Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

গত অর্থবছরে বিমানে লোকসান ২০১ কোটি টাকা

গত অর্থবছরে বিমানে লোকসান ২০১ কোটি টাকা
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের গত অর্থবছরে (২০১৭-১৮ সাল) বিমান থেকে আয় হয় ৪ হাজার ৯৩১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। এর বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৫ হাজার ১৩৩ কোটি ১১ লাখ টাকা। এতে লোকসান হয়েছে ২০১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।

রোববার (১০ মার্চ) বিকেলে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজের প্রশ্নের জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী এসব তথ্য জানান। এর আগে স্পিকার দিনের কার্যসূচিভুক্ত প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করেন।

সংসদে বিগত ৩ অর্থবছরে বিমানের আয়-ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বিমান থেকে আয় হয় ৪ হাজার ৫৫১ কোটি ৫২ লাখ টাকা। ব্যয় হয় ৪ হাজার ৫০৪ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। ওই অর্থবছরে ৪৭ কোটি ৭৬ লাখ টাকা লাভ হয়।

একইভাবে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৪ হাজার ৯৬৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকা আয় হয়। এর বিপরীতে ব্যয় হয় ৪ হাজার ৭৩০ কোটি ৩ হাজার টাকা। অর্থাৎ ওই অর্থবছরে লাভ হয়েছে ২৩৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। তার আগের অর্থবছর অর্থাৎ ২০১৪-১৫ সালে আয় হয় ৪ হাজার ৬৯৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা। ব্যয় হয় ৪ হাজার ৪১৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা। লাভ হয়েছে ২৭৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

সংসদে দেওয়া তথ্যানুযায়ী তিন অর্থবছরে লাভ হলেও গত অর্থবছরে লোকসান করেছে বাংলাদেশ বিমান। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে (বিমান) লাভজনক করার লক্ষ্যে নতুন নতুন রুট গন্তব্য চিহ্নিতকরণ এবং বর্তমান লাভজনক রুটে ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। নতুন গন্তব্য হিসেবে গুয়াংজু, মদিনা, কলম্বো, মালে ইত্যাদি রুটে অদূর ভবিষ্যতে বিমানের সার্ভিস চালু করা হবে। এছাড়া এয়ারক্রাফট ক্রু মেইনটেনেন্স ইন্সুরেন্স (এসিএমআই) ভিত্তিতে গৃহীত উড়োজাহাজের উপর নির্ভরশীলতা হ্রাস করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সরকারি দলের সদস্য এম আবদুল লতিফের অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত করার লক্ষ্যে জিটুজি পর্যায়ে কানাডা হতে ৩টি ড্যাশ-৮ কিউ ৪০০ উড়োজাহাজ সংগ্রহ করতে ২০১৮ সালের ১ আগস্ট চুক্তি করা হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী প্রথম উড়োজাহাজ ২০২০ সালের মার্চ মাসে, দ্বিতীয় উড়োজাহাজ একই বছরের মে মাসে এবং তৃতীয় উড়োজাহাজ ওই বছরের জুন মাসে সংগ্রহ করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, উড়োজাহাজ তিনটি চট্টগ্রাম, সিলেট, যশোর, রাজশাহী, সৈয়দপুর, কক্সবাজার ও বরিশালসহ ৭টি অভ্যন্তরীণ গন্তব্যে এবং কলকাতা ও ইয়াংগুন আঞ্চলিক গন্তব্যে চলাচল করবে।

আপনার মতামত লিখুন :

রোবট দিয়ে বোমা পরীক্ষা, বিস্ফোরণে নিষ্ক্রিয়

রোবট দিয়ে বোমা পরীক্ষা, বিস্ফোরণে নিষ্ক্রিয়
ঘটনাস্থলে বোম ডিসপোজাল ইউনিট ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজধানীর খামারবাড়িস্থ বঙ্গবন্ধু চত্বরের পাশেই যে বোমা সাদৃশ্য বস্তু শনাক্ত করা হয়, সেটার অবস্থান ও শক্তি বোঝার জন্য রোবট দিয়ে পরীক্ষা করেছে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল (বোম ডিসপোজাল ইউনিট)।

পরবর্তীতে বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে ওই বোমাগুলো নিষ্ক্রিয় করে বোম ডিসপোজাল ইউনিট। এ সময় বিকট শব্দে চারপাশ কেঁপে ওঠে।

বুধবার (২৪ জুলাই) রাত ৩টার দিকে তেজগাঁও জোনের সহকারী কমিশনার মাহামুদ হাসান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

রোবট দিয়ে বোমা পরীক্ষা, বিস্ফোরণে নিষ্ক্রিয়

তিনি বলেন, 'সেখানে বোমা সদৃশ্য বস্তু রয়েছে, জানার পর জায়গাটি নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে ঘেরাও করে রাখা হয়। ওই বোমাগুলো কতটুকু কার্যকর আর কেমন অবস্থায় আছে তা জানার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য রোবট পাঠানো হয়। সেটা মনিটরে দেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।'

পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, 'বোম ডিসপোজাল ইউনিট একটি বিস্ফোরণের মাধ্যমে ওই বোমগুলো নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হয়। এ সময় বিকট শব্দ হয়। সেখানে মোট পাঁচটি অক্ষত বোম ছিল।'

তিনি আরও বলেন, 'বোমা নিষ্ক্রিয়ের পর তার কিছু অংশবিশেষ বোম ডিসপোজাল ইউনিট সংগ্রহ করে নিয়ে গেছে। পরবর্তীতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানানো হবে এগুলো কি ধরনের বোমা ছিল।'

উল্লেখ্য, এর আগে রাজধানীর খামারবাড়ি এলাকার কাছাকাছি দুই জায়গা থেকে বোমা সদৃশ বস্তুর সন্ধান পায় পুলিশ।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার

রাজধানীতে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার

রাজধানীতে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার
উদ্ধারকৃত বোমা সদৃশ বস্তু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজধানীর খামারবাড়ি এলাকার কাছাকাছি দুই জায়গা থেকে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধারকৃত বোমা নিষ্ক্রিয় করতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বোম ডিসপোজাল ইউনিট।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাতে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তেজগাঁও থানার ওসি শামীম উর রশিদ।

শামীম উর রশিদ বলেন, 'খামার বাড়ির রাস্তায় বঙ্গবন্ধু চত্বরের কাছাকাছি দুই জায়গায় দুটি বোমা সাদৃশ্য বস্তু শনাক্ত করা গেছে। প্রাথমিকভাবে আমার নিশ্চিত হয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। ঘটনাস্থলে বোমা নিষ্ক্রিয় করার জন্য বোম ডিসপোজাল ইউনিট এসেছে।' 

রাজধানীতে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার

তিনি বলেন, 'শনাক্ত করা বোমা সদৃশ্য এ দুটি বস্তু আদৌ বোমা কিনা এ বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে কাজ করছে বোম ডিসপোজাল ইউনিট।'

তবে বোম ডিসপোজাল ইউনিটের একটি সূত্রে জানা গেছে, একটি কার্টুনের ভেতর দুটি বোমা উদ্ধার করা গেছে। তবে সেগুলোর কার্যকারিতা সম্পর্কে এখনো জানা সম্ভব হয়নি। মনে হচ্ছে তরল কোনো কিছুর ভেতরে কালো স্কচ টেপ দিয়ে পেঁচিয়ে রাখা হয়েছে। পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র