পূর্বাচল প্রকল্পের অগ্রগতিতে সন্তুষ্ট নন গণপূর্ত মন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প পরিদর্শন করছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম/ ছবি: বার্তা২৪.কম

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প পরিদর্শন করছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম/ ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শনে গিয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ.ম. রেজাউল করিম বলেন, ‘কাজের যে অগ্রগতি দেখলাম, তাতে খুব বেশি সন্তুষ্ট হতে পারলাম না। দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে সকলের কাজের গতি আরও বাড়াতে হবে।’

শনিবার (৯ মার্চ) বিকালে রাজধানীতে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প পরিদর্শন শেষে প্রকল্পের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অগ্রগতি সভায় মন্ত্রী এ অসন্তুষ্টির কথা জানান।

রেজাউল করিম বলেন, ‘পরবর্তীতে পরিদর্শনে এসে যেন কাজের আরও গতি দেখতে পাই, সেভাবে আপনারা কাজ করবেন। প্রকল্প বাস্তবায়নে যেন দেরি না হয় সে কারণেই মাঠে নেমেছি। কোনো অবস্থাতে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো যাবে না।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/09/1552142542244.jpg

এদিকে সভায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান জানান, চলতি বছরের শেষ নাগাদ অর্থাৎ ডিসেম্বরের মধ্যেই পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প বসবাসের উপযোগী হয়ে উঠবে।

রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, ‘প্রকল্প এলাকায় পানি ও বিদ্যুৎ নিয়ে আর তেমন কোনো ঝামেলা নেই। এছাড়া অতিরিক্ত বিদ্যুৎতের খুঁটি বসানো হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ১৫০টি নকশা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।’

‘তবে একটা সমস্যা আছে, বারবার আবেদন জানানোর পরও পুলিশের থানা দেওয়া হচ্ছে না। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে দ্রুত থানা ও পুলিশ লাইন স্থাপন করা হলে সাধারণ মানুষ বসবাস শুরু করতে পারবেন।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/09/1552142560204.jpg

তিনি বলেন, ‘প্রকল্প এলাকায় রাস্তার কাজ শেষ হবে চলতি মাসের মধ্যেই।এ অবস্থায় কোনো ঠিকাদারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেও কাজের মেয়াদ বাড়ানো হবে না। তবে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ৫০ কিলোমিটার রাস্তা ও ১৫টি সেতু নির্মাণের কাজ কিছুটা বাকি আছে, যা চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ শহীদ উল্লা খন্দকার সহ মন্ত্রণালয় ও রাজউক এর ঊধ্র্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।