Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

জীবনের সত্যিকার ব্যবহার করতে হবে: আবু সায়ীদ

জীবনের সত্যিকার ব্যবহার করতে হবে: আবু সায়ীদ
সমাবেশে বক্তব্য দেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ / ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
চট্টগ্রাম
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

‘আমি নীল আকাশকে ভালোবাসি, এই বাংলাকে ভালোবাসি, বাংলার আলো বাতাসকে ভালোবাসি, আমি পুরোপুরি বাঙালি’ কথাগুলো বলেছেন বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।

বৃহস্পতিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনি ইস্ট ডেল্টা ইউনির্ভাসিটির প্রাক সমাবর্তন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির উপচার্য প্রফেসর সেকান্দর খানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান।

সমাবেশে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, ‘একজন মানুষের জীবন খুব সংক্ষিপ্ত। এই জীবনের মধ্যে কেউ সফল, কেউ গুণি, আর কেউ অধম। জীবনের দায়িত্ব অনেক, মনে ভিতরের সত্তাকে আগুন দিয়ে জ্বালাতে হবে। তখন জীবন সত্যিকার অর্থে ব্যবহার হবে।’

বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেছেন, ‘মানুষের জীবনে অসম্ভব বলে কিছু নেই। অসম্ভব শব্দটি শুধু ডিকশনারিতে আছে। আমাদের বড় কিছু চাইতে হবে, অন্তহীন কিছুকে চাইতে হবে। আমরা চাওয়ার জায়গায় ভিক্ষুক, কৃপণ।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/28/1551349393746.jpg

বর্তমান সমাজে নেতা অর্থ হলো ম্যানেজার মন্তব্য করে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, ‘বর্তমান সমাজে নেতারা অন্য নেতার কথা শুনে চলে। এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে। কিন্তু নিজের কোনো শক্তি প্রদর্শন করতে পারে না, সৃজনশীল কিছু নেতাদের মাঝে নেই। অন্যজনে যা বলে লিডাররা তা শুনে ম্যানেজারের কাজ টা করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘লিডার ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম, লিডার ছিলেন সরওয়ারর্দী লিডার ছিলেন সুভাষ চন্দ্র।’

শিক্ষার্থীদের মুক্ত চিন্তার অধিকারী হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘একটি পাখি যেমন মুক্ত আকাশে উড়ে। তেমনি তোমরা মুক্ত আকাশে উড়ার চিন্তা করবে।

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির ইংরেজি ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী মোতাহেরা রহমানের প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক আবু সায়ীদ বলেন, ‘নিজের ভেতরের অনেকগুলো প্রশ্নের উত্তর খোঁজার নাম হলো নিজেকে জানা। আর প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়ার নাম হলো জ্ঞান।’

প্রত্যেক কাজকে প্রেম ও ভালোবাসা দিয়ে করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘জীবনে প্রেমটা হচ্ছে বড় বিষয়। প্রত্যেক কাজ প্রেমময় হতে হবে। কাজের মধ্য দিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

প্রত্যেকে লোভের প্রতিযোগিতা করছে উল্লেখ করে অধ্যাপক বলেন, ‘এম্বিশন আর লোভ একই জিনিস। কারও সাথে প্রতিযোগিতা করা আমাদের বর্বর করে তুলছে। তাই এম্বিশন শব্দটি খুবই খারাপ উত্তেজনাপূর্ণ। আমাদেরকে কাজের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে প্রেম দিয়ে। তখন আরও বড় হওয়া সম্ভব হবে।’

বিলগ্রেডসের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘বিলগ্রেড লেখাপড়ায় ভাল ছিল না। নিজের কাজটা ভালভাবে করেছে বলে এত বড় হয়েছে। নিউটনও নিজের লক্ষ্যে পৌঁছেছে কাজের মাধ্যমে।’

পরশ পাথরের সন্ধানে না ছুটে নিজেকে পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘নিজের ভেতরের সত্তাকে বনের আগুনের মতো জ্বালাতে হবে। তখন আলোকিত মানুষ হওয়া যাবে। আর বইয়ে মানুষের আত্মার আলো ফুটে ওঠে। তাই বেশি করে বই পড়তে হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

বাংলাদেশের আমের স্বাদে মুগ্ধ ব্রিটিশ হাইকমিশনার

বাংলাদেশের আমের স্বাদে মুগ্ধ ব্রিটিশ হাইকমিশনার
বাগান ঘুরে আম দেখছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার, ছবি: বার্তা২৪.কম

একদিনের সফরে মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাজশাহীতে এসেছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেপুটি ব্রিটিশ হাইকমিশনার কানবার হোসেন বর। সকালে পূর্বনির্ধারিত কাজ শেষে বিকেলে বের হয়েছিলেন রাজশাহীর আম বাগান পরিদর্শনে। উদ্দেশ্য বাগানে বসে গাছপাকা আম খাওয়া।

বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজশাহী মহানগরীর জিন্নাহনগরের একটি আম বাগানে ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন গাছের আমের স্বাদ নেন তিনি। রাজশাহী অ্যাগো ফুড প্রডিউসার সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. আনোয়ারুল হকের বাগানের ল্যাংড়া, আম্রপালি ও রাজভোগ আম খেয়ে মুগ্ধতার কথা জানান কানবার হোসেন বর।

বাগান ঘুরে গাছ থেকে নিজে আম পেড়ে সঙ্গে নিয়েও গেছেন বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনারের দায়িত্বে থাকা কানবার।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561484344215.jpg

যাওয়ার সময় বলে গেলেন, ‘অসাধারণ আম! গাছ পাকা এমন স্বাদের আম আমি আগে কখনও খাই নি। বাংলাদেশে যতদিন আছি, আমের মৌসুমে বারবার এখানে আসতে মন চাইবে নিশ্চয়। চেষ্টা থাকবে প্রতিবছর রাজশাহীতে এসে তৃপ্তি সহকারে আম খাওয়ার।’

অ্যাগ্রো ফুড প্রডিউসার সোসাসাইটির চেয়্যারম্যান আনোয়ারুল হক জানান, ব্রিটিশ হাইকমিশনার কানবার হোসেন বর মঙ্গলবার বিকেলে আমার বাগানে আম দেখতে এবং খেতে এসেছিলেন।

তিনি গাছ থেকে ল্যাংড়া, আম্রপালি ও রাজাভোগ আম পেড়ে খেয়েছেন। রাজশাহীর আমের প্রেমে পড়ে গেছেন বলে আবার আসার কথা জানিয়ে গেছেন হাইকমিশনার।

ডিআইজি মিজান সাময়িক বরখাস্ত

ডিআইজি মিজান সাময়িক বরখাস্ত
ডিআইজি মিজানুর রহমান, ছবি: সংগৃহীত

পুলিশের বিতর্কিত ও সমালোচিত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বার্তা২৪.কমকে জারি হওয়া প্রজ্ঞাপনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক অভিযোগ থেকে রেহাই পেতে দুদকের এক কর্মকর্তাকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দেন ডিআইজি মিজান। বিষয়টি জানাজানি হলে সব মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

ঘুষ দাতা ও গ্রহীতার বিচারের দাবিতে সোচ্চার হয় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশসহ (টিআইবি) বিভিন্ন সংস্থা ও সর্বস্তরের মানুষ। ডিআইজি মিজানুর রহমানের ঘুষের অর্থ অনুসন্ধানে নামে পুলিশ।

এজন্য সোমবার (১৭ জুন) তিন সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করে পুলিশ সদর দফতর। কমিটির প্রধান করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. মইনুর রহমান চৌধুরীকে (অ্যাডমিন অ্যান্ড অপারেশন)।

তদন্ত কমিটির বাকি দুই সদস্য হলেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (ফিন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) শাহাবুদ্দীন কোরেশী ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ সুপার মিয়া মাসুদ হোসেন।

ডিআইজি মিজানের ঘুষের অর্থ কোথায় আছে এবং এ ঘুষের উৎস কী তা জানতে অনুসন্ধান শুরু করে কমিটি। কমিটির দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই ডিআইজি মিজানের ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র