Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

দেশের ৮ সিটি কর্পোরেশন অফিসে দুদকের অভিযান

দেশের ৮ সিটি কর্পোরেশন অফিসে দুদকের অভিযান
ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের ৮ সিটি কর্পোরেশন অফিসে একযোগে আকস্মিক অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম নতুন ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ, নবায়ন, জন্ম নিবন্ধন সনদসহ বিভিন্ন সেবা প্রাপ্তিতে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে এ অভিযান চালায়। 

বুধবার (১০ এপ্রিল)  দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য বার্তা২৪ কে  জানান, গত কয়েক দিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে (১০৬)-এ কতিপয় ব্যক্তি ট্রেড লাইসেন্স সেবা প্রদানে হয়রানির অভিযোগ করলে দুদক এসব অভিযানের সিদ্ধান্ত নেয়।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে একযোগে ঢাকা উত্তর, দক্ষিণ, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, খুলনা, রংপুর সিটি কর্পোরেশনে একযোগে অভিযান চালানো হয়। দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের তত্ত্বাবধানে দুদক প্রধান কার্যালয়, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, খুলনা, রংপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে অভিযানকালে দেখা যায়, রাজস্ব বিভাগের কর অঞ্চল-১ এর অফিস সহায়ক মোহাম্মদ আলী গ্রাহকের নিকট ট্রেড লাইসেন্স এর নির্ধারিত ফি ৪৫০০ টাকার স্থলে ১৫,০০০ টাকা দাবি করলে দুদক টিম তাকে সিটি কর্পোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট সোপর্দ করে।

এই অভিযোগ আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ সময় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এ গিয়ে দেখা যায়, অফিসের মধ্যে বহিরাগত কিছু লোক চেয়ার টেবিল নিয়ে অফিস করছে যারা ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর কার্যক্রমের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়। এ ব্যাপারে রাজস্ব কর্মকর্তার কাছে ব্যাখ্যা তলব করা হলে তিনি উক্ত ঘটনার কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি এবং ব্যাপারটি তার জানা নেই বলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। দুদক টিম তাকে এই ঘটনার ব্যাখ্যা প্রদানপূর্বক একটি রিপোর্ট দাখিল করতে বলেছে।

চট্টগ্রাম ও কুমিল্ল সিটি কর্পোরেশনে অভিযানকালে দেখা যায় ট্রেড লাইসেন্স এর ফি বাবদ গৃহীত অর্থের কোনো রেজিস্টার সংরক্ষণ করা হচ্ছে না। সংশ্লিষ্টরা সংগৃহীত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার কোনো রেকর্ড টিমকে তাৎক্ষণিকভাবে দেখাতে ব্যর্থ হন। তারা এ সংক্রান্ত রেকর্ডপত্র একত্র করে দুদক অফিসে প্রেরণ করবেন মর্মে অঙ্গীকার করেন। এছাড়া চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, খুলনা ও রংপুর সিটি কর্পোরেশন অভিযানকালে বেশকিছু অসংগতি দুদক এনফর্সমেন্ট টিমের কাছে ধরা পড়ে। অভিযানকালে দুদক টিম ট্রেড লাইসেন্স প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে সেবা গ্রহীতাদের সাথে টেলিফোনে যোগাযোগ করলে অনেক ক্ষেত্রেই সরকারি ফি’র অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পান। এসব অভিযোগের ব্যাপারে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রতিবেদনসমূহ কমিশনে উপস্থাপন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

যোগ্যতা নিয়েই রাজনৈতিক দলে অংশ নিতে চান খুলনার নারী নেত্রীরা

যোগ্যতা নিয়েই রাজনৈতিক দলে অংশ নিতে চান খুলনার নারী নেত্রীরা
খুলনায় নারী নেত্রীদের মতবিনিময় সভা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

যোগ্যতা নিয়েই রাজনৈতিক দলের কার্যক্রমে অংশ নিতে চান খুলনার নারী নেত্রীরা। খুলনার নারী নেত্রীরা বলেছেন, স্বামী, সন্তান, সংসার, চাকরি সামলে নারীদের কাজ করতে হয়। তারপরও তারা এগিয়ে চলছে। তাই কোটা নয়, যোগ্যতার ভিত্তিতেই নারীরা এগিয়ে যাবে। রাজনৈতিক দলের কমিটিতে যোগ্যতার ভিত্তিতে ৩৩ শতাংশ নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে নগরীর উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এক মঞ্চে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির তৃনমূলের নারী নেত্রীরা এসব কথা বলেন। ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বিএমএ সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের বক্তব্য দেন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. এস এম শফিকুল আলম মনা, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাড. ফরিদ আহমেদ, নিমাই মন্ডল, জুবায়ের আহমেদ জবা, বিএনপি নেতা বিএম কামরুজ্জামান টুক, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী অধ্যক্ষ দেলোয়ারা বেগম, হোসনে আরা চম্পা, মহিলা দলের জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট তসলিমা খাতুন ছন্দা, নারী নেত্রী শোভা রাণী হালদার প্রমুখ।

এতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নারী সংগঠনের অর্ধ শতাধিক প্রতিনিধি অংশ নেন।

খুলনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসামির মৃত্যু

খুলনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসামির মৃত্যু
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ছবি: সংগৃহীত

খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন শামসু মল্লিক (৭৫) নামের এক আসামি মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুরের দিকে তিনি মারা যান। শামসু মল্লিক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলার আসামি ছিলেন। সে রূপসার কাশেম মল্লিকের ছেলে।

ওই আসামি গত কয়েকদিন ধরেই জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন বলে জানান খুলনার জেলার মো. জান্নাত উল ফরহাদ।

তিনি বলেন, 'জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ১৯ আগস্ট থেকে তিনি জেলা কারাগারের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানেই তিনি মারা যান।'

খুলনা জেলার রূপসা থানায় দায়ের হওয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় তিনি আসামি ছিলেন। রূপসা থানার মামলা নং-১০ (৬) ১৯ জিআর -১৮৮/১৯।

উক্ত ব্যক্তির মরদেহ ময়না তদন্ত শেষে জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা যায়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র