Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

অপরাধ ঠেকাতে ৬৪ স্পটে কেএসআরএম'র সিসি ক্যামেরা

অপরাধ ঠেকাতে ৬৪ স্পটে কেএসআরএম'র সিসি ক্যামেরা
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
চট্টগ্রাম
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

অপরাধপ্রবণ ৬৪টি স্পট সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের আওতায় আনার জন্য সিসি ক্যামেরা স্থাপন করছে চট্টগ্রামের স্টিল প্রতিষ্ঠান কবির স্টিল রি-রোলিং মিলস (কেএসআরএম) লিমিটেড। অপরাধের ঝুঁকিতে থাকা এসব এলাকায় অপরাধ রোধ করতে প্রশাসনিক কাজে সহায়তার জন্য ক্যামেরাগুলো স্থাপন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

ইতোমধ্যে শুক্রবার (৮ মার্চ) নগরীর বাগমনিরাম ওয়ার্ডের কোতোয়ালী থানার অংশে এই সিসি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ শুরু হয়। কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মোহসীন এর উদ্বোধন করেন। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মো. মোহসীন বলেন, 'সমাজ উন্নয়নে এ ধরনের কার্যক্রমের উদ্যোগ ও অংশগ্রহণে চট্টগ্রামের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ কেএসআরএম প্রশংসার দাবি রাখে। জনগুরুত্বপূর্ণ এ উদ্যোগের ফলে ভবিষ্যতে এ ওয়ার্ডের যাবতীয় সকল ঘটনায় পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে। তাছাড়া বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার ভিডিও ধারণ ও সংরক্ষিত রেখে অপরাধীদের গ্রেফতারে যথেষ্ট ভূমিকা রাখবে কেএসআরএম’র উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সিসি ক্যামেরাগুলো।'

ইতোমধ্যেই কেএসআরএম’র আর্থিক সহায়তা বাগমনিরাম ওয়ার্ডে ৩২টি স্পটে ক্যামেরা স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করেছে প্রশাসন। সম্পূর্ণ নিজস্ব খরচে হাই রেজুলেশনের নাইট ভিশন মোডের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরাগুলো স্থাপন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া এই ওয়ার্ডে আরও ৩০টি স্পটে এই ক্যামেরা বসানো হবে।

তবে শুধু বাগমনিরাম ওয়ার্ড নয় আগামী দুই মাসের মধ্যে নগরীর বিভিন্ন স্থানে ১৮৫টি স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের আশা প্রকাশ করেছে কেএসআরএম।

এ বিষয়ে কেএসআরএম’ উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) শাহরিয়ার জাহান বলেন, ‘বাগমনিরাম ওয়ার্ড এলাকাবাসীর সুবিধার্থে যে কোনো সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং অপরাধ দমনের জন্য কেএসআরএম গ্রুপ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের পাশে আছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রয়োজনে চট্টগ্রামের পুরো নগর জুড়ে সিসি ক্যামেরা স্থাপনে পুলিশকে সহযোগিতা করবে কেএসআরএম।'

আপনার মতামত লিখুন :

গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি

গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি
গ্রেনেড হামলায় আত্মার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় জড়িতদের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকর এবং মাস্টার মাইন্ডদের বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা।

বুধবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় নগরীর শিববাড়ি রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে এক প্রতিবাদ সভায় এ দাবি জানানো হয়।

ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজমা ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহিত-উর-রহমান শান্ত'র সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আ'লীগের সহ-সভাপতি মো. ইকরামুল হক টিটু।

এতে সংগঠনের সহ-সভাপতি হোসাইন জিল্লু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসাইন জাহাঙ্গীর বাবুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, 'বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতেই দানবীয় এ হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। তবে আল্লাহর অশেষ রহমতে পরিকল্পিত সে হামলায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন শেখ হাসিনা। ইতোমধ্যে এই গ্রেনেড হামলার যে রায় হয়েছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করতে হবে।'

প্রতিবাদ সভা শেষে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী-মেয়র ব্যস্ত বক্তৃতায়, সচিবের আয়েশি ঘুম

মন্ত্রী-মেয়র ব্যস্ত বক্তৃতায়, সচিবের আয়েশি ঘুম
মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক পর্যালোচনা সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের আয়েশি ঘুম/ছবি: শাহরিয়ার তামিম

রাজধানীর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক পর্যালোচনা সভা চলছে। ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন স্থানীয়, সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র সভায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলায় ব্যস্ত। তবে অনুষ্ঠানের এ মঞ্চে দুশ্চিন্তামুক্ত ছিলেন একজন। আর তিনি হলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

অনুষ্ঠানের শুরু থেকে তিনি দফায় দফায় ঘুম দিচ্ছেন। কখনও ঘুমে দুলুনি খাচ্ছেন, কখনও আবার হঠাৎ চমকে উঠছেন। কোনো কোনো সময় মুখ হা করে বিরাট হাই তুলছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566400999878.jpg

বুধবার (২১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত সভায় এমন আয়েশি ভঙ্গিতে ধরা পড়লেন সচিব হেলালুদ্দীন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। মেয়র আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাইসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566401016016.jpg

মন্ত্রীর কারণে বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শুরু হয় আরও দেরিতে। এরপর মন্ত্রীর ডান পাশের চেয়ারে বসেন সচিব হেলালুদ্দীন আর বাম পাশে বসেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

সভার শুরুতে মেয়র কথা বলার পর বক্তব্য শুরু করেন মন্ত্রী। তার বক্তৃতার পুরো সময় সচিব কখনো হাই তুলেছেন, আবার কখনো দুই হাত বুকের ওপর রেখে ভঙ্গিতে ঘুম দিয়েছেন। মাঝে মাঝে দুই চোখ খুললেও আবার চোখ বন্ধ করে ফেলেন। মন্ত্রী যখন বক্তৃতা করছিলেন তখন মাঝে মাঝেই সচিব চেয়ারে হেলান দিয়ে ঘুমাচ্ছিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566401037611.jpg

সম্প্রতি দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে সরকার, সিটি করপোরেশন ও প্রশাসন কর্মকর্তারা বেশ দৌড়ের ওপর রয়েছেন। ডেঙ্গু মৌসুমের শুরুতে পদক্ষেপ না নেওয়ায় সমালোচনাও সইতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহলকে। এর মধ্যে এমন জনগুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষ্ঠানে সরকারের একজন আমলার এভাবে ঘুমানোকে বেমানান বলছেন সভায় উপস্থিত ব্যক্তিরা।

আরও পড়ুন:  রোববার থেকে চিরুনি অভিযান, লার্ভা পেলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের..

ডেঙ্গু আক্রান্তদের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দুঃখ..

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র