Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

পথশিশুদের নিয়ে বৈশাখ উদযাপন

পথশিশুদের নিয়ে বৈশাখ উদযাপন
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পথশিশুদের বাণিজ্যিক যৌন শোষণ বিরোধী প্রচারণার মাধ্যমে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করেছে কমব্যাটিং কমার্শিয়াল সেক্সুয়াল এক্সপ্লয়টেশন অব চিলড্রেন (সিসেক) প্রকল্প কনসোর্টিয়াম।

রোববার (১৪ এপ্রিল) রাজধানীর মিরপুরস্থ শহীদ বুদ্ধিজীবী মাজার প্রাঙ্গণে শতাধিক পথশিশুর অংশগ্রহণে এ বৈশাখী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ১০নং ওয়ার্ড মিরপুর-১ এর কাউন্সিলর মো. আবু তাহের।

সিসেক প্রকল্পের আওতায় শিশু পরিচালিত সংগঠনের (সিএলও) প্রায় ২০০ জন পথশিশু যারা বাণিজ্যিক যৌন শোষণের শিকার এবং ঝুঁকিতে আছে। তাদেরকে নিয়ে সকালে মঙ্গল শোভাযাত্রা, দুপুরে আলোচনা অনুষ্ঠান ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

সোশ্যাল অ্যান্ড ইকোনোমিক ইনহ্যান্সমেন্ট প্রোগ্রামের (সিপ) নির্বাহী পরিচালক মো. ফজলুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লায়লা জেসমিন বানু।

সিপ জাতীয় পর্যায় শিশু অধিকার সংরক্ষণ ও বাস্তবায়নকারী একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা যা শহরাঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পুনর্বাসনে ১৯৯৫ সাল থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে।

কমব্যাটিং কমার্শিয়াল সেক্সুয়াল এক্সপ্লয়টেশন অব চিলড্রেন (সিসেক) সিপের একটি প্রকল্প যা ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৮, ৯ এবং ১০ নং ওয়ার্ড এলাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর আর্থিক সহায়তায় এবং টেরে ডেস হোমস, নেদারল্যান্ডসের কারিগরি সহযোগিতায় বাস্তবায়ন করছে।

আপনার মতামত লিখুন :

এইচএসসির উত্তরপত্র মূল্যায়নে ভুল, বাদ পড়ছেন ২০০ পরীক্ষক

এইচএসসির উত্তরপত্র মূল্যায়নে ভুল, বাদ পড়ছেন ২০০ পরীক্ষক
রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসির উত্তরপত্র মূল্যায়নে নম্বর যোগ-বিয়োগে ভুল করেছেন ২০০ জন পরীক্ষক। পরীক্ষার্থীদের পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনে উত্তরপত্র দ্বিতীয় দফায় মূল্যায়ন ও যাচাইয়ের সময় এমন তথ্যের প্রমাণ পেয়েছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ।

ফলে ঐ পরীক্ষকদের আগামী বছর থেকে কোনো প্রকার উত্তরপত্র মূল্যালয়নের সুযোগ দেওয়া হবে না। শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সকালে রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক আনারুল হক প্রামাণিক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে এ তথ্য জানিয়েছেন।

অধ্যাপক আনারুল হক বলেন, ‘এইচএসসি পরীক্ষা ফল প্রকাশের পরে শিক্ষার্থীদের চ্যালেঞ্জ করা খাতার ফলাফল পরির্তন হয়েছে, এমন সকল পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে নম্বর গণনায় তারা ভুল করেছেন। আগামীতে তারা সব ধরনের পরীক্ষকের দায়িত্ব থেকে বাদ পড়বেন।’

তিনি বলেন, ‘বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে কাজ করেন প্রায় ৮ হাজার পরীক্ষক। তাদের মধ্যে ২০০ জনের মূল্যায়নে ত্রুটি ও অবহেলার অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। দ্রুত বোর্ডের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আদেশ তাদেরকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।’

পুনঃনিরীক্ষণে প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রকৃত অর্থে পুনঃমূল্যায়নে শুধু পরীক্ষকদের মূল্যায়ন করা নম্বর যোগ-বিয়োগে ঠিক আছে কিনা, তা যাচাই-বাছাই করে থাকি।’

শিক্ষাবোর্ড সূত্র জানায়, রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের অধীনে চলতি ২০১৯ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর কাঙ্ক্ষিত ফল না পেয়ে ৩৪ হাজার ৭১৫টি উত্তরপত্র চ্যালেঞ্জ করে পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে পুনঃনিরীক্ষণ করে বোর্ড কর্তৃপক্ষ।

এতে ফেল থেকে পাস করে ৬৬ জন। নতুন করে জিপিএ-৫ পায় ৪৪ জন। আর ৩৬৬ জন পরীক্ষার্থীর জিপিএ বা গ্রেড পরিবর্তন হয়। এত সংখ্যক শিক্ষার্থীর ফলাফলে পরিবর্তন আসায় পরীক্ষকদের উত্তরপত্র মূল্যায়নে অবহেলার বিষয়টি সামনে আসে। শিক্ষাবিদরাও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু করেন।

জানা যায়, চলতি বছর রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৭৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পেয়েছেন ছয় হাজার ৭২৯ শিক্ষার্থী। পুনঃনিরীক্ষণে পাসের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছয় হাজার ৭৭৩ জন।

'ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে'

'ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে'
"শুধু সরকারি প্রচেষ্টা নয় জনসচেনতাই পারে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে" শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতা

ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পাশাপাশি জনগনকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।        

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাজধানীতে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় নিয়ে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।        

"শুধু সরকারি প্রচেষ্টা নয় জনসচেনতাই পারে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে" শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি এর চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।  

এডিস মশা নিধনে সকলের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, অতীতে ম্যালেরিয়া বা কলেরার প্রাদুর্ভাব যেভাবে কমে এসেছে তেমনি সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ডেঙ্গুর প্রকোপও কমে আসবে বলে আশা করি।

ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন এন্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। পরে মন্ত্রী প্রতিযোগীদের ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র