Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

জীবনের সত্যিকার ব্যবহার করতে হবে: আবু সায়ীদ

জীবনের সত্যিকার ব্যবহার করতে হবে: আবু সায়ীদ
সমাবেশে বক্তব্য দেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ / ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
চট্টগ্রাম
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

‘আমি নীল আকাশকে ভালোবাসি, এই বাংলাকে ভালোবাসি, বাংলার আলো বাতাসকে ভালোবাসি, আমি পুরোপুরি বাঙালি’ কথাগুলো বলেছেন বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।

বৃহস্পতিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনি ইস্ট ডেল্টা ইউনির্ভাসিটির প্রাক সমাবর্তন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির উপচার্য প্রফেসর সেকান্দর খানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান।

সমাবেশে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, ‘একজন মানুষের জীবন খুব সংক্ষিপ্ত। এই জীবনের মধ্যে কেউ সফল, কেউ গুণি, আর কেউ অধম। জীবনের দায়িত্ব অনেক, মনে ভিতরের সত্তাকে আগুন দিয়ে জ্বালাতে হবে। তখন জীবন সত্যিকার অর্থে ব্যবহার হবে।’

বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেছেন, ‘মানুষের জীবনে অসম্ভব বলে কিছু নেই। অসম্ভব শব্দটি শুধু ডিকশনারিতে আছে। আমাদের বড় কিছু চাইতে হবে, অন্তহীন কিছুকে চাইতে হবে। আমরা চাওয়ার জায়গায় ভিক্ষুক, কৃপণ।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/28/1551349393746.jpg

বর্তমান সমাজে নেতা অর্থ হলো ম্যানেজার মন্তব্য করে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, ‘বর্তমান সমাজে নেতারা অন্য নেতার কথা শুনে চলে। এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে। কিন্তু নিজের কোনো শক্তি প্রদর্শন করতে পারে না, সৃজনশীল কিছু নেতাদের মাঝে নেই। অন্যজনে যা বলে লিডাররা তা শুনে ম্যানেজারের কাজ টা করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘লিডার ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম, লিডার ছিলেন সরওয়ারর্দী লিডার ছিলেন সুভাষ চন্দ্র।’

শিক্ষার্থীদের মুক্ত চিন্তার অধিকারী হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘একটি পাখি যেমন মুক্ত আকাশে উড়ে। তেমনি তোমরা মুক্ত আকাশে উড়ার চিন্তা করবে।

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির ইংরেজি ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী মোতাহেরা রহমানের প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক আবু সায়ীদ বলেন, ‘নিজের ভেতরের অনেকগুলো প্রশ্নের উত্তর খোঁজার নাম হলো নিজেকে জানা। আর প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়ার নাম হলো জ্ঞান।’

প্রত্যেক কাজকে প্রেম ও ভালোবাসা দিয়ে করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘জীবনে প্রেমটা হচ্ছে বড় বিষয়। প্রত্যেক কাজ প্রেমময় হতে হবে। কাজের মধ্য দিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

প্রত্যেকে লোভের প্রতিযোগিতা করছে উল্লেখ করে অধ্যাপক বলেন, ‘এম্বিশন আর লোভ একই জিনিস। কারও সাথে প্রতিযোগিতা করা আমাদের বর্বর করে তুলছে। তাই এম্বিশন শব্দটি খুবই খারাপ উত্তেজনাপূর্ণ। আমাদেরকে কাজের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে প্রেম দিয়ে। তখন আরও বড় হওয়া সম্ভব হবে।’

বিলগ্রেডসের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘বিলগ্রেড লেখাপড়ায় ভাল ছিল না। নিজের কাজটা ভালভাবে করেছে বলে এত বড় হয়েছে। নিউটনও নিজের লক্ষ্যে পৌঁছেছে কাজের মাধ্যমে।’

পরশ পাথরের সন্ধানে না ছুটে নিজেকে পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘নিজের ভেতরের সত্তাকে বনের আগুনের মতো জ্বালাতে হবে। তখন আলোকিত মানুষ হওয়া যাবে। আর বইয়ে মানুষের আত্মার আলো ফুটে ওঠে। তাই বেশি করে বই পড়তে হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

জমির তিন পাশে বেড়া দেওয়ায় অবরুদ্ধ একটি পরিবার

জমির তিন পাশে বেড়া দেওয়ায় অবরুদ্ধ একটি পরিবার
জমির তিন পাশে বেড়া দেওয়া অবরুদ্ধ পরিবার

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কুচিয়াবাড়ী গ্রামে জামির তিন পাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে একটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি থানার ওসিকে জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি। শনিবার (১৭ আগস্ট) এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী লোহাগড়া উপজেলার কুচিয়াবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা তরিকুল ইসলাম জানান, প্রায় ২৫ বছর ধরে নিজের বসতভিটায় বসবাস করছেন তিনি। তার বসতভিটায় প্রায় ৩০ শতক জমি রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৫ শতক নিজের কেনা জমি এবং পাঁচ শতক মায়ের পাওয়া জমি। ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানার কামারগ্রামে পৈত্রিক ভিটায় বসবাস করার জন্য তিনি লোহাগড়ার জমি তিন ভাইয়ের কাছে বিক্রি করেছেন। ভূমি অফিসে জমির কাগজপত্র যাচাই-বাচাই শেষে গত ৩১ জুলাই ওই জমি লোহাগড়ায় রেজিস্ট্রি হয়। এছাড়া গত ৮ আগস্ট বিলের প্রায় ২১ শতক জমি তরিকুলের প্রতিবেশী শিমুল মোল্যার কাছে বিক্রি করেন। কিন্তু জমি বেচাকেনার বিষয়টি তরিকুলের মামা পাশের ঝিকড়া গ্রামের হাফিজার রহমান জানতে পেরে ক্ষুব্ধ হন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566090538315.jpg

এ ঘটনায় হাফিজার শনিবার (১৭ আগস্ট) সকালে হঠাৎ তরিকুলের ঘরের তিন পাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে আটকে দেন। এতে জমির ক্রেতাদের জমিতে আসতে দিবেন না বলেও হুমকি দিয়েছেন তিনি।

তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘মায়ের সঙ্গে প্রায় ২৫ বছর ধরে কুচিয়াবাড়ির জমিতে বসবাস করছি। আর বাবা আছেন ফরিদপুরের বাড়িতে। তিনি মাঝে-মধ্যে আমাদের খোঁজখবর নেন। এখন নিজের বাড়ি ফরিদপুরের কামারগ্রামে বসবাস করার উদ্দেশ্যে এখানকার (কুচিয়াবাড়ী) জমি বিক্রি করেছি। অথচ আমার মামা ঝিকড়া গ্রামের হাফিজুর রহমান আমাদের পরিবারকে বাড়ি থেকে বের হতে দিচ্ছে না। ঘরের তিন পাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে দিয়েছে। এ কারণে ঘরের মালামাল নিয়ে ফরিদপুরে যেতে পারছি না, যেন বন্দিশালার মধ্যে আছি।’

তরিকুলের মা স্বরুপজান বলেন, ‘আমি এবং আমার ছেলে, বেটার বউ ও দুই পুতনি (ছেলের মেয়ে) ঘর থেকে বের হতে পারছি না। বৈধ জমি বিক্রির পরও আমরা হুমকির মধ্যে আছি।’

অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান বলেন, ‘পৈতৃকসূত্রে ওই জমিতে আমার অংশ রয়েছে। তাই আমি বেড়া দিয়েছি।’

এদিকে, বিষয়টি জানার পরও শনিবার বিকেল পর্যন্ত পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে জানিয়েছেন ভূক্তভোগী তরিকুলের পরিবার।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকাররম হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখা হচ্ছে।’

বরিশাল লঞ্চঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

বরিশাল লঞ্চঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়
বরিশাল লঞ্চঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, ছবি:; বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

পবিত্র ঈদুল আজহা পালন শেষে রাজধানী শহর ঢাকার উদ্দেশে বরিশাল ছাড়ছেন কয়েক লাখ মানুষ।

শনিবার (১৭ আগস্ট) বরিশাল নৌবন্দরে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দুপুর থেকেই বরিশালের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা লঞ্চ যাত্রীরা ভিড় করছে নোঙর করা লঞ্চগুলোতে।

বিকেল শেষ না হতেই লঞ্চের ডেক থেকে শুরু করে প্রথম শ্রেণীর কেবিনের বারান্দার কানায় কানায়ও পরিপূর্ণ হয়ে যায়। যার কারণে, বিআইডব্লিউটিএর নির্দেশে নৌ দুর্ঘটনা ও অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই অপরাধ এড়াতে অন্যান্য দিনের চাইতে ২/১ ঘণ্টা আগেই বরিশাল লঞ্চঘাট ছাড়ে কয়েকটি বিলাসবহুল লঞ্চ।

গত শুক্রবারও ছিল যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। ওই দিনেও নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা আগেই বরিশাল নদীবন্দর ছেড়েছিল ঢাকাগামী বিলাশ বহুল কয়েকটি লঞ্চ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566075739275.JPG

বিআইডব্লিউটিএ’র বরিশালের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপ-পরিচালক আজমল হুদা মিঠু সরকার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘কোরবানির ছুটি শেষে স্ব স্ব কর্মস্থলে যোগ দিতে বরিশাল ছাড়ছে কয়েক লাখ মানুষ। কোরবানির দ্বিতীয় দিন থেকে ঢাকার উদ্দেশে লঞ্চযোগে বরিশাল নৌ বন্দর থেকে যাচ্ছে লঞ্চযাত্রীরা। তবে কয়েকদিনের চেয়ে শুক্রবার ও শনিবার যাত্রী চাপ অনেকটা বেশি ছিল।

তিনি আরেও জানান, অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই নিয়ে বরিশাল লঞ্চঘাট থেকে কোনো লঞ্চই ছাড়তে দেওয়া হচ্ছে না। বিশেষ করে লোড লাইন দেখে নির্ধারিত সময়ের আগেই লঞ্চগুলোকে ঘাট ত্যাগ করতে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ঝুঁকি নিয়ে লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করতে নিষেধ করা হচ্ছে। একই সাথে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়ের একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে সরকারি জাহাজগুলোতেও। লঞ্চযাত্রীদের নির্বিঘ্নে যাতায়াতের জন্য গত ৮ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে স্পেশাল লঞ্চ সার্ভিস। থাকছে ২০ আগস্ট পর্যন্ত। এর আওতায় পাঁচটি সরকারি জাহাজসহ ব্যক্তি মালিকানা ২০টি বিলাসবহুল লঞ্চ যাতায়াত করছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র