Alexa

শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

পাঠক শিকড় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। ছবি: বার্তা২৪.কম

সহকারী প্রধান শিক্ষক থাকার পরও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে রংপুরের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির কারো সঙ্গে আলোচনা না করেই গোপনে এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেন।

এ ঘটনায় সাধারণ শিক্ষকদের পাশাপাশি ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি। ব্যক্তিগত স্বার্থে এ ধরনের কাজ গোপনে করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

রংপুরের পীরগাছা উপজেলার পাঠক শিকড় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনাটি ঘটেছে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের বিষয়টি এতো দিন চাপা থাকলেও সোমবার (২২ এপ্রিল) সকালে তা ফাঁস হয়ে যায়।

অভিযোগ পাওয়া গেছে, পাঠক শিকড় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জন্য গত ১২ এপ্রিল একটি দৈনিকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। সাধারণত শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্তক্রমে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিধান চন্দ্র রায় কারও সঙ্গে আলোচনা করেননি।

এরআগে প্রধান শিক্ষক বিধান চন্দ্র রায় ম্যানেজিং কমিটিকে না জানিয়ে কম্পিউটার বিষয়ে বিপুল চন্দ্র নামে একজনকে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন। সর্বশেষ এমপিওর তালিকা দেখে নিয়োগের বিষয়টি নজরে আসে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিসহ সকলের। বর্তমানে অবৈধভাবে নিয়োগ হওয়ায় ওই শিক্ষকের বেতন ভাতা বন্ধ রয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এমদাদুল হক বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক ম্যানেজিং কমিটি ছাড়াই অবৈধভাবে একজন শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন। আমি সংশ্লিষ্ট একাধিক দপ্তরে তিন মাস আগে অভিযোগ করেছি। কিন্তু কর্তৃপক্ষ এখনো অভিযোগের তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এরই মধ্যে প্রধান শিক্ষক আবারো সহকারী প্রধান শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও ওই পদে শিক্ষক নিয়োগের জন্য গোপনে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘কম্পিউটার বিষয়ে ম্যানেজিং কমিটি ছাড়াই অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে প্রধান শিক্ষক নতুন করে অনিয়ম করার সুযোগ পেতেন না। আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। অন্যথায় বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বিঘ্নিত হতে পারে।’

এদিকে প্রধান শিক্ষক বিধান চন্দ্র রায়ের সঙ্গে কথা বলার জন্য তার মোবাইলে কয়েকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ সুজা মিয়া জানান, নিয়ম বহির্ভূতভাবে শিক্ষক নিয়োগ ও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :