Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

টাকার বিনিময়ে ছেলে হত্যার তথ্য গোপন করে বাবা

টাকার বিনিময়ে ছেলে হত্যার তথ্য গোপন করে বাবা
হত্যাকাণ্ডের বিবরণ দিচ্ছেন র‍্যাব-৩ এর অধিনায়ক, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মাত্র দুই লাখ টাকার বিনিময়ে আসামি আল-আমিন (৩৮) ও শামীমের (৩৫) সঙ্গে হাত মিলিয়ে ছেলে হত্যার তথ্য গোপন করে নিহত রুবেলের বাবা নাজিমউদ্দিন।

বুধবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে খিলগাঁও ইদারকান্দি গ্রামের চাঞ্চল্যকর রুবেল হত্যার এই রহস্য সাংবাদিকদের জানান র‍্যাব-৩ এর অধিনায়ক এমরানুল হাসান।

এমরানুল হাসান বলেন, 'ভিকটিম রুবেল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছে বলে প্রাথমিকভাবে রুবেলের বাবা দাবি করেন। ঘটনার দিনই রুবেলের বাবা বাদী হয়ে খিলগাঁও থানায় অপমৃত্যুর মামলা করে। মামলার প্রাথমিক অনুসন্ধানে ভিকটিম রুবেলের মাথায় আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়।'

র‍্যাবের-৩ এর অধিনায়ক বলেন, 'মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়ার পর র‍্যাব রুবেলের বাবাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে। রুবেলের বাবা নাজিমুদ্দিন ভয় পেয়ে সত্য ঘটনা খুলে বলেন। তিনি পরবর্তীতে জানান, তার পুত্র রুবেল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায়নি। তাকে প্রকৃতপক্ষে হত্যা করা হয়েছে।'

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/13/1552482341521.jpg

ভিকটিম রুবেলের বাবা নাজিম উদ্দিনের বরাত দিয়ে র‍্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, 'তাদের দূর সম্পর্কের আত্মীয় শামীম ও আল আমিনের নির্মাণাধীন ঘরে চুরি করতে যায় রুবেল। এ সময় টের পেয়ে শামীম ও আল আমিন রুবেলের মাথায় রড দিয়ে আঘাত করে। তখনই মারা যায় রুবেল। ভিকটিম রুবেল মারা যাবার পর, ভয় পেয়ে রুবেলের বাবা নাজিমউদ্দিনকে ডেকে পাঠান দুই ভাই শামীম ও আল আমিন। পরে ২ লাখ টাকা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাবার নাটক সাজায় তারা। টাকার বিনিময়ে পুত্র হত্যার তথ্য গোপন করতে রাজি হয় রুবেলের বাবা।'

এমরানুল হাসান আরও জানান, ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে, র‍্যাব আল আমিন (৩৮) ও শামীম (৩৫) কে আটক করে। পরবর্তীতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে, তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে।

অন্যদিকে ভিকটিম রুবেল, ওই দুই ভাইয়ের ঘরে ঢোকার বিষয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে রুবেল মাদকসেবী ছিল। নেশার টাকা জোগাড় করার জন্য সে বিভিন্ন সময় চুরি করত। ইতিপূর্বে চুরির ঘটনায় তার গ্রামে বিচার-সালিশ হয়েছে। ঘটনার দিন রাতে রুবেল চুরি করার উদ্দেশ্যেই দুই ভাইয়ের ঘরে ঢোকার চেষ্টা করে। ঘরের দরজা খুলে রুবেলের সাথে ধস্তাধস্তি এক পর্যায়ে লোহার রড দিয়ে রুবেলের মাথায় আঘাত করে শামীম। এতে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়।

আপনার মতামত লিখুন :

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের
আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। একই সঙ্গে এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণেও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানমের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের মামলায় তারই স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দ্রুত গতিতে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে রিমান্ডে নেওয়া হলো। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এসপির বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, মিন্নি জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়া গিয়েছে।

মিন্নি একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর দেননি। তাই এ বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ তদন্তসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অভিযুক্ত মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ মনে করে, বহু গুরুতর অপরাধ, শত খুনের আসামিদের পাশে আইনজীবীরা দাঁড়ান। নারী নির্যাতন না শুধু হত্যাকারীদের পাশেও দাঁড়ান।

তারা বলেন, মানবাধিকার নীতিমালা অনুযায়ী আসামিরাও লিগ্যাল প্রটেকশন পাওয়ার অধিকার আছে। সুতরাং ইচ্ছা বা অনিচ্ছায়, চাপ বা অন্য কারণে যা কিছু হোক বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, আইনানুগ, স্বচ্ছ তদন্ত হবে এবং আসামিরও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি দাবি করে।

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি
আদালত চত্বরে ডাবল খুন মামলার আসামিরা/ ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে দ্বৈত (ডাবল) খুনের মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম গোলাপগঞ্জ উপজেলার মেহেরপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে।

একই মামলার আসামি রানু মিয়াকে তিন বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। তিনি মেহেরপুর গ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে। মামলার অন্য দুই আসামি মনোয়ারা বেগম ও আয়েশা আক্তারকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

সিলেটের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকালে সিলেট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আমিনুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গোলাপগঞ্জের মেহেরপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আসামিরা হামলা চালিয়ে রুবেল আহমেদ ও ফারুক মিয়াকে জখম করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল ও ফারুক মারা যান।

ঘটনার দুই দিন পর নিহতদের বোন নাজিরা বেগম চারজনকে আসামি করে গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র