Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বরিশাল
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় বাইপাস সড়কের পাশ্ববর্তী ডোবা থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৫ মার্চ) উপজেলার বাকাল নামক এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) নকীব আকরাম হোসেন। তিনি বলেন, ‘সড়কের পাশ্ববর্তী ডোবায় কচুরিপনার ভেতরে লাশটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। তাদের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে লোকটি বিকারগ্রস্ত ছিলেন। অনেক সময় তাকে নোংরা পোশাক পরে ঘোরাঘুরি করতে দেখেছেন স্থানীয়রা।’

এদিকে পুলিশের প্রাথমিক সুরতহাল শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছেন বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

আপনার মতামত লিখুন :

সরকার যোগ্য-প্রশিক্ষিতদের বিদেশে পাঠাতে চায়

সরকার যোগ্য-প্রশিক্ষিতদের বিদেশে পাঠাতে চায়
জাতীয় কর্মসংস্থান মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন

সরকার যোগ্য ও প্রশিক্ষিতদের কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে পাঠাতে চায়। আগামী পাঁচ বছর কর্মসংস্থানের জন্য প্রশিক্ষণ দিতে সরকার প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘জাতীয় কর্মসংস্থান মেলা-২০১৯’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণের জন্য ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বেশকিছু চুক্তিতে স্বাক্ষর করা হয়েছে। গত বছর প্রায় ৭ লাখ ব্যক্তিকে বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য পাঠানো হয়।

ড. মোমেন বলেন, কর্মর্সস্থান সৃষ্টি সরকারের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। সরকার আগামী পাঁচ বছরে ১ কোটি ৫০ লাখ এবং প্রতি বছর ৩০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল সৃষ্টি করা হয়েছে। এখানে কমপক্ষে ১ কোটি মানুষের কর্মর্সস্থান সৃষ্টি হবে। সরকার আইসিটি সেক্টরে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে প্রায় সাড়ে তিন লাখ যুবককে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। এক্ষেত্রে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে সরকার অর্থেরও যোগান দিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সরকার।

তিনি বলেন, চাকরিপ্রার্থীদের বেসরকারি সংস্থার উচ্চ পদে চাকরির জন্য যথাযথ লেখাপড়া ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সৌভাগ্যবান যে, বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর বড় অংশ তরুণ ও কর্মক্ষম। জনসংখ্যার ৪৯ শতাংশের বয়স ২৫ বছরের কম এবং ৭৪ শতাংশ কর্মক্ষম। ভবিষ্যতেও এই জনসংখ্যা আমাদের দেশের জন্য সুফল বয়ে আনবে।

ড. মোমেন বলেন, শিক্ষক ও প্রশিক্ষকদের একটি দায়িত্ব হলো তাদের ছাত্ররা যেন মানসস্মত চাকরি পায় সে ব্যবস্থা করা। যারা ভালো চাকরি পায় সেটা কেবল তাদের জন্য নয়, বরং সমগ্র জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তারা দেশের জন্য অবদান রাখে। আমরা যদি যথাযথ প্রশিক্ষণ দিতে পারি, আমাদের দেশের যুবসমাজকে কেবল আমাদের দেশে চাকুরি খুঁজতে হবে না, বরং তারা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবে। বিশেষকরে, আইসিটি সেক্টরে; যেখানে চাকুরি কেবল কোন বিশেষ ভৌগোলিক সীমানায় সীমাবদ্ধ থাকবে না।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ভিনসেন্ট চ্যাং।

নৌপথ ভারত-বাংলাদেশের সম্ভাবনার জায়গা: নৌ প্রতিমন্ত্রী

নৌপথ ভারত-বাংলাদেশের সম্ভাবনার জায়গা: নৌ প্রতিমন্ত্রী
প্রেসক্লাবে ইমক্যাবের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী/ ছবি: বার্তা২৪.কম

বাংলাদেশ ও ভারত শুধু পাশাপাশি দেশ না, দুই দেশের মধ্যে ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জাতিগতভাবে মিল রয়েছে। ভৌগলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের বাণিজ্য আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে জানান নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে ইন্ডিয়ান মিডিয়া করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইমক্যাব) আয়োজিত 'বাংলাদেশ -ভারত নৌ যোগাযোগ সম্ভাবনা ও করণীয়' শীর্ষক এক আলোচনা সভায় নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারত যদি আন্তরিকভাবে কাজ করে, তাহলে দুদেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও ভালো হবে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ করতে হলে নৌ যোগাযোগের কোনো বিকল্প নেই। ইতোমধ্যে সড়ক ও আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকলেও নৌপথে যোগাযোগের সুযোগ কম।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/27/1561630659089.jpg

সভায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত অভ্যন্তরীণ নৌ ও বাণিজ্য প্রটোকলের আওতায় পণ্য পরিবহন ও উপকূলীয় জাহাজ চলাচল চুক্তির আওতায় কলকাতা ও পানগাঁও টার্মিনালের মধ্যে কন্টেইনার সেবা চালুর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। ভারত নানানভাবে নৌ-যোগাযোগ বাড়াতে সাহায্য করছে।’

ইমক্যাব-এর সভাপতি বাসুদেব ধর বলেন, ‘নৌ পরিবহন ব্যবস্থা অনেক বেশি পরিবেশবান্ধব। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়াতে ও স্থলবন্দরগুলোর উপর চাপ কমাতে নৌপথের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে উভয় দেশের নৌ-বাণিজ্য বাড়াতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘অভিন্ন নদীগুলোর পানি বণ্টন ইস্যুর সমাধান হওয়া জরুরি। এর মাধ্যমে উভয় পক্ষই লাভবান হতে পারে। দুই দেশের নৌ-যোগাযোগ বাড়লে নৌ-যানবাহনের পরিমাণ বাড়বে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ইমক্যাব-এর সাধারণ সম্মাদক রফিকুল ইসলাম সবুজ, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্মাদক ফরিদা ইয়াসমিন প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র