলেও পরবর্তীতে কমান্ডো অভিযানে ছিনতাইকারী নিহত হয়।

অভিযানের আগে যাত্রীরা ইমারজেন্সি এক্সিট থেকে দ্রুত বের হয়ে আসে। এজন্য উড়োজাহাজের র‌্যাফট খুলতে হয়। বিমানের প্রকৌশল শাখার এক কর্মকর্তা বলেন, র‌্যাফট খোলা থাকলেও অল্প যাত্রী উড়োজাহাজটি উড্ডয়ন করতে পারে। এটি বড় কোনো সমস্যা নয়।

আপনার মতামত লিখুন :