Barta24

রোববার, ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

`মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিত আশেক’

`মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিত আশেক’
রাষ্ট্রবিরোধী গুজব ছড়ানোর দায়ে গ্রেফতারকৃত আশেক আহমেদ / ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে বিভ্রান্তিকর, বিতর্কিত এবং কটাক্ষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করে রাষ্ট্রবিরোধী গুজব ছড়াতেন আশেক আহমেদ (৪০)।

মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) মিডিয়া সেন্টারে রাষ্ট্রবিরোধী গুজব ছড়ানোর দায়ে গ্রেফতারকৃত আশেক সম্পর্কে এ তথ্য জানান র‍্যাব-৩ এর অধিনায়ক এমরানুল হাসান।

তিনি বলেন, ‘আশেক নিজেকে জাতীয়তাবাদী সাইবার দলের সভাপতি দাবি করে। সে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শাহদাত বরণকারী শহীদদের প্রতি অশ্রদ্ধা অবজ্ঞা অসম্মান প্রদর্শন করত।’

র‍্যাবের এই অধিনায়ক বলেন, ‘রাষ্ট্রবিরোধী এসব বিষয় ছাড়াও জাতীয় নেতৃবৃন্দের সম্পর্কে বিকৃত কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও ছবি পোস্ট করে তাদেরও সম্মান ক্ষুণ্ন করে সে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানের পরিচয় এবং সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিদের নাম ভাঙিয়ে, নিয়োগ-বাণিজ্য, টেন্ডার বাণিজ্য, বদলি বাণিজ্য, ভর্তি বাণিজ্য করে বিপুল পরিমাণ টাকা উপার্জন করেছে আশেক।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/25/1553499901553.jpg

এমরানুল হাসান বলেন, ‘ছাত্র জীবন থেকেই আশেক বিএনপির রাজনীতির সাথে সরাসরি জড়িত। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হলের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছে। পরবর্তীতে ২০১০ সালে বাংলাদেশ ত্যাগ করে ইতালিতে প্রবাসী জীবন যাপন করে। ২০১৪ সালে বাংলাদেশে ফিরে এসে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হতে শুরু করে। সর্বশেষ ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয় হলে, আশেক ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য নিজের রাজনৈতিক পরিচয় গোপন করে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত হওয়ার চেষ্টা করে।’

তিনি বলেন, ‘গতকাল (রোববার) রাতে রাজধানীর তেজগাঁও থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকালে তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।’

আপনার মতামত লিখুন :

খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কে রোলারচাপায় চালক নিহত

খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কে রোলারচাপায় চালক নিহত
প্রতীকী

খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কে চলন্ত রোলারের নিচে চাপা পড়ে মো. জাহাঙ্গীর আলম (৪৩) নামে রোলারচালক নিজেই মারা গেছেন। নিহত জাহাঙ্গীর চুকনগর এলজিআরডিতে মাস্টার রোলে কর্মরত ছিলেন।

সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জাহাঙ্গীর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মোজাহার এন্টারপ্রাইজের চলমান খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের সংস্কার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি নগরীর নাজিরঘাট এলাকার মৃত ছবেদ আলীর ছেলে।

সোনাডাঙ্গা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) উজ্জ্বল সরকার জানান, সন্ধ্যায় ডুমুরিয়া মিকশিমিল এলাকায় রোলারচালক জাহাঙ্গীর রোলারটি পেছনের দিকে নেওয়ার সময় হঠাৎ করে পড়ে যান। এ সময় চলন্ত রোলার তার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন।

এরপর তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। নিহতের মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

তিস্তার পানিতে ভেসে গেছে বাদাম চাষিদের স্বপ্ন

তিস্তার পানিতে ভেসে গেছে বাদাম চাষিদের স্বপ্ন
ডুবে গেছে তিস্তা চরাঞ্চলের বাদাম ক্ষেত। ছবি: বার্তা২৪.কম

আষাঢ়ের শুরুতেই পানি বাড়তে শুরু করেছে তিস্তা নদীতে। ভাঙতে শুরু করেছে নদীর পাড়ও। এতে রংপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ডুবে গেছে চরাঞ্চলের মানুষের স্বপ্নের বাদাম ক্ষেত। আর কদিন পর ঘরে তোলা হতো এসব ক্ষেতের ফসল।

রংপুরের গঙ্গাচড়া ও কাউনিয়া উপজেলার বেশ কয়েকটি বিস্তীর্ণ অঞ্চল ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কাউনিয়ার ঢুষমাড়া, গদাই, বিশ্বনাথপুর, মধুপুর, ভূতছড়া, শাব্দি, ট্যাপা এবং গঙ্গাচড়ার মহিপুর, বালাপাড়া, মোহালি গ্রামের নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় নদীর ধু-ধু বালুচরে ফলানো বাদাম পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে চাষিরা।

চাষিদের দাবি, ফলন ভালো হলেও পানিতেই ভেসে গেছে তাদের স্বপ্ন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/24/1561390346277.jpg

বিশ্বনাথপুর গ্রামের কৃষক হামিদ মিয়া বার্তা২৪.কমকে বলেন, 'এবার অনেক আশা নিয়ে বাদাম চাষ করেছি। কিন্তু ঘরে তোলার আগেই পানিতে সর্বনাশ হলো। এখন ঋণ পরিশোধ করা কষ্টকর হবে।'

একই এলাকার মর্জিনা বেগম বার্তা২৪.কমকে বলেন, 'বাদাম তোলা হইলো ন্যা, সোগ (সব) পানির তলোত ডুবি গেছে। সংসার চালাইতে কষ্ট হইবে। ছাওয়াগুল্যার (সন্তান) খরচা দিতে দেরি হইবে।'

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. সরোয়ারুল হক বার্তা২৪.কমকে জানান, রংপুরে প্রায় ৬৮০ হাজার হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ হয়েছে। যার বেশির ভাগই নদীর বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল। তবে তিস্তায় হঠাৎ পানি বাড়ায় চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

কৃষক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক পলাশ কান্তি নাগ বার্তা২৪.কমকে জানান, বছরের পর বছর তিস্তা ভরাট হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতে প্লাবিত হচ্ছে দুই পাড়ের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। এতে বাদাম চাষিরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এই সমস্যা সমাধানে তিস্তা নদী খনন ও নদী শাসন করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের মুখ্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাকিম বার্তা২৪.কমকে জানান, কিছু জায়গায় ড্রেজিং করা হয়েছে। তবে পুরো তিস্তায় ড্রেজিং করার কাজ শিগগিরই শুরু হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র