Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

গফরগাঁওয়ে মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ, ধর্ষক আটক

গফরগাঁওয়ে মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ, ধর্ষক আটক
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ময়মনসিংহ
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রাওনা বালিকা দাখিল মাদরাসার ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগে দবির উদ্দিন (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে থানা পুলিশ।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ধোপাঘাট গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে অভিযুক্ত দবির উদ্দিনকে আটক করা হয়।

ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ জানায়, মাদরাসায় যাতায়াতের পথে মেয়েটিকে প্রায়ই উত্যক্ত করতো একই গ্রামের দবির উদ্দিন। গত সপ্তাহে মাদরাসা যাওয়ার পথে ওই ছাত্রীকে ছুরি দেখিয়ে জিম্মি করে গফরগাঁও-শিবগঞ্জ সড়কের ধোপাঘাট গ্রামের নির্জন এলাকায় বন্ধ থাকা মার্কেটের একটি কক্ষে নিয়ে তাকে খুন করার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করেন দবির উদ্দিন।

সোমবার সকালে দবির উদ্দিন ওই মাদরাসার ছাত্রীকে বুকে ছুরি ধরে ভয় দেখিয়ে বন্ধ মার্কেটের কক্ষে নিয়ে আবারও ধর্ষণের চেষ্টা করলে মাদরাসা ছাত্রীর চিৎকারে পথচারী ও এলাকাবাসী এগিয়ে আসে। এ সময় ধর্ষক দবির উদ্দিন দৌড়ে পালিয়ে যায়।

পরে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে মাদরাসায় নিয়ে যাওয়ার পর ঘটনা জানাজানি হলে সেখানে উপস্থিত অন্যান্য ছাত্রীরা ধর্ষকের বিচার ও শাস্তির দাবিতে ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। একইসঙ্গে এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা শামসুজ্জামান বাদী হয়ে গফরগাঁও থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ বিকেলে ধর্ষককে আটক করে।

সন্ধ্যায় গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে।'

ওই মাদরাসার অধ্যক্ষ মোঃ আখতারুজ্জামানসহ সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ওই ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের
আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। একই সঙ্গে এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণেও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানমের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের মামলায় তারই স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দ্রুত গতিতে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে রিমান্ডে নেওয়া হলো। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এসপির বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, মিন্নি জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়া গিয়েছে।

মিন্নি একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর দেননি। তাই এ বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ তদন্তসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অভিযুক্ত মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ মনে করে, বহু গুরুতর অপরাধ, শত খুনের আসামিদের পাশে আইনজীবীরা দাঁড়ান। নারী নির্যাতন না শুধু হত্যাকারীদের পাশেও দাঁড়ান।

তারা বলেন, মানবাধিকার নীতিমালা অনুযায়ী আসামিরাও লিগ্যাল প্রটেকশন পাওয়ার অধিকার আছে। সুতরাং ইচ্ছা বা অনিচ্ছায়, চাপ বা অন্য কারণে যা কিছু হোক বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, আইনানুগ, স্বচ্ছ তদন্ত হবে এবং আসামিরও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি দাবি করে।

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি
আদালত চত্বরে ডাবল খুন মামলার আসামিরা/ ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে দ্বৈত (ডাবল) খুনের মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম গোলাপগঞ্জ উপজেলার মেহেরপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে।

একই মামলার আসামি রানু মিয়াকে তিন বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। তিনি মেহেরপুর গ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে। মামলার অন্য দুই আসামি মনোয়ারা বেগম ও আয়েশা আক্তারকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

সিলেটের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকালে সিলেট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আমিনুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গোলাপগঞ্জের মেহেরপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আসামিরা হামলা চালিয়ে রুবেল আহমেদ ও ফারুক মিয়াকে জখম করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল ও ফারুক মারা যান।

ঘটনার দুই দিন পর নিহতদের বোন নাজিরা বেগম চারজনকে আসামি করে গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র