Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

সেনানিবাসে ঢুকতে পাস লাগবে

সেনানিবাসে ঢুকতে পাস লাগবে
সেন্ট্রাল ডেস্ক ২


  • Font increase
  • Font Decrease
আগামী বছরের প্রথম দিন থেকে পাস ছাড়া সেনানিবাসে ঢোকার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।ওই এলাকায় চলাচলের জন্য ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড থেকে পাস নিতে হবে। তবে বাসে করে যারা সেনানিবাস এলাকার ওপর দিয়ে যাতায়াত করবেন, তাদের ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না বলে জানিয়েছেন আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পরিচালক লেফটেনেন্ট কর্নেল রাশিদুল হাসান। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “সেনানিবাস এলাকার নিরাপত্তার স্বার্থেই এ ধরনের পদেক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।” ঢাকা সেনানিবাসে প্রবেশের থার্ড গেট হিসেবে পরিচিত শহীদ জাহাঙ্গীর গেটে বৃহস্পতিবার ক্যান্টনমেন্টে ঢোকার নতুন নিয়মাবলির নোটিস টাঙানো হয়েছে। বড় একটি বোর্ডে ওই সাত দফা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে পাস ছাড়া সেনানিবাসের অভ্যন্তরে সর্বসাধারণের প্রবেশ নিষেধ। ঢাকা সেনানিবাস এলাকায় বসবাসকারীদের যাতায়াতের জন্য (মাটিকাটা-জিয়াকলোনি-এমপি চেকপোস্ট এবং রজনীগন্ধা সুপার মার্কেট-সৈনিক ক্লাব এমপি চেকপোস্ট) ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পাস সংগ্রহ করতে হবে। ওই এলাকার ব্যক্তি মালিকাধীন বাড়ির কর্মচারী (কেয়ারটেকার, গার্ড, ড্রাইভার, গৃহকর্মী) এবং আত্মীয়দের জন্য ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড থেকে অস্থায়ী আবাসিক পাসের আবেদন করতে হবে। সেনানিবাস এলাকার কোনো বাসায় পলাতক বা সাজাপ্রাপ্ত আসামি অবস্থান করলে তার দায়-দায়িত্ব বাড়ির মালিককে বহন করতে হবে। পাস ছাড়া প্রবেশের ক্ষেত্রে কী শাস্তি হবে, তা স্পষ্ট করা হয়নি ওই নোটিশে। শুধু বলা হয়েছে, বেআইনি অনুপ্রবেশের জন্য ‘যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা’ গ্রহণ করা হবে। সেনানিবাস এলাকায় কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রমও পরিচালনা করা যাবে না বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। একজন সেনা সদস্য সাংবাদিকদের বলেন, সেনানিবাসে প্রবেশের সবগুলো ফটকেই নতুন ওই নোটিস টাঙানো হয়েছে। আইএসপিআর পরিচালক রাশিদুল হাসান শুক্রবার গণমাধ্যমকে বলেন, “এটা নতুন কিছু না, ধারাবাহিকতা মাত্র। প্রতি বছর বেসামরিক ব্যাক্তিদের জন্য হয়ে থাকে। “যারা পুরাতন তারা তাদের সময় বর্ধিত করবেন এবং যারা নতুন তারা নতুনভাবে পাস নেওয়ার জন্য আবেদন করবেন।”
আপনার মতামত লিখুন :

এরশাদের অবস্থা সংকটাপন্ন

এরশাদের অবস্থা সংকটাপন্ন
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শারিরীক অবস্থা সংকটাপন্ন। 

বুধবার (২৬ জুন) সকাল নয়টায় তাঁকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়েছে।  

 

'সন্তানদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে'

'সন্তানদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে'
মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী অনুষ্ঠানে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার, ছবি: বার্তা২৪.কম

মাদক থেকে দূরে রাখতে নিজের ও প্রতিবেশীর সন্তানদের সবসময় নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া।

বুধবার (২৬ জুন) খুলনায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

দিবসটি উপলক্ষে সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া। খুলনা জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘সুস্বাস্থ্যেই সুবিচার, মাদক মুক্তির অঙ্গীকার’।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, 'মাদকের ন্যায় নিকৃষ্ট বস্তুর প্রসার সমাজকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায়। মাদকের অপব্যবহার কেবল যুবকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। নারী, পুরুষ ও বয়স নির্বিশেষে অনেকেই মাদকের গ্রাসে পতিত হচ্ছে। সন্তান মাদকাসক্ত হলে পরিবারের অর্থ-সম্পদ, সম্মান সব ধ্বংস হয়। এজন্য নিজের ও প্রতিবেশীর সন্তানদের সবসময় নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে।'

'সন্তানদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে'

তিনি আরও বলেন, 'মাদকাসক্ত সন্তান নেশার টাকা না পেলে মা-বাবাকেও আক্রমণ করে শারীরিক নির্যাতন করতে দ্বিধা করে না। সরকারি চাকরিতে নিয়োগের পূর্বে চাকরিপ্রার্থী মাদকাসক্ত কিনা তা জানতে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করার যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। বর্তমানে কর্মরত সরকারি চাকুরীজীবীদেরও আগামীতে এ পরীক্ষার আওতায় আনা যেতে পারে। সমাজ ও পরিবারকে মাদকমুক্ত রাখতে অভিভাবকদের সচেতন করা জরুরি। মনে রাখতে হবে সন্তান বড় হলে দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়। খুলনা বিভাগের চারটি জেলা নড়াইল, মাগুরা, বাগেরহাট ও খুলনাকে শতভাগ মাদকমুক্ত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।' মাদকের ন্যায় অভিশপ্ত বস্তুর সঙ্গে যুক্ত না হতে সবাইকে পরামর্শ দেন প্রধান অতিথি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. এস এম আব্দুর রাজ্জাক, জেলা শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমীন, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলমগীর কবির এবং মুক্তিযোদ্ধা সরদার মাহাবুবুর রহমান।

খুলনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইউসুপ আলী এতে সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত জানান খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. রাশেদুজ্জামান।

অনুষ্ঠান শেষে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এর আগে বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে শহীদ হাদিস পার্ক থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র