Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

জেলা নির্বাচন অফিসে তোলা যাবে হারানো এনআইডি

জেলা নির্বাচন অফিসে তোলা যাবে হারানো এনআইডি
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

হারানো জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তু্লতে ঢাকা কেন্দ্রিক নির্ভরতা কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ২০ এপ্রিল শনিবার থেকে জেলা নির্বাচন অফিস থেকেই হারানো এনআইডি সংগ্রহ করা যাবে।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগের সহকারী পরিচালক আরাফাত আরা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ৬৪ জেলা অফিস ও থানা অফিসকে এ বিষয়ে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা ভোটারদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে গত ১৩ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখের মাসিক সমন্বয় সভায় হারানো জাতীয় পরিচয়পত্র পুনর্মুদ্রণ-সংক্রান্ত কার্যক্রম পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলাসহ দেশের সব জেলাসমূহে বিকেন্দ্রীকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ লক্ষে কানেক্টিভিটি স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে ৬৪ জেলার সঙ্গে ইসির কানেক্টিভিটি সম্পন্ন হয়েছে। ইতোপূর্বে প্রতিটি জেলায় দুটি করে প্রিন্টার, লেমনেটিং মেশিন ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি কেনা হয়েছে। এ কারণে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সব জেলা নির্বাচন অফিস থেকে হারানো জাতীয় পরিচয়পত্র পুনর্মুদ্রণ বিতরণ করার জন্য অনুরোধ করছে নির্বাচন কমিশন।

হারানো কার্ড মুদ্রণে কোন সমস্যা হলে সিনিয়র মেইন্টেনেন্স, ইঞ্জিনিয়ার ও সিস্টেম এনালিস্ট নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগে যোগাযোগ করে এআইডি মুদ্রণ ও বিতরণের ব্যবস্থা নিতে হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

জানা গেছে, বর্তমানে শুধু ঢাকাতেই হারানো বা নষ্ট কার্ড প্রিন্ট দেয়া হয়। ফলে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র উত্তোলন করতে ঢাকায় আসতে হয় সাধারণ নাগরিকদের। নতুন উদ্যোগের ফলে জেলা নির্বাচন অফিসে এই সেবা পাওয়া যাবে।

উল্লেখ্য, কার্ড হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলে থানায় সাধারণ ডায়েরির (জিডি) অনুলিপির সঙ্গে নির্ধারিত ফি জমা দিলেই বর্তমানে কেন্দ্রীয় অফিস থেকে কার্ড ছাপিয়ে দেয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

মানব পাচারকারী চক্রের মূলহোতার বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন

মানব পাচারকারী চক্রের মূলহোতার বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন
অভিযুক্ত মানব পাচারকারী জামাল হোসেন, ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে লোকজনকে মিথ্যা আশা দিয়ে অবৈধভাবে বিদেশে পাঠানো মানব পাচারকারী চক্রের মূলহোতা জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন জমা দিয়েছে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিট।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) সিআইডির বিশেষ সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শারমিন জাহান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, 'আজ (মঙ্গলবার) চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যা খুব শিগগিরই কক্সবাজার আদালতে দাখিল করা হবে।'

সিআইডির অনুমোদনকৃত চার্জশিটে বলা হয়েছে, জামাল হোসেনের মানবপাচারের মাধ্যমে আয় করা অবৈধ টাকা ইসলামী ব্যাংকের টেকনাফ শাখায় নিজের নামে করা একটি একাউন্টে রাখতেন। তার একাউন্ট থেকে ২০১৪-২০১৫ সাল পর্যন্ত ১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ২০১৩ সালের শেষ দিক মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়েন তিনি। এছাড়া মানব পাচার সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেন শুরু করেন। বাংলাদেশের ১৬টি জেলা থেকে তার একাউন্টে মানব পাচার সম্পৃক্ত টাকা আসত।

আরও বলা হয়েছে, জামাল হোসেন বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার লোকজনদের সমুদ্র পথ দিয়ে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাঠাতেন। বিদেশে লোক পাঠানোর বৈধ কোনো লাইসেন্স নেই তার। লোকজনদের সমুদ্র পথ দিয়ে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর পর তাদের আটকিয়ে রাখা হতো। আটক ব্যক্তিদের আত্মীয় স্বজনদের ফোন করে জামাল হোসেন মুক্তিপণ আদায় করতেন।

জামাল হোসেন টাকা পেলে মালয়েশিয়া থেকে আটকদের ছেড়ে দেয়া হতো। জামাল হোসেন মানব পাচার সংক্রান্ত অপরাধলব্ধ আয়ের ১ কোটি ৮৩ কোটি টাকার প্রমাণও পাওয়া গিয়েছে।

উল্লেখ্য, টেকনাফ থানার শাহপরীরদ্বীপ থেকে ২০১৮ সালের পহেলা নভেম্বর তাকে গ্রেফতার করে সিআইডি।

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি অনুযায়ী বরাদ্দ নেই: খলীকুজ্জমান

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি অনুযায়ী বরাদ্দ নেই: খলীকুজ্জমান
ছবি: বার্তা২৪

অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেছেন, প্রতিবছর দুর্যোগের কবলে পড়ে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি আমরা। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে যে দুর্যোগ সৃষ্টি হয় সেটার জন্য প্রত্যেক বছর আমাদের বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়, কিন্তু ক্ষতির পরিমাণমতো বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয় না।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ে বাজেট ২০১৯-২০ এর পর্যালোচনা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। ক্যাম্পেইন ফর সাসটেইনেবল রুরাল লাইভলিহুড (সিএসআরএল) ও ঢাকা স্কুল ইকোনমিকস (ডিএসসিই) যৌথভাবে এই সেমিনারের আয়োজন করে।

সিএসআরএল -এর সভাপতি কাজী খলীকুজ্জমান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন পরিবেশের একটা অংশ। আর এই জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য আমরা প্রতিবছর অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হই। প্রতিবছর আমাদের বিভিন্ন দুর্ভোগের সামনা-সামনি হতে হয়। এতে যেমন দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি আমাদের নানা রকম ক্ষতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, পরিবেশ, অর্থনীতি ও সমাজের উন্নয়নের জন্য স্থানীয় চাহিদার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বাজেটে বরাদ্দ থাকা প্রয়োজন। সেই সঙ্গে সঠিকভাবে বাজেট বরাদ্দ, ব্যয় ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্থানীয় সরকারের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করলে সেটি বেশি ফলপ্রসূ হয়।

খলীকুজ্জমান জানান, জলবায়ু ও পরিবেশ বাজেট বিষয়ে যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তবে এখনও সময় আছে, আমরা সেটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরব।

বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এস এম মনজুরুল হান্নান খান বলেন, উপকূলীয় এলাকায় বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য সরকার ইতোমধ্যে ১০০ বছরের ডেল্টা প্লান করেছে। সেখানে মডেলিং করে বেড়িবাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

কিন্তু বাজেটে জলবায়ু পরিবর্তন ছাড়া অপরাপর পরিবেশগত বিষয় যথাযথভাবে উল্লেখ করে বরাদ্দ প্রদান করা হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, বাজেটে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বরাদ্দ প্রদানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন এলাকার অভিযোজন অগ্রাধিকার বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। সেই সাথে গৃহীত জলবায়ু প্রকল্পগুলোর তথ্য স্থানীয় জনপ্রশাসন ও স্থানীয় সরকারকে অবহিত করে জলবায়ু সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে স্থানীয় সরকারকে যুক্ত করা প্রয়োজন।

সেমিনার সঞ্চালনা করেন সিএসআরএল -এর সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক মুক্তা। বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার, কোস্ট ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরী, ডিএসসিই -এর ড. এ কে এম নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র