Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বর্ষবরণ উৎসবকে কেন্দ্র করে ব্যাপক নিরাপত্তা

বর্ষবরণ উৎসবকে কেন্দ্র করে ব্যাপক নিরাপত্তা
র‍্যাব মহড়া, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলা বর্ষবরণ উৎসবকে কেন্দ্র করে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সংস্থা নিরাপত্তার চাদর বিছিয়ে দিয়েছে শাহবাগ রমনা কেন্দ্রিক। রয়েছে আকাশ পথেও নজরদারি।

বাঙালি জাতির সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যধারার অন্যতম উৎসব পহেলা বৈশাখ। পহেলা বৈশাখ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রাণের উৎসব। বৈশাখের আয়োজনে নানা অনুষ্ঠানে পুরনো বছরের ব্যর্থতা ও গ্লানি মুছে, কল্যাণ ও সমৃদ্ধির প্রত্যাশায় রাজধানীর মানুষ পুরাতনকে বিদায় জানিয়ে বরণ করছে নতুন বছরকে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/14/1555210073503.gif

এদিকে, সন্ধ্যা ৬টার আগেই সকল আয়োজন শেষ করার নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ধরনের নির্দেশনা দেয়ায় উৎসব উন্মাদনায় কিছুটা হলেও ভাটা পড়ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

তবে বর্ষবরণ ও বর্ষবিদায়ের এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে মাঠে আছে র‍্যাব, পুলিশের হাজার কয়েক সদস্য। সড়কে পালন করবেন ট্রাফিক পুলিশের ৪০০ সদস্য।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/14/1555210094987.gif

সরেজমিনে দেখা যায়, অনুষ্ঠানে আসা দর্শকদের ব্যাগ বহন বা মুখোশ ব্যবহার করতে দেওয়া হচ্ছে না। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সন্দেহভাজনদের করা হচ্ছে তল্লাশি যেন কোনোক্রমেই অশুভ শক্তি তাদের অবস্থান জানান দিতে না পারে।

জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট পুলিশের বিভাগ রমনা বিভাগের ডিসি মারুফ সরদার বার্তা২৪. কমকে বলেন, ‘শাহবাগ ও রমনা কেন্দ্রিক নববর্ষের এই সুবিশাল আয়োজনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের বিভাগের পুলিশসহ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ব্যাপক পুলিশ সদস্য অবস্থান করছেন।’

অন্যদিকে র‍্যাব ৩'র অধিনায়ক এমরানুল হাসান বার্তা২৪.কমকে বলেন, র‍্যাবের টহল টিমসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে র‍্যাব মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিনভর মাঠে থাকছে র‍্যাব।’

আপনার মতামত লিখুন :

মানব পাচারকারী চক্রের মূলহোতার বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন

মানব পাচারকারী চক্রের মূলহোতার বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন
অভিযুক্ত মানব পাচারকারী জামাল হোসেন, ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে লোকজনকে মিথ্যা আশা দিয়ে অবৈধভাবে বিদেশে পাঠানো মানব পাচারকারী চক্রের মূলহোতা জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন জমা দিয়েছে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিট।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) সিআইডির বিশেষ সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শারমিন জাহান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, 'আজ (মঙ্গলবার) চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যা খুব শিগগিরই কক্সবাজার আদালতে দাখিল করা হবে।'

সিআইডির অনুমোদনকৃত চার্জশিটে বলা হয়েছে, জামাল হোসেনের মানবপাচারের মাধ্যমে আয় করা অবৈধ টাকা ইসলামী ব্যাংকের টেকনাফ শাখায় নিজের নামে করা একটি একাউন্টে রাখতেন। তার একাউন্ট থেকে ২০১৪-২০১৫ সাল পর্যন্ত ১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ২০১৩ সালের শেষ দিক মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়েন তিনি। এছাড়া মানব পাচার সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেন শুরু করেন। বাংলাদেশের ১৬টি জেলা থেকে তার একাউন্টে মানব পাচার সম্পৃক্ত টাকা আসত।

আরও বলা হয়েছে, জামাল হোসেন বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার লোকজনদের সমুদ্র পথ দিয়ে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাঠাতেন। বিদেশে লোক পাঠানোর বৈধ কোনো লাইসেন্স নেই তার। লোকজনদের সমুদ্র পথ দিয়ে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর পর তাদের আটকিয়ে রাখা হতো। আটক ব্যক্তিদের আত্মীয় স্বজনদের ফোন করে জামাল হোসেন মুক্তিপণ আদায় করতেন।

জামাল হোসেন টাকা পেলে মালয়েশিয়া থেকে আটকদের ছেড়ে দেয়া হতো। জামাল হোসেন মানব পাচার সংক্রান্ত অপরাধলব্ধ আয়ের ১ কোটি ৮৩ কোটি টাকার প্রমাণও পাওয়া গিয়েছে।

উল্লেখ্য, টেকনাফ থানার শাহপরীরদ্বীপ থেকে ২০১৮ সালের পহেলা নভেম্বর তাকে গ্রেফতার করে সিআইডি।

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি অনুযায়ী বরাদ্দ নেই: খলীকুজ্জমান

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি অনুযায়ী বরাদ্দ নেই: খলীকুজ্জমান
ছবি: বার্তা২৪

অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেছেন, প্রতিবছর দুর্যোগের কবলে পড়ে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি আমরা। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে যে দুর্যোগ সৃষ্টি হয় সেটার জন্য প্রত্যেক বছর আমাদের বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়, কিন্তু ক্ষতির পরিমাণমতো বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয় না।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ে বাজেট ২০১৯-২০ এর পর্যালোচনা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। ক্যাম্পেইন ফর সাসটেইনেবল রুরাল লাইভলিহুড (সিএসআরএল) ও ঢাকা স্কুল ইকোনমিকস (ডিএসসিই) যৌথভাবে এই সেমিনারের আয়োজন করে।

সিএসআরএল -এর সভাপতি কাজী খলীকুজ্জমান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন পরিবেশের একটা অংশ। আর এই জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য আমরা প্রতিবছর অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হই। প্রতিবছর আমাদের বিভিন্ন দুর্ভোগের সামনা-সামনি হতে হয়। এতে যেমন দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি আমাদের নানা রকম ক্ষতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, পরিবেশ, অর্থনীতি ও সমাজের উন্নয়নের জন্য স্থানীয় চাহিদার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বাজেটে বরাদ্দ থাকা প্রয়োজন। সেই সঙ্গে সঠিকভাবে বাজেট বরাদ্দ, ব্যয় ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্থানীয় সরকারের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করলে সেটি বেশি ফলপ্রসূ হয়।

খলীকুজ্জমান জানান, জলবায়ু ও পরিবেশ বাজেট বিষয়ে যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তবে এখনও সময় আছে, আমরা সেটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরব।

বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এস এম মনজুরুল হান্নান খান বলেন, উপকূলীয় এলাকায় বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য সরকার ইতোমধ্যে ১০০ বছরের ডেল্টা প্লান করেছে। সেখানে মডেলিং করে বেড়িবাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

কিন্তু বাজেটে জলবায়ু পরিবর্তন ছাড়া অপরাপর পরিবেশগত বিষয় যথাযথভাবে উল্লেখ করে বরাদ্দ প্রদান করা হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, বাজেটে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বরাদ্দ প্রদানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন এলাকার অভিযোজন অগ্রাধিকার বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। সেই সাথে গৃহীত জলবায়ু প্রকল্পগুলোর তথ্য স্থানীয় জনপ্রশাসন ও স্থানীয় সরকারকে অবহিত করে জলবায়ু সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে স্থানীয় সরকারকে যুক্ত করা প্রয়োজন।

সেমিনার সঞ্চালনা করেন সিএসআরএল -এর সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক মুক্তা। বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার, কোস্ট ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরী, ডিএসসিই -এর ড. এ কে এম নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র