Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কর্মক্ষম তরুণরাই দেশের মূল শক্তি: স্পিকার

কর্মক্ষম তরুণরাই দেশের মূল শক্তি: স্পিকার
রংপুরে নৃতাত্ত্বিক তরুণ-তরুণীর প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, ছবি: জাতীয় সংসদ
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

জনবহুল বাংলাদেশের বৃহৎ একটা অংশ তরুণ প্রজন্ম। আর কর্মক্ষম তরুণরাই দেশের মূল শক্তি বলে মন্তব্য করেছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা বৃদ্ধি করে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। দক্ষ জনগোষ্ঠীর মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।’

স্পিকার সোমবার (১৫ এপ্রিল) নিজ নির্বাচনী এলাকা রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) এর দমদমাস্থ টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) রংপুর, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আয়োজিত পীরগঞ্জের নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর তরুণ-তরুণীদের দুই মাসব্যাপী ‘ওয়েল্ডিং এ্যান্ড ফেব্রিকেশন’ প্রশিক্ষণ শীর্ষক কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরে এ নিয়ে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার মানবসম্পদ উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। উত্তরাঞ্চলে দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তুলতে রংপুর টিটিসি সক্ষমতার প্রমাণ রাখছে। তরুণরা প্রশিক্ষণের সুযোগ পেলে নিজেদের কর্মসংস্থান নিজেরাই তৈরি করতে পারবে।’ 

যেকোনো প্রশিক্ষণ দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, ‘বর্তমান সরকার জনগণের জীবনমান উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের গৃহীত কার্যক্রমের সুফল তৃণমূল জনগণের নিকট পৌঁছে যাচ্ছে।’

এ সময় স্পিকার তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরোত্বারোপ করেন।’

পরে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ৪০জন প্রশিক্ষণার্থীকে পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করেন এবং ‘নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর তরুণ-তরুণীদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

রংপুরের জেলা প্রশাসক এনামুল হাবীবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রংপুর টেকনিক্যাল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. লুৎফর রহমান। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো এর পরিচালক ডিএম আতিকুর রহমান ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (পিআরএল) নারায়ণ চন্দ্র বর্মা।

অনুষ্ঠানে পীরগঞ্জের পৌর মেয়র আবু সালেহ মো. তাজিমুল ইসলাম শামীম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মন্ডল, ভাইস চেয়ারম্যান শফিউর রহমান মন্ডল মিলনসহ রংপুর জেলা আওয়ামী লীগ এবং পীরগঞ্জ উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও প্রশিক্ষণার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরে স্পিকার পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম হলরুমে শিলা বৃষ্টিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণ, মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে হুইল চেয়ার ও সহায়ক উপকরণ বিতরণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের
আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। একই সঙ্গে এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণেও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানমের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের মামলায় তারই স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দ্রুত গতিতে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে রিমান্ডে নেওয়া হলো। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এসপির বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, মিন্নি জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়া গিয়েছে।

মিন্নি একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর দেননি। তাই এ বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ তদন্তসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অভিযুক্ত মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ মনে করে, বহু গুরুতর অপরাধ, শত খুনের আসামিদের পাশে আইনজীবীরা দাঁড়ান। নারী নির্যাতন না শুধু হত্যাকারীদের পাশেও দাঁড়ান।

তারা বলেন, মানবাধিকার নীতিমালা অনুযায়ী আসামিরাও লিগ্যাল প্রটেকশন পাওয়ার অধিকার আছে। সুতরাং ইচ্ছা বা অনিচ্ছায়, চাপ বা অন্য কারণে যা কিছু হোক বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, আইনানুগ, স্বচ্ছ তদন্ত হবে এবং আসামিরও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি দাবি করে।

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি
আদালত চত্বরে ডাবল খুন মামলার আসামিরা/ ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে দ্বৈত (ডাবল) খুনের মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম গোলাপগঞ্জ উপজেলার মেহেরপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে।

একই মামলার আসামি রানু মিয়াকে তিন বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। তিনি মেহেরপুর গ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে। মামলার অন্য দুই আসামি মনোয়ারা বেগম ও আয়েশা আক্তারকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

সিলেটের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকালে সিলেট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আমিনুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গোলাপগঞ্জের মেহেরপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আসামিরা হামলা চালিয়ে রুবেল আহমেদ ও ফারুক মিয়াকে জখম করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল ও ফারুক মারা যান।

ঘটনার দুই দিন পর নিহতদের বোন নাজিরা বেগম চারজনকে আসামি করে গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র