Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

মোংলা বন্দরে পণ্য ওঠানো-নামানো বন্ধ

মোংলা বন্দরে পণ্য ওঠানো-নামানো বন্ধ
মোংলা বন্দরে পণ্য বোঝাই-খালাস ও পরিবহন কাজ বন্ধ, ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বাগেরহাট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সারাদেশে নৌযান (কার্গো, কোস্টার) শ্রমিকদের ডাকা লাগাতার কর্মবিরতিতে অচল হয়ে পড়েছে মোংলা বন্দর। নৌযান শ্রমিকদের কর্মবিরতির ফলে মধ্যরাত থেকে মোংলা বন্দরে পণ্য বোঝাই-খালাস ও পরিবহন কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

১১ দফা দাবিতে সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ১মিনিট থেকে এ ধর্মঘট শুরু হয়।

বাংলাদেশ লঞ্চ লেবার অ্যাসোসিয়েশনের মোংলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী ও বাংলাদেশ লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়নের মোংলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মামুন হাওলাদার বাচ্চু জানান, ১১ দফা দাবিতে সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ১মিনিট থেকে নৌযান শ্রমিকেরা কর্মবিরতি পালন করছে। কর্মবিরতির ফলে মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেল ও মোংলা নদীতে পণ্য বোঝাই ও খালি কার্গো-কোস্টার জাহাজগুলো অলস সময় পার করছে।

নৌযান শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে মোংলা বন্দরে অবস্থানরত বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজের পণ্য বোঝাই-খালাস ও পরিবহন কাজ মধ্যরাত থেকে বন্ধ রয়েছে। ফলে মোংলা বন্দরের সঙ্গে নদী পথে দেশের বিভিন্ন নৌ বন্দরের যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। আর এতে বড় ধরণের ক্ষতির মুখে পড়েছেন মোংলা বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারকেরা।

কর্মবিরতির ফলে নৌযান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় বিদেশি জাহাজ মালিক ও বন্দর ব্যবহারকারীরা মোটা অংকের আর্থিক ক্ষতির মুথে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন মো. রফিকুল ইসলাম।

বাল্কহেডসহ সকল নৌযান ও নৌপথে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী ও ডাকাতি বন্ধ, ২০১৬ সালের ঘোষিত বেতন স্কেলের পূর্ণ বাস্তবায়ন, ভারতগামী শ্রমিকদের ল্যান্ডিং পাস প্রদান ও হয়রানি বন্ধ, নদীর নাব্যতা রক্ষা, নদীতে প্রয়োজনীয় মার্কা, বয়া ও বাতি স্থাপনসহ ১১ দফা দাবিতে সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ১মিনিট থেকে ধর্মঘট শুরু করে নৌযান শ্রমিকরা। এতে মোংলা বন্দরসহ সারাদেশে নৌযান চলাচল বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন শুরু করে নৌযান শ্রমিকেরা। সারাদেশের প্রায় ২০ হাজার নৌযানের ২ লাখ শ্রমিক এ কর্মবিরতি পালন করছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী আশিকুল আলম পটল।

তিনি বলেন, নৌযান শ্রমিকদের আন্দোলনে বিভ্রান্ত ও বিভক্ত করার অপচেষ্টা চলছে। অনির্দিষ্টকালের এ কর্মবিরতি অব্যাহত রাখার জন্য তিনি শ্রমিকদের কোনো ধরণের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।

 

আপনার মতামত লিখুন :

রাজউক ভবন ডেঙ্গু মুক্ত করার ঘোষণা

রাজউক ভবন ডেঙ্গু মুক্ত করার ঘোষণা
ওষুধ ছিটিয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন রাজউক চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ভবন ডেঙ্গু করার ঘোষণা দিয়েছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদ।

সোমবার (২৬ আগস্ট) রাজউক ভবনের চারপাশে মশা নিধনের ওষুধ ছিটিয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন তিনি।

রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, ‘রাজউক ভবন ও ভবনের চারপাশে যেন ডেঙ্গু মশা বংশবিস্তার করতে না পারে সে জন্য আমরা এ উদ্যোগ নিয়েছি। আশা করি, এতে রাজউক ভবন পুরোপুরি ডেঙ্গু মুক্ত হবে।

তিনি নতুন ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে কোথাও তিন দিনের বেশি যাতে পানি জমতে না পারে সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান।

mo
ওষুধ ছিটিয়ে রাজউক ভবন ডেঙ্গু মুক্ত রাখার প্রচেষ্টা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় রাজউকের ডেঙ্গু প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে রাজউক ভবন, ভবনের আঙিনা ও আশপাশের এলাকায় পানি জমার সম্ভাব্য স্থান ও ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করার এ উদ্যোগ নিয়েছে রাজউক।

এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধি, পরিচ্ছন্নতা কর্মী, রাজউকের সদস্য পর্ষদসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

দোষী হলে জামালপুরের ডিসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

দোষী হলে জামালপুরের ডিসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলন

দোষী সাব্যস্ত হলে জামালপুরের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

সোমবার (২৬ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

জামালপুরের ডিসির ঘটনার তদন্ত প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আমরা প্রক্রিয়া শুরু করেছি, শাস্তি হবে ইনশাআল্লাহ। তবে কেবিনেটে এ বিষয়ে আলোচনা হয়নি।

আরও পড়ুন: মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার বেড়েছে

অতীতে এমন ঘটনা ঘটলেও শাস্তি হয়নি, এবারের ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, তদন্তে প্রমাণিত না হলে শাস্তি দেওয়া কঠিন। আমরা কমিটি করে দিয়েছি, কমিটি এটি দেখবে। কমিটি নিরপেক্ষভাবে এটি দেখবে। টেকনিক্যালি কোন ম্যানুপুলেশন থাকলেও যাচাই করবে। সেজন্য কমিটিতে এক্সপার্ট রাখা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দোষী প্রামাণিত হলে তার কী ধরনের শাস্তি হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পাবলিক সার্ভিসের জন্য ডিসিপ্লিন আপিল রুল অনুযায়ী তার চাকরি থেকে ডিসমিসাল হতে পারে, রিমুভাল হতে পারে অথবা নিচের পদে নামিয়ে দেওয়া হতে পারে। গুরুদণ্ডও হতে পারে।

তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করা হবে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তদন্তে বেরিয়ে আসতে পারে। কমিটি সেটি তদন্ত করতে পারবে। তাদের সামনে আসলে তারা সেটি বলতে পারবে। এটি প্রাথমিক তদন্ত, এটার ভিত্তিতে ডিপি কেইস হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র