১৫ দিনের মধ্যে রাজধানীর বহুতল ভবনগুলোর অবস্থা জানা যাবে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
এফআর টাওয়ার পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলছেনে রাজউক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান/ ছবি: বার্তা২৪.কম

এফআর টাওয়ার পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলছেনে রাজউক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান/ ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর সব বহুতল ভবন যাচাই-বাছাই করে ত্রুটি-বিচ্যুতি চিহ্নিত করতে ১৫ দিন সময় চেয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। এই ১৫ দিনের মধ্যে  ১৯৯৬ ইমারত বিধিমালা অনুযায়ী নির্মিত প্রত্যেকটি ভবন যাচাই করে তথ্যগুলো গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন রাজউক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) রাতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বনানীর এফআর টাওয়ার পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাজউজ চেয়ারম্যান এসব কথা জানান।

আব্দুর রহমান বলেন, ‘এফআর ভবনটি ১৯৯৬ সালের ইমারত বিধিমালা অনুযায়ী করা হয়েছে। ২০০৬-০৭ সালের আগেই শতভাগ নির্মাণ শেষ হয়েছে। ঐ বিধিমালা অনুযায়ী আমাদের তদন্ত কমিটি যাচাই-বাছাই করবে। তদন্তের ভিত্তিতে যার বিরুদ্ধেই সুপারিশ আসুক, সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বনানীর ভবনগুলো পাশপাশি কেন নির্মাণ করা হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তখনকার বিধিমালায় বাণিজ্যিক ভবনে সাইডব্যাক রাখার কোনো নিয়ম ছিল না। ২০০৮ সালের নতুন ইমারত বিধিমালায় ভবনের চারপাশেই সাইডব্যাক রাখার কথা রয়েছে। এই বিধিমালা অনুযায়ী যত বহুতল ভবন নির্মান করা হয়েছে, সেগুলো ১৫ দিনের মধ্যে যাচাই করে কী ধরণের ত্রুটি রয়েছে শনাক্ত করা হবে। সবার আগে ফায়ার সেফটির বিষয়টি কনফার্ম করতে চাই।’

১৮ তলার অনুমোদন নিয়ে ২৩ তলা বানানো হয়েছে, সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এফআর টাওয়ারের ফাইল ঘেটে ১৮ তলার নকশা পাওয়া গেছে, যেটার স্বীকৃতি ছিল। তবে আরেকটি ২৩ তলা ভবনের ড্রইং পেয়েছি, যেটির সত্যতা নেই।’

এফআর টাওয়ারটির বাড়তি অংশ ভেঙে ফেলা হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বুয়েটের সাথে যোগাযোগ করেছি। বুয়েটের বিশেষজ্ঞ টিম কাল (শনিবার) থেকে এখানে কাজ শুরু করবে। তাদের সুপারিশ অনুযায়ী ভেঙে ফেলা হবে কি-না কিংবা ভবনটি ব্যবহারের উপযোগী কি-না জানা যাবে।’

টাকার বিনিময়ে ভবনের অনুমোদন দেওয়া হয়, একটা আগুনের ঘটনার ২৫ জন মারা গেলো। এক্ষেত্রে রাজউকের দায় রয়েছে কি-না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘রাজউকের দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।’

আপনার মতামত লিখুন :