Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

শুরু হচ্ছে বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কাজ

শুরু হচ্ছে বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কাজ
বিজিএমইএ ভবন ভাঙার প্রস্তুতি চলছে/বার্তা২৪.কম
বার্তা টিম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা: আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী শুরু হচ্ছে রাজধানীর হাতিরঝিল লেকে অবৈধভাবে নির্মিত বহুতল বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কাজ।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎসহ ভবনের সব ইউটিলিটি সার্ভিসের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে মূলত মূল ভবন ভাঙার কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করবে প্রশাসন।

সরেজমিন দেখা গেছে, ভবনটি ভাঙার প্রস্তুতি হিসেবে বিজিএমইএ ভবনের সামনে রাজউক কর্মকর্তারাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন। এছাড়া ভবন ভাঙার যন্ত্র বুলডোজার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

উল্লেখ, সর্বশেষ ১২ এপ্রিলের মধ্যে ভবনটি সরিয়ে নিতে সময় দিয়েছিলেন আদালত। নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পর আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে নামলো রাজউক।

রাজউক সূত্রে জানা গেছে, ভবনটি ভাঙতে বিজিএমইএকে দেওয়া সময় পার হয়ে যাওয়ার পরই এই ভবনটি ভাঙার কার্যক্রম শুরু করছে। ভবনটি ভাঙার জন্য রাজউকের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপস্থিত রাজউক কর্মকর্তারা। এছাড়া ভবনটি থেকে মালপত্র সরিয়ে নিতে অফিস মালিকদের কিছু সময় হতে পারে। এরপরই মূল ভবন ভাঙার কাজ শুরু করা হবে।

রাজউকের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অলিউর রহমান বলেন, আদালত থেকে ১২ এপ্রিলের মধ্যে ভবন ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও এখনও এখানে কিছু অফিস আছে। তাদের ভবন ছাড়ার জন্য দুই ঘণ্টা দিয়েছি। তাই ভবন ভাঙার কাজ শুরু করতে দেরি হচ্ছে।

‘বিজিএমইএ ভবন’ অপসারণে আপিল বিভাগের দেওয়া এক বছর সময় শেষ হয়েছে ১২ এপ্রিল। গত বছরের ২ এপ্রিল সর্বোচ্চ আদালত ভবনটি অপসারণে তৈরি পোশাক ও রফতানিকারকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএকে এক বছর ১০ দিন সময় দেন।

আপনার মতামত লিখুন :

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার বেড়েছে

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার বেড়েছে
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদের গত তিন মাসে (এপ্রিল থেকে জুন) মন্ত্রিসভার বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার আগের তুলনায় বেড়েছে।

সোমবার (২৬ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

গত তিন মাসে মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ৮১ দশমিক ৯৪ শতাংশ, তার আগের তিন মাস জানুয়ারি থেকে মার্চে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ছিল ৬৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। গত তিন মাসে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার আগের তিন মাসের তুলনায় ১৫ দশমিক ২৭ শতাংশ বেশি।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ২০১৯ সালের ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়েছে সাতটি, সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ৭২টি, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়েছে ৫৯টি (৮১.৯৪ শতাংশ), বাস্তবায়নাধীন সিদ্ধান্তের সংখ্যা ছিল ১৩টি (১৮.০৬ শতাংশ)।

তিনি আরও জানান, উল্লেখিত সময়ে নীতি বা কর্মকৌশল নেওয়া হয়েছিল একটি, সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল একটি ও সংসদে আইন পাস হয়েছিল ৬টি।

বিশ্বজুড়ে রোহিঙ্গারা গণহত্যার বিচার চাইছে

বিশ্বজুড়ে রোহিঙ্গারা গণহত্যার বিচার চাইছে
কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্প/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের দু’বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বজনদের গণহত্যার বিচার চেয়েছে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রোহিঙ্গারা।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কর্তৃক সংঘটিত নৃশংসতার বিচার নিশ্চিত করার জন্য দেশটি থেকে নিপীড়িত রোহিঙ্গারা বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে এ বিচার আহ্বান করে।

ডাচ-ভিত্তিক রোহিঙ্গা গোষ্ঠী ইইউ রোহিঙ্গা কাউন্সিলরকে টুইট করে মিয়ানমারের গণহত্যার অপরাধীদের বিচারের জন্য জাতিসংঘ, ইইউ, মার্কিন, ওআইসি (ইসলামী সহযোগী সংস্থা) এবং দক্ষিণ পূর্ব এশীয় জাতিসংঘের সমর্থন চায়।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নৃশংসতা বন্ধে কাজ না করার অভিযোগ তুলে তারা বলেছে, বিশ্ব মিয়ানমারে গণহত্যা থেকে বেঁচে যাওয়া লোকদের অধিকার অর্জনে নীরব ভূমিকা পালন করছে। তবুও রোহিঙ্গারা তাদের অধিকার পেতে সকলের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। কিন্তু বিশ্ব অন্যদিকে চোখ ফিরিয়ে রেখেছে।

নির্বাসিত রোহিঙ্গা কর্মী রো জা জা নইং টুইট করে বলেছেন, ‘রোহিঙ্গা গণহত্যা চালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। দুঃখের বিষয় হলো মিয়ানমারে এই জালিম মানুষদের সংখ্যা এখন অনেক বেশি।

আরও পড়ুন: রাখাইনে বিদ্রোহী দমন নামে শিশু হত্যায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী

আইরিশ-ভিত্তিক রোহিঙ্গা অ্যাডভোকেসি গ্রুপ স্টেটলেস রোহিঙ্গা এবং রোহিঙ্গা অ্যাকশন আয়ারল্যান্ডও রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচারের দাবিতে টুইট করেছে।

রোহিঙ্গা অ্যাকশন আয়ারল্যান্ড রোহিঙ্গাকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মিয়ানমারের একটি অনন্য জাতিগোষ্ঠী বলে অভিহিত করেছে। তারা বলেছে, রোহিঙ্গা মূলত মুসলিম জাতিগোষ্ঠী, যারা বহু শতাব্দী ধরে স্বাধীন আরাকান রাজ্যের বাসিন্দা ছিল। তাদের আলাদা ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং বিশ্বাস বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে একটি অনন্য সংখ্যালঘু জাতী হিসেবে গড়ে তোলে।

ফ্রি রোহিঙ্গা কোয়ালিশনের প্রধান মং জার্নি মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে দায়মুক্তির রায় ঘোষণা করার জন্য দেশটির প্রধান নেতাকে অপরাধী বলে অভিহিত করেছেন। তিনি টুইট করে জানান, রোহিঙ্গা গণহত্যা স্মৃতি দিবসের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে একটি নোবেলজয়ী ব্যাক্তি অং সান সু চি’কে নুরেমবার্গ-যোগ্য অপরাধী হিসেবে দাঁড় করানো উচিৎ।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ভিত্তিক ফরটিফাই রাইটস রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাখাইন রাজ্যে তাদের অপরাধের জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর তাৎক্ষণিক জবাবদিহিতার আহ্বান জানিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী রোহিঙ্গা পুরুষ, মহিলা ও শিশুদের বিরুদ্ধে গণহত্যা, গণধর্ষণ ও অন্যান্য নির্যাতন করেছিল।

গত সপ্তাহে প্রায়ি ৩ হাজার ৫০০ রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের ব্যর্থ প্রচেষ্টা উল্লেখ করে গবেষক আজিম ইব্রাহিম টুইট করেছেন, ‘কোনো রোহিঙ্গা স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে ফিরে যেতে চায়নি। কারণ, তারা তাদের ভাগ্য নিয়ে কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। জাতিসংঘে তাদের নিয়ে যে চিন্তাভাবনা ও কাজ করেছে তাতেও তারা কোনো আশা রাখতে পারেনি।’

গণহত্যার বেঁচে থাকা এবং ব্রিটিশ ভিত্তিক বার্মিজ রোহিঙ্গা সংস্থার প্রধান তুন খিন ২০১৭ সাল থেকে দুই বছরের রোহিঙ্গাদের কষ্টের জীবন নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে টুইটারে লিখেছেন, সংকট দেখা দেওয়ার শেষ নেই।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র