Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

নুসরাতের ভাইকে 'অন কন্ডিশনে' চাকরি দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নুসরাতের ভাইকে 'অন কন্ডিশনে' চাকরি দিলেন প্রধানমন্ত্রী
নুসরাতের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাত করেন প্রধানমন্ত্রী, ছবি: ফোকাস বাংলা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease
ফেনীর সোনাগাজীতে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমানকে 'অন কন্ডিশনে' চাকরি দিয়েছেন এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক।
 
সোমবার (১৫ এপ্রিল) নুসরাতের পরিবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করতে গেলে নোমানের হাতে ব্যাংকের নিয়োগপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
 
এসময় এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিজাম চৌধুরী ছাড়াও নুসরাতের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
 
জানা গেছে, ব্যাংকটিতে 'ট্রেইনি এসিস্ট্যান্ট অফিসার’ হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে নোমানকে। তবে তার যেহেতু স্নাতক শেষ হয়নি তাই তাকে স্নাতক শেষ করেই পদে যোগদান করতে হবে।
 
ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির মামলার সূত্র ধরে ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
 
১০ এপ্রিল নুসরাত ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে মারা যান।
আপনার মতামত লিখুন :

দুর্নীতিবিরোধী সদিচ্ছা আছে সরকারের: দুদক চেয়ারম্যান

দুর্নীতিবিরোধী সদিচ্ছা আছে সরকারের: দুদক চেয়ারম্যান
সাংবাদিকদের মুখোমুখি দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দুর্নীতি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসকদের সহযোগিতা চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, 'দুর্নীতিবিরোধী রাজনৈতিক সদিচ্ছা রয়েছে সরকারের। যার ফলে সরকারও এসব বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ নিচ্ছে'।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের পঞ্চম দিনে এ মন্তব্য করেন দুদক চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, 'বিগত সাড়ে তিন বছরে সমাজের এমন কোনো স্তর নেই যাদের কাউকে না কাউকে আইনের আমলে আনা হয়নি। কমিশনের এই অভিযান ছিল মূলত সমাজে একটি বার্তা পৌঁছে দেওয়া। যাতে সবাই বুঝতে পরে কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নই।'

তিনি বলেন, 'দুদকের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। যে কারণে কমিশনের সকল প্রকার সংস্কারমূলক কার্যক্রম মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সরকারকে জানিয়েছে। দুর্নীতিবিরোধী রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাকে সততা, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বিকাশের উত্তম সময়। তাই কমিশন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছে। দুর্নীতি, অনিয়ম, অনৈতিকতা নির্মূল করতে হলে শিক্ষার ক্ষেত্রে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন, যাতে নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন একটি জাতি গঠন করা যায়।'

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকদের উপস্থিতি ও পাঠদানের বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের নজর দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, 'শ্রেণিকক্ষে শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন একটি জাতি বিনির্মাণে সফল হওয়া যাবে। কমিশন ক্ষুদ্র পরিসরে নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন একটি প্রজন্ম সৃষ্টির লক্ষ্যে এবং উত্তম চর্চার বিকাশে দেশের প্রায় ২৮ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সততা সংঘ গঠন করেছে।

এসব সততা সংঘের কার্যক্রমে প্রশাসকদের সহায়তা চেয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, 'এগুলো কার্যকর করার জন্য আপনাদের সহযোগিতার প্রয়োজন। গণশুনানির মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য যেসব কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে তা প্রশংসনীয়।'

এ সময় দুর্নীতি প্রতিরোধে তাদের আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানান তিনি।

অ্যাপার্টমেন্ট কেনার ক্ষেত্রে প্রথম পছন্দ উত্তরা

অ্যাপার্টমেন্ট কেনার ক্ষেত্রে প্রথম পছন্দ উত্তরা
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকায় অ্যাপার্টমেন্ট চাহিদার ট্রেন্ড অ্যানালাইসিস করে পরিপূর্ণ একটি ইনফোগ্রাফিক তৈরি করেছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রিয়েল এস্টেট মার্কেটপ্লেস বিপ্রপার্টি.কম। ইনফোগ্রাফিকে দেখানো হয়েছে, গ্রাহকরা বসবাসের জন্য বা বিনিয়োগ করার জন্য কী ধরনের অ্যাপার্টমেন্ট চান এবং কোন এলাকায় তারা সবচেয়ে বেশি বসবাস করতে চান।

২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৯ সালের মার্চ পর্যন্ত ছয় মাসে বিপ্রপার্টি.কমের ওয়েবসাইট ভিজিট করা গ্রহকদের চাহিদার তথ্য বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিপ্রপার্টি কতৃক প্রকাশিত গবেষণায় দেখা যায়, বসবাসের জন্য ঢাকার বেশিরভাগ মানুষ উত্তরা এলাকাকে বেছে নিচ্ছেন, যা মোট তথ্যদাতাদের ২৪ শতাংশ। পছন্দের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মিরপুর, যা মোট তথ্যদাতাদের ২০ শতাংশ। এরপর নগরবাসীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে যথাক্রমে মোহাম্মদপুরে ১৪ শতাংশ, ধানমন্ডিতে ১১ শতাংশ এবং বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ১০ শতাংশ।

গবেষণায় আরও দেখা যায়- অধিকাংশ গ্রহক ১,৫০০ বর্গফুটের আয়তনের ফ্ল্যাট বেশি চান। বিপ্রপার্টির কাছে আসা মোট অনুরোধের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি গ্রাহক (৫৩.৬৬ শতাংশ) ১,৫০০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বা অ্যাপার্টমেন্ট এবং ২৭ শতাংশ গ্রাহক ১০০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট খোঁজেন। এছাড়া ২০০০ বর্গফুট এবং তার চেয়ে বেশি বর্গফুটের ফ্ল্যাট খোঁজেন যথাক্রমে ১৫ শতাংশ এবং ৪ শতাংশ গ্রাহক।

ঢাকার বিভিন্ন জায়গা পৃথকভাবে পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, প্রায় ১,০০০ বর্গফুট অ্যাপার্টমেন্টের জন্য খুব জনপ্রিয় ঢাকার দক্ষিণখান, মিরপুর ও বাড্ডা এলাকা। আবার বেশির ভাগ গ্রাহক রামপুরা, বনশ্রী এবং মোহাম্মদপুর এলাকায় থাকার জন্য মাঝারি আকারের ফ্ল্যাটের (১৫০০ বর্গফুট) জন্য অনুরোধ করেন। তবে প্রায় ২,০০০ বর্গফুট বা তার চেয়ে বড় ফ্ল্যাটের অনুরোধ আসে গুলশান, বনানী ও বসুন্ধরা এলাকা থেকে।

বিপ্রপার্টির গবেষণায় দেখা গেছে- মোট অনুরোধের ৭৪ শতাংশ ছিল তিন বেডরুম, ১৫ শতাংশ দুই বেডরুম এবং ০.৫ শতাংশ এক বেডরুমের। আবার ১০.৫ শতাংশ অনুরোধ ছিল তিনের বেশি সংখ্যক বেডরুমের। তবে ঢাকায় গ্রাহকরা যে ধরনের অ্যাপার্টমেন্ট চান তার মাত্র ৩৪ শতাংশ পূরণ হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র