Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আগামীতে সকল স্থানীয় নির্বাচন ইভিএমে: ইসি সচিব

আগামীতে সকল স্থানীয় নির্বাচন ইভিএমে: ইসি সচিব
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ / ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেট
রাজশাহী
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আগামীতে সকল স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব মো. হেলালুদ্দীন আহমদ।

রোববার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে রাজশাহী সরকারি মডেল স্কুলে নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান। ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি-২০১৯ উপলক্ষে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

ইসি সচিব বলেন, ‘ইভিএম উন্নত প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ। জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে এতে ভোট দেওয়া যাবে। তবে পরিচয়পত্র না থাকলেও আঙুলের ছাপ দিয়েও ইভিএমে ভোট হবে।’

বিভিন্ন নির্বাচনে ভোট কম পড়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘চাহিদা পূরণ হয়ে গেলে কে সরকার গঠন করল আর কে বাদ গেলো, এ নিয়ে মানুষ আর মাথা ঘামায় না। মানুষের কাছে ভোটার তালিকায় নাম ওঠার চেয়ে এখন বেশি জরুরি জাতীয় পরিচয়পত্র। এই পরিচয়পত্র সকল দাফতরিক কাজে অপরিহার্য।

হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘পৃথিবীর যে কোনো দেশের তুলনায় বাংলাদেশের তথ্যভাণ্ডার উন্নত। জাতীয় পরিচয়পত্রে যেসব তথ্য থাকে, তা কারও সঙ্গে মিল নেই। প্রত্যেকের চোখের আইরিশ ও আঙুলের ছাপ আলাদা। বিভিন্ন অভিযানে যেসব জঙ্গি নিহত হয়েছে, তাদের আঙুলের ছাপ নিয়েই নির্বাচন কমিশন থেকে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘পৃথিবীর কোনো দেশের নির্বাচন কমিশনই জাতীয় পরিচয় পত্র দেয় না। কিন্তু বাংলাদেশে এটা করা হয়। কারণ ভোট দেওয়ার চেয়েও নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজেও এটি দরকার।’

এ জন্য নির্ভুলভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- রাজশাহীর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম, জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল্লাহ প্রমুখ।

এর আগে রাজশাহী সিটি নির্বাচনের সময় মারা যাওয়া সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা খালেকুজ্জামানের পরিবারের সদস্যদের হাতে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার চেক তুলে দেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। এ সময় জেলা প্রশাসক এসএম আবদুল কাদেরসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে চাঁদে অবতরণের ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন

যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে চাঁদে অবতরণের ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন
চাঁদে অবতরণের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আর্ল আর. মিলার, ছবি: সংগৃহীত

মহাকাশযান অ্যাপোলো-১১ এর চাঁদে অবতরণের ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করেছে বাংলাদেশে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস।

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) ঢাকার আমেরিকান সেন্টারে দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল আর. মিলার।

বুধবার (২৪ জুলাই) সকালে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কথা জানায়।

উদ্বোধনী বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মিলার নভোচারী নিল আর্মস্ট্রংয়ের সেই বিখ্যাত উক্তি উদ্ধৃত করেন। উক্তিটি হলো-(একজন) মানুষের জন্য এটি একটি ছোট পদক্ষেপ, কিন্তু মানবজাতির জন্য এক বিশাল লাফ।’

দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী এবং অতিথি ১০টি আয়োজনে অংশ নেন। এগুলোর মধ্যে ছিল নাসায় কর্মরত বাংলাদেশি-আমেরিকান প্রকৌশলী, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নারী পাইলট, যুক্তরাষ্ট্রে সফররত বিজ্ঞান বিষয়ক একজন দূত এবং রোবোটিক্স বিষয়ের প্রশিক্ষকদের অংশগ্রহণে আলোচনা অনুষ্ঠান।

‘এডুকেশনইউএসএ’র কর্মীরা উপস্থিত ছাত্রছাত্রীদের যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে লেখাপড়া করতে উৎসাহিত করেন। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৭,৫০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছেন।

a
 চাঁদে অবতরণের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের একটি মুহূর্ত, ছবি: সংগৃহীত

 

অনুষ্ঠানগুলোর ফাঁকে দর্শনার্থীরা নাসার বিভিন্ন ছবি এবং অ্যাপোলো-১১ মিশন ও তিন নভোচারীর ‘জায়ান্ট লিপ’ বিশ্ব ভ্রমণের ঐতিহাসিক স্মারকগুলোর প্রতিলিপির প্রদর্শনী দেখেন। নিদর্শনগুলোর মধ্যে ছিল বাংলা এবং ইংরেজি সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরের ক্লিপিং। চাঁদে অবতরণের মাত্র নয় সপ্তাহ পরে নিল আর্মস্ট্রং, মাইকেল কলিন্স এবং এডউইন ‘বাজ’ অলড্রিন ‘জায়ান্ট লিপ’ বিশ্ব সফরে বের হন। মাত্র ৩৯ দিনে ২৪টি দেশের ২৭টি শহর সফর করেছিলেন তারা- যার মধ্যে ছিল ১৯৬৯ সালের অক্টোবরে ঢাকায় যাত্রাবিরতিও।

২২ জুলাই আমেরিকান সেন্টারের নিয়মিত আয়োজন মিউজিক বাজ-এ ব্যান্ডদল ‘আনসার্টেনটি প্রিন্সিপাল’ হলভর্তি দর্শকের সামনে চাঁদের থিম নিয়ে সঙ্গীত পরিবেশন করে। এছাড়া ৪৪,০০০ এর বেশি মানুষ ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে (@bangladesh.usembassy) দূর থেকে অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন।

s
 চাঁদে অবতরণের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের একটি মুহূর্ত, ছবি: সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস চাঁদে অবতরণ করার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ২০ থেকে ২৫ জুলাই ছয়টি স্থানে ৫০টি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। স্থানগুলো হচ্ছে ঢাকার আমেরিকান সেন্টার, ধানমন্ডির এডওয়ার্ড এম. কেনেডি সেন্টার ফর পাবলিক সার্ভিস অ্যান্ড দ্য আর্টস (ইএমকে সেন্টার) এবং চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেটের আমেরিকান কর্নার। সারা দেশে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের আওতাধীন এ স্থানগুলোতে প্রতিবছর আয়োজিত হয় ১,৬০০টির বেশি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে যোগ দেন ২২০,০০০ মানুষ।

রোবট দিয়ে বোমা পরীক্ষা, বিস্ফোরণে নিষ্ক্রিয়

রোবট দিয়ে বোমা পরীক্ষা, বিস্ফোরণে নিষ্ক্রিয়
ঘটনাস্থলে বোম ডিসপোজাল ইউনিট ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজধানীর খামারবাড়িস্থ বঙ্গবন্ধু চত্বরের পাশেই যে বোমা সাদৃশ্য বস্তু শনাক্ত করা হয়, সেটার অবস্থান ও শক্তি বোঝার জন্য রোবট দিয়ে পরীক্ষা করেছে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল (বোম ডিসপোজাল ইউনিট)।

পরবর্তীতে বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে ওই বোমাগুলো নিষ্ক্রিয় করে বোম ডিসপোজাল ইউনিট। এ সময় বিকট শব্দে চারপাশ কেঁপে ওঠে।

বুধবার (২৪ জুলাই) রাত ৩টার দিকে তেজগাঁও জোনের সহকারী কমিশনার মাহামুদ হাসান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

রোবট দিয়ে বোমা পরীক্ষা, বিস্ফোরণে নিষ্ক্রিয়

তিনি বলেন, 'সেখানে বোমা সদৃশ্য বস্তু রয়েছে, জানার পর জায়গাটি নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে ঘেরাও করে রাখা হয়। ওই বোমাগুলো কতটুকু কার্যকর আর কেমন অবস্থায় আছে তা জানার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য রোবট পাঠানো হয়। সেটা মনিটরে দেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।'

পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, 'বোম ডিসপোজাল ইউনিট একটি বিস্ফোরণের মাধ্যমে ওই বোমগুলো নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হয়। এ সময় বিকট শব্দ হয়। সেখানে মোট পাঁচটি অক্ষত বোম ছিল।'

তিনি আরও বলেন, 'বোমা নিষ্ক্রিয়ের পর তার কিছু অংশবিশেষ বোম ডিসপোজাল ইউনিট সংগ্রহ করে নিয়ে গেছে। পরবর্তীতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানানো হবে এগুলো কি ধরনের বোমা ছিল।'

উল্লেখ্য, এর আগে রাজধানীর খামারবাড়ি এলাকার কাছাকাছি দুই জায়গা থেকে বোমা সদৃশ বস্তুর সন্ধান পায় পুলিশ।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র