Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সীমান্তের ১৩ জেলা এখনো ম্যালেরিয়া ঝুঁকিতে

সীমান্তের ১৩ জেলা এখনো ম্যালেরিয়া ঝুঁকিতে
বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সভা, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব থেকে মুক্ত ৫১টি জেলা। বাকি যে ১৩টি জেলায় ম্যালেরিয়া রয়েছে সেগুলোর প্রত্যেকটিই সীমান্ত এলাকা। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সীমান্ত এলাকাগুলোতে ম্যালেরিয়া নির্মূল করা সম্ভব হলে ২০৩০ সালের মধ্যেই এই রোগ থেকে মুক্ত হতে পারবে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডা. মিলন হলে বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়।

ন্যাশনাল ম্যালেরিয়া এলিমিনেশন এন্ড এইডস ট্রান্সমিটেড ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম এবং ডা. এম এম আকতারুজ্জামান মূল প্রবন্ধে বলেন, 'দেশের তিনটি পার্বত্য জেলা ম্যালেরিয়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে রয়েছে। যেগুলো ভারতের ত্রিপুরা এবং মিজোরামের সীমান্ত। এছাড়াও সিলেটের যে অঞ্চলগুলো ভারতের মেঘালয় এবং আসাম সীমান্তে সেখানেও ম্যালেরিয়ার ঝুঁকি রয়েছে।'

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ম্যানেজিং অফিসার ডা. মিয়া সাপাল বলেন, 'যেহেতু সীমান্তে ম্যালেরিয়া সমস্যা রয়েছে, তাই সীমান্ত পর্যায়ে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ত্রিপুরায় ম্যালেরিয়া নির্মূলে একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সিলেটেও এই ধরনের সভা হবে। যেখানে দুই দেশের বিশেষজ্ঞরাই উপস্থিত থাকবেন।'

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে ম্যালেরিয়া প্রবণ এলাকার জনগোষ্ঠীর মাঝে এ পর্যন্ত ১ কোটি ৬৯ লাখ দীর্ঘস্থায়ী কীটনাশকযুক্ত মশারি বিতরণ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে সর্বমোট ১০ হাজার ৫২৩ জন ম্যালেরিয়া রোগী শনাক্ত করে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০০৮ সালের তুলনায় ম্যালেরিয়া রোগীর সংখ্যা শতকরা ৮৮ ভাগ এবং মৃত্যুর হার প্রায় ৯৫ শতাংশ কমেছে।

বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের সিডি এন্ড ওয়াশ বিভাগের পরিচালক ডা. আকরামুল ইসলাম বলেন, 'মে-জুন থেকে বৃষ্টি হলেই মশাজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়তে থাকে। তবে এখন বৃষ্টি আগেই হচ্ছে। আবার ভারি বৃষ্টি হলে ডিম্ব ধুয়ে যায়। কিন্তু থেমে থেমে বৃষ্টি হলে মশার প্রাদুর্ভাব বাড়ে। এখন জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আবহাওয়ারও পরিবর্তন হয়েছে।'

কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল এর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড লাইন ডিরেক্টরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সানিয়া তাহমিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক এমএ ফয়েজ, স্বাস্থ্য অধিদফতরের সিএসসি'র জাতীয় উপদেষ্টা অধ্যাপক বেনজির আহমেদ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক এনপিও ডা. এএম বাঙালি।

আপনার মতামত লিখুন :

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফিক নেওয়াজ আইসিইউতে

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফিক নেওয়াজ আইসিইউতে
বাঁশি বাজাচ্ছেন দীপু মনির স্বামী তৌফিক নেওয়াজ, ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির স্বামী বিশিষ্ট আইনজীবী ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য ড. তৌফিক নেওয়াজ গুরুতর অসুস্থ। তিনি আইসিইউতে ভর্তি আছেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (২০ জুলাই) দুপুরে ধানমন্ডিস্থ দলীয় সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।

কাদের বলেন, ‘আমাদের জয়েন্ট জেনারেল সেক্রটারি ডা.দীপু মনির স্বামী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি আছেন। তিনি দেশবাসীর কাছে স্বামীর সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563632165115.jpg
তৌফিক নেওয়াজ একজন বিশিষ্ট বংশীবাদক। সুযোগ পেলেই তিনি ঘরোয়া অনুষ্ঠানে বাঁশিতে সুর তোলার চেষ্টা করেন।


জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে ড. তৌফিক নেওয়াজকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা তাকে আইসিইউতে নেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য কর্মকর্তা আবুল খায়ের জানান, ড. তৌফিক নেওয়াজের মস্তিষ্কের পেছনের কিছু অংশে রক্ত চলাচল করতে পারছে না। তিনি তাকাতে কিংবা হাত-পা নাড়াতে পারছেন না। বিশিষ্ট নিউরো চিকিৎসক ডা. দীন মোহাম্মদসহ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তাকে দেখছেন। 

চিকিৎসকেরা অনুমতি দিলে ড. তৌফিক নেওয়াজকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আগামিকাল রোববার সিঙ্গাপুরে নেওয়া হতে পারেও বলে জানা গেছে।

পার্লামেন্টারি ফোরামের সভা শেষে দেশে ফিরলেন স্পিকার

পার্লামেন্টারি ফোরামের সভা শেষে দেশে ফিরলেন স্পিকার
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী/ ছবি: সংগৃহীত

‘পার্লামেন্টারি ফোরাম অ্যাট দ্য ২০১৯ হাই লেভেল পলিটিক্যাল ফোরাম অন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট এন্ড রিলেটেড মিটিং’ শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। শনিবার (২০ জুলাই) বিকালে তিনি দেশে ফেরেন।

স্পিকার গত ১৫ জুলাই ইউএন কনফারেন্স বিল্ডিংয়ে ‘গ্রোয়িং ইনিকোয়ালিটিস এন্ড ডিসট্রাস্ট ইন গভর্নমেন্ট: ব্রেকিং দ্য সাইকেল’ শীর্ষক সেশনে আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন আয়োজিত এসডিজি লক্ষ্য পূরণে বাংলাদেশের অর্জন ও ভবিষ্যৎ করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় স্পিকার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগ দেন।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর নেতৃত্বে পার্লামেন্টারি ফোরামের অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের অপর সদস্য ছিলেন সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. জাফর আহমেদ খান।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্পিকারকে স্বাগত জানাতে সংসদ সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব আ ই ম গোলাম কিবরিয়া সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র