Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বাতিঘর মাশুল না দিলে আটকে যাবে জাহাজ

বাতিঘর মাশুল না দিলে আটকে যাবে জাহাজ
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক/ ছবি: ফোকাস বাংলা
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের বন্দরে আগত ও প্রত্যাগত এবং এক বন্দর হতে অন্য বন্দরে যাতায়াতের জন্য জাহাজসমূহকে দিক নির্দেশনা প্রদানের সুবিধার্থে বাতিঘরের সেবা সুবিধা প্রদানে আইন সংশোধন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (১৮ মার্চ) মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে বাংলাদেশ বাতিঘর আইন, ২০১৯ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শেখ হাসিনা। পরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘অমাদের একটা পুরনো আইন আছে, দ্য লাইট হাউজ অ্যাক্ট, ১৯২৭। এর মধ্যে অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে, এর প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন আনা হয়েছে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘বাংলাদেশের আগমন ও প্রত্যাগমনের সময় জাহাজের মালিক অথবা এজেন্ট অথবা মাস্টার কর্তৃক বাতিঘর মাশুল পরিশোধ করতে হবে। তবে শর্ত আছে যে, সরকার কর্তৃপক সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপনের দ্বারা বাতিঘরের মাশুল নির্ধারণের ৩০ কার্যদিবেসের মধ্যে পুনরায় বাতিঘর মাশুল আরোপ বাতিল অথবা বা তারতম্য করার ক্ষেত্রে রেয়াত দেওয়া হয়েছে।’

‘সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কমিশনকে মাশুল সংগ্রহের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যে জাহাজ মাশুল দেবে না সে জাহাজকে আটক করা যাবে। যতক্ষণ টাকা না দেবে ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে আটক করে রাখা যাবে। টাকা দিলে ছুটে যাবে।’

নতুন সংযোজন জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘বন্দরে বাতিঘর কর্তৃপক্ষ যুক্ত করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন বন্দর কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে বাতিঘর পরিচালিত হয়ে থাকে।’

বাতিঘরের উপর মাশুল আরোপ করার বিধান আগে থেকেই ছিল জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটি একটু সহজীকরণ করা হয়েছে।’

বিধানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বন্দরে আগত ও প্রত্যাগত এবং এক বন্দর হতে অন্য বন্দরে যাতায়াতের জন্য জাহাজসমূহকে দিক নির্দেশনা প্রদানের সুবিধার্তে বাতিঘরের সেবা সুবিধা প্রদানের জন্য সরকার এ আইনের অধীন প্রত্যেক আগমন ও প্রত্যাগমনকারী জাহাজের জন্য সময়ে সময়ে বাতিঘরের মাসুল নির্ধারণ ও বাতিঘর মাশুল সংগ্রহ করতে পারবে।

 

আপনার মতামত লিখুন :

সিলেটে বেড়েছে পাসের হার, জিপিএ-৫

সিলেটে বেড়েছে পাসের হার, জিপিএ-৫
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল তুলে ধরছেন সিলেট শিক্ষা বোর্ড/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ উভয় ক্ষেত্রেই এবার ভালো ফল করেছে সিলেট শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে পাসে হার ৬৭ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। গত বছর পাসের ছিল ৬২ দশমিক ১১ শতাংশ।

একই সঙ্গে গত বছরের থেকে এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বেড়েছে। সিলেট বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন এক হাজার ৯৪ জন। গত বছর  জিপিএ-৫  পেয়েছিলেন ৮৭৩ জন বলে জানান সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. কবির আহমদ।

এ বছর সিলেট ৭৬ হাজার ২৫১ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন। এর মধ্যে মেয়ে ৪১ হাজার ৬০২ জন এবং ছেলে ৩৪ হাজার ৬৪৯ জন ।

পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীর মধ্যে পাস করেছে ৫১ হাজার ১২৪ জন। এদের মধ্যে ছেলে ২২ হাজার ৪৯০ জন এবং মেয়ে ২৮ হাজার ৬৩৪ জন।

এ বছর বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯৪৪ জন, মানবিক বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯১ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৯ জন।

পাসের হারে এগিয়ে কুমিল্লা বোর্ড, পিছিয়ে চট্টগ্রাম

পাসের হারে এগিয়ে কুমিল্লা বোর্ড, পিছিয়ে চট্টগ্রাম
ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজে ফলাফল দেখছে শিক্ষার্থীরা/ ছবি: সুমন শেখ

২০১৯ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এবারের পরীক্ষায় পাসের হার ৭৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ ও জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪৭ হাজার ২৮৬ জন পরীক্ষার্থী।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, এবার পাসের হারের শতকরা হিসাবে সবচেয়ে এগিয়ে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড। আর সবেচেয়ে পিছিয়ে আছে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী। এর আগে সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলের অনুলিপি তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী সহ সংশ্লিষ্ট বোর্ড প্রধানরা।

ফলাফলের বোর্ডভিত্তিক পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ০৯ শতাংশ, রাজশাহী বোর্ডে ৭৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৭৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ, যশোর বোর্ডে ৭৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৬২ দশমিক ১৯ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে ৭০ দশমিক ৬৫ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৬৭ দশমিক ০৫ শতাংশ ও দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

এছাড়া মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাস করেছে ৮৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ, কারিগরি শিক্ষাবোর্ড থেকে পাস করেছে ৮২ দশমিক ৬২ শতাংশ ও ডিআইবিএস (ঢাকা)-এ পাসের হার ৬০ শতাংশ।

আরও পড়ুন: পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা

আরও পড়ুন: এইচএসসিতে পাসের হার ৭৩.৯৩%

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র