Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ৩১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

উচ্চতর মানুষেরা আলোকিত হন: অধ্যাপক সায়ীদ

উচ্চতর মানুষেরা আলোকিত হন: অধ্যাপক সায়ীদ
ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
চট্টগ্রাম
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম নগরীর মিউনিসিপ্যাল মডেল হাই স্কুল এন্ড কলেজে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। দিনব্যাপী দুই পর্বের এই অনুষ্ঠানে মহানগরীর ৮৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঁচ হাজার ২১০ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, মানুষ হলো দুই রকম, উচ্চতর মানুষ আর নিম্নতর মানুষ। আমরা উচ্চতর মানুষের আরেক নাম দিয়েছি ‘আলোকিত মানুষ’।

সমবেত শিক্ষার্থীদের কাছে এ সময় তিনি জানতে চান, ‘তোমরা কেমন মানুষ হতে চাও?’ শিক্ষার্থীরা সমস্বরে জবাব দেয়, ‘আলোকিত মানুষ।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/01/1551432615970.jpg

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, আমাদের সন্তানেরা, আমাদের শিক্ষার্থীরা যাতে আলোকিত মানুষ হতে পারে, সেজন্য সহ-শিক্ষা কার্ষক্রমের পাশাপাশি, বেশি বেশি বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। কারণ বই পড়ার মাধ্যমেই মানুষের ভেতর সত্যিকারের মূল্যবোধ জাগ্রত হয়। আর মূল্যবোধই পারে আলোকিত মানুষ গড়ে তুলতে।

সকাল থেকে শুরু হওয়া অনুষ্ঠান মালার প্রথম পর্বে ৪৪টি স্কুলের দুই হাজার ৬০৬ জন শিক্ষার্থীকে এবং দ্বিতীয় পর্বে ৪৪টি স্কুলের দুই হাজার ৬০৪ জনকে পুরস্কার দেওয়া হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/01/1551432589443.jpg

লটারির মাধ্যমে প্রতি ১০ জন সেরা পাঠক পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে একজন করে মোট ছয়জনকে দুই হাজার টাকা মূল্যের বিশেষ পুরস্কার বই প্রদান করা হয়। এছাড়া, লটারির মাধ্যমে প্রতি পর্বে দুই জন করে মোট চারজন অভিভাবককে দুই হাজার টাকা মূল্যের বইয়ের বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক আলী ইমাম, চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপসচিব সুমন বড়ুয়া, চসিকের মিউনিসিপ্যাল মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. সাহেদুল কবির চৌধুরী, গ্রামীণফোনের চট্টগ্রাম অঞ্চলের রিজিওনাল হেড অব অপারেশনস ফিরোজ উদ্দিন, চট্টগ্রাম লেখক-সাহিত্যিক সংগঠনের মহাপরিচালক অরুন শীল, চট্টগ্রাম মহানগরের সংগঠক ও অধ্যাপক আলেক্স আলীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

রংপুরেই এরশাদের দাফন চান সাবেক স্ত্রী বিদিশা

রংপুরেই এরশাদের দাফন চান সাবেক স্ত্রী বিদিশা
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক, ছবি: সংগৃহীত

রংপুরবাসীর মতো সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দাফন রংপুরেই চান তার সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, 'আমিও তাই চাই, লাখ লাখ নেতাকর্মীদের মতো রংপুরের মাটি যেন হয় এরশাদের শেষ ঠিকানা। সহধর্মিণী থাকতে বহুবার পল্লী নিবাসের বারান্দায় ছেলে এরিককে কোলে বসিয়ে উনি আমাকে বলেছিলেন, তুমি আমার ছোট, দেখ আমার মৃত্যু ও যেন আমার ছেলের কাছে থেকে দূরে না রাখে। আমার কবর আমি এই পল্লী নিবাসে চাই। রংপুরের মানুষের ভালোবাসা প্রতিদান আমি দিতে পারিনি আজও। রংপুরের মানুষ আমার কবরে এসে দোয়া করবে এটাই আমার চাওয়া। প্রতিবার এই কথাটি বলতেন তিনি এরিকের দিকে তাকিয়ে, ভিজে চোখে।'

এর আগে রোববার ১৪ জুলাই রোববার হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর আজমির শরিফে থাকা বিদিশা এরশাদ ফেসবুকে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দেন। সেখানে বিদিশা এরশাদ লিখেছেন, 'এ জন্মে আর দেখা হলো না। আমিও আজমির শরিফ আসলাম, আর তুমিও চলে গেলে। এত কষ্ট পাওয়ার থেকে মনে হয় এই ভালো ছিল। আবার দেখা হবে হয়তো অন্য এক দুনিয়াতে, যেখানে থাকবে না কোনো রাজনীতি।'

সাবেক সেনা প্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা আজ সকালে আজমির শরিফ থেকে দেশে ফিরেন। তিনি সকালে এরশাদের মরদেহ দেখতে এবং ছেলে এরিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে প্রেসিডেন্ট পার্কে গিয়ে বাধার মুখে বাসার গেট থেকে ফিরে আসেন বলে অভিযোগ করেছেন।

উল্লেখ্য, রোববার (১৪ জুলাই) সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের মৃত্যুর পর তার মরদেহ দাফন জটিলতা তৈরি হয়। ঢাকার নেতারা চাইছেন এরশাদের দাফন হোক সেনা কবরস্থানে। বিপরীতে রংপুরের নেতাকর্মীরা চাইছেন, রংপুরেই হোক এরশাদের শেষ সমাধি।

ফকিরাপুল থেকে বায়িং হাউজের কর্মকর্তা নিখোঁজ

ফকিরাপুল থেকে বায়িং হাউজের কর্মকর্তা নিখোঁজ
নিখোঁজ আব্দুল ছবুর খান

রাজধানীর ফকিরাপুল থেকে আব্দুল ছবুর খান (৩২) নামে বায়িং হাউজের এক কর্মকর্তা নিখোঁজ হয়েছেন। এ ব্যাপারে সোমবার (১৫ জুলাই) মতিঝিল থানায় আব্দুল ছবুর খানের পরিবারের পক্ষ থেকে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়ছে।

নিখোঁজ ব্যক্তির চাচাতো ভাই ইমদাদুল হক জানান, বায়িং হাউজে চাকরির কারণে বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করতেন ছবুর খান। গত ১৪ জুলাই দুপুরের খাবার শেষে বাসা থেকে ফকিরাপুলের উদ্দেশে বের হন তিনি। ওই দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার স্ত্রীর সঙ্গে সবশেষ কথা হয়। তারপর থেকে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও ছবুর খানের কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।

ছবুর খানের গায়ের রং শ্যামলা, উচ্চতা ৫ ফিট ৩ ইঞ্চি, মাথার চুল ছোট করে ছাঁটা। হারিয়ে যাওয়ার সময় তার পরনে ছিল ফুল হাতার চেক শার্ট, জিন্স প্যান্ট ও সাদাকালো জুতা। তার কপালে হালকা দাগ রয়েছে বলে জানান ইমদাদুল হক।

নিখোঁজ আব্দুল ছবুর খান (৩৬) ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীকুণ্ডের মৃত আব্দুল খালেক খানের পুত্র। তিনি পরিবারের সঙ্গে মিরপুরের পল্লবীর কালশীর ‘বি’ ব্লকে ৪ নম্বর রোডের ৬১/১ নম্বর বাসায় থাকতেন।

জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করে মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়ার জন্য কাজ করছি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র