Barta24

রোববার, ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

চলন্ত বাসের নিচে পড়ে সহকারীর মৃত্যু

চলন্ত বাসের নিচে পড়ে সহকারীর মৃত্যু
সড়ক দুর্ঘটনার প্রতীকী ছবি
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামে চলন্ত বাস থেকে পড়ে বাসের সহকারীর (হেল্পার) মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (২৫ মার্চ) সকাল ৯টায় নগরীর চান্দগাঁও থানাধীন পেপসি নামকস্থানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো.সাকিবের (১৮) বাড়ি নোয়াখালীর জেলার হাতিয়া উপজেলায়। তার পিতার নাম বেলাল।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মো. আলাউদ্দীন তালুকদার এর সতত্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বার্তা২৪.কমকে জানান, দুই নম্বর বাসের এক হেল্পার অসাবধানতাবসত বাস থেকে পড়ে যান। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগে ভর্তি করানো হয় তাকে। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ক্যাজুয়ালিটি ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তার মৃত্যু হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কে রোলারচাপায় চালক নিহত

খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কে রোলারচাপায় চালক নিহত
প্রতীকী

খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কে চলন্ত রোলারের নিচে চাপা পড়ে মো. জাহাঙ্গীর আলম (৪৩) নামে রোলারচালক নিজেই মারা গেছেন। নিহত জাহাঙ্গীর চুকনগর এলজিআরডিতে মাস্টার রোলে কর্মরত ছিলেন।

সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জাহাঙ্গীর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মোজাহার এন্টারপ্রাইজের চলমান খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের সংস্কার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি নগরীর নাজিরঘাট এলাকার মৃত ছবেদ আলীর ছেলে।

সোনাডাঙ্গা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) উজ্জ্বল সরকার জানান, সন্ধ্যায় ডুমুরিয়া মিকশিমিল এলাকায় রোলারচালক জাহাঙ্গীর রোলারটি পেছনের দিকে নেওয়ার সময় হঠাৎ করে পড়ে যান। এ সময় চলন্ত রোলার তার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন।

এরপর তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। নিহতের মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

তিস্তার পানিতে ভেসে গেছে বাদাম চাষিদের স্বপ্ন

তিস্তার পানিতে ভেসে গেছে বাদাম চাষিদের স্বপ্ন
ডুবে গেছে তিস্তা চরাঞ্চলের বাদাম ক্ষেত। ছবি: বার্তা২৪.কম

আষাঢ়ের শুরুতেই পানি বাড়তে শুরু করেছে তিস্তা নদীতে। ভাঙতে শুরু করেছে নদীর পাড়ও। এতে রংপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ডুবে গেছে চরাঞ্চলের মানুষের স্বপ্নের বাদাম ক্ষেত। আর কদিন পর ঘরে তোলা হতো এসব ক্ষেতের ফসল।

রংপুরের গঙ্গাচড়া ও কাউনিয়া উপজেলার বেশ কয়েকটি বিস্তীর্ণ অঞ্চল ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কাউনিয়ার ঢুষমাড়া, গদাই, বিশ্বনাথপুর, মধুপুর, ভূতছড়া, শাব্দি, ট্যাপা এবং গঙ্গাচড়ার মহিপুর, বালাপাড়া, মোহালি গ্রামের নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় নদীর ধু-ধু বালুচরে ফলানো বাদাম পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে চাষিরা।

চাষিদের দাবি, ফলন ভালো হলেও পানিতেই ভেসে গেছে তাদের স্বপ্ন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/24/1561390346277.jpg

বিশ্বনাথপুর গ্রামের কৃষক হামিদ মিয়া বার্তা২৪.কমকে বলেন, 'এবার অনেক আশা নিয়ে বাদাম চাষ করেছি। কিন্তু ঘরে তোলার আগেই পানিতে সর্বনাশ হলো। এখন ঋণ পরিশোধ করা কষ্টকর হবে।'

একই এলাকার মর্জিনা বেগম বার্তা২৪.কমকে বলেন, 'বাদাম তোলা হইলো ন্যা, সোগ (সব) পানির তলোত ডুবি গেছে। সংসার চালাইতে কষ্ট হইবে। ছাওয়াগুল্যার (সন্তান) খরচা দিতে দেরি হইবে।'

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. সরোয়ারুল হক বার্তা২৪.কমকে জানান, রংপুরে প্রায় ৬৮০ হাজার হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ হয়েছে। যার বেশির ভাগই নদীর বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল। তবে তিস্তায় হঠাৎ পানি বাড়ায় চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

কৃষক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক পলাশ কান্তি নাগ বার্তা২৪.কমকে জানান, বছরের পর বছর তিস্তা ভরাট হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতে প্লাবিত হচ্ছে দুই পাড়ের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। এতে বাদাম চাষিরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এই সমস্যা সমাধানে তিস্তা নদী খনন ও নদী শাসন করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের মুখ্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাকিম বার্তা২৪.কমকে জানান, কিছু জায়গায় ড্রেজিং করা হয়েছে। তবে পুরো তিস্তায় ড্রেজিং করার কাজ শিগগিরই শুরু হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র