Barta24

সোমবার, ১৫ জুলাই ২০১৯, ৩১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন ফি কমল

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন ফি কমল
সেন্ট্রাল ডেস্ক ২


  • Font increase
  • Font Decrease
বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের ফি ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়েছে সরকার। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন বিধিমালা অনুযায়ী জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ফি পুনর্নির্ধারণ করে গত সোমবার আদেশ জারি করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। বাংলাদেশে অবস্থানরত নাগরিক ছাড়াও বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরাও জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করতে পারবেন। প্রবাসীদের এই নিবন্ধন করতে হবে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের মাধ্যমে। জন্ম বা মৃত্যুর ৪৫ দিন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তির জন্ম বা মৃত্যুর নিবন্ধন দেশে ও বিদেশে কোনো প্রকার ফি ছাড়াই করা যাবে আগের মতই। পঁয়তাল্লিশ দিন পর থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত জন্ম বা মৃত্যুর নিবন্ধন ফি দেশে ২৫ টাকা এবং বিদেশে এক মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। আগে এই ফি ছিল দেশে ১০০ টাকা ও বিদেশে দুই মার্কিন ডলার। জন্ম বা মৃত্যুর পাঁচ বছর পর নিবন্ধন করলে দেশে ৫০ টাকা ও বিদেশে এক মার্কিন ডলার গুনতে হবে। আগে এই ফি ছিল দেশে ২০০ টাকা ও বিদেশে চার মার্কিন ডলার। জন্ম তারিখ সংশোধনের জন্যও নতুন করে আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য দেশে দিতে হবে ১০০ টাকা; আর বিদেশে দুই মার্কিন ডলার। আগে শুধু তথ্য সংশোধনের জন্য দেশে ৫০০ টাকা এবং বিদেশে ১০ মার্কিন ডলার ফি দিতে হতো। জন্ম বা মৃত্যুর ১০ বছর পর কোনো ব্যক্তির জন্ম বা মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য আগে দেশে ৫০০ টাকা এবং বিদেশে ১০ মার্কিন ডলার ফি দিতে হতো। সংশোধিত বিধিমালায় জন্ম বা মৃত্যুর ১০ বছর পরে নিবন্ধনের কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। জন্ম তারিখ ছাড়া নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম, ঠিকানাসহ অন্যান্য তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন ফি ঠিক করা হয়েছে দেশে ৫০ টাকা এবং বিদেশে এক মার্কিন ডলার। আগে যে কোনো তথ্য সংশোধনের ফি ছিল দেশে ৫০০ টাকা এবং বিদেশে ১০ মার্কিন ডলার। বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় মূল সনদ বা তথ্য সংশোধনের পর সনদের কপি এখন থেকে বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে। আগে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় মূল সনদ বা তথ্য সংশোধনের পর সনদের কপি পেতে দেশে ১০০ টাকা এবং বিদেশে দুই মার্কিন ডলার দিতে হত। বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় সনদের নকল সরবরাহ ফি দেশে ৫০ টাকা এবং বিদেশে এক ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। আগে এই ফি ছিল দেশে ১০০ টাকা এবং বিদেশে দুই ডলার। জন্ম নিবন্ধন সনদে ব্যক্তির নাম, লিঙ্গ, জন্ম তারিখ, জন্মস্থান, বাবা-মায়ের নাম, জাতীয়তা এবং স্থায়ী ঠিকানা সম্পর্কিত তথ্য থাকে। পাসপোর্ট, বিয়ে নিবন্ধন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, চাকরিতে নিযােগ, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি, ব্যাংক হিসাব খোলা, আমদানি ও রপ্তানির লাইসেন্স, গ্যাস, পানি, টেলিফোন ও বিদ্যুৎ সংযোগ, ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর প্রাপ্তি, বাড়ির নকশা অনুমোদন, গাড়ি রেজিস্ট্রেশন, ট্রেড লাইসেন্স এবং জাতীয় পরিচযপত্র পেতে ওই সনদের প্রয়োজন হয়। মৃত্যু নিবন্ধন সনদে মৃত ব্যক্তির নাম, মৃত্যুর তারিখ, মৃত্যুর স্থান, লিঙ্গ, বাবা-মা বা স্বামী-স্ত্রীর নাম থাকে। মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টন, পারিবারিক পেনশন প্রাপ্তির মত কাজে ওই সনদের প্রয়োজন হয়। সবশেষ ২০১৭ সালের ২ মার্চ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের ফি নির্ধারণ করেছিল সরকার। সব ধরনের নিবন্ধন ফি এবার অর্ধেক কমিয়ে নিবন্ধন ফি পুনর্নির্ধারণ করা হলো।
আপনার মতামত লিখুন :

রংপুরেই এরশাদের দাফন চান সাবেক স্ত্রী বিদিশা

রংপুরেই এরশাদের দাফন চান সাবেক স্ত্রী বিদিশা
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক, ছবি: সংগৃহীত

রংপুরবাসীর মতো সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দাফন রংপুরেই চান তার সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, 'আমিও তাই চাই, লাখ লাখ নেতাকর্মীদের মতো রংপুরের মাটি যেন হয় এরশাদের শেষ ঠিকানা। সহধর্মিণী থাকতে বহুবার পল্লী নিবাসের বারান্দায় ছেলে এরিককে কোলে বসিয়ে উনি আমাকে বলেছিলেন, তুমি আমার ছোট, দেখ আমার মৃত্যু ও যেন আমার ছেলের কাছে থেকে দূরে না রাখে। আমার কবর আমি এই পল্লী নিবাসে চাই। রংপুরের মানুষের ভালোবাসা প্রতিদান আমি দিতে পারিনি আজও। রংপুরের মানুষ আমার কবরে এসে দোয়া করবে এটাই আমার চাওয়া। প্রতিবার এই কথাটি বলতেন তিনি এরিকের দিকে তাকিয়ে, ভিজে চোখে।'

এর আগে রোববার ১৪ জুলাই রোববার হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর আজমির শরিফে থাকা বিদিশা এরশাদ ফেসবুকে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দেন। সেখানে বিদিশা এরশাদ লিখেছেন, 'এ জন্মে আর দেখা হলো না। আমিও আজমির শরিফ আসলাম, আর তুমিও চলে গেলে। এত কষ্ট পাওয়ার থেকে মনে হয় এই ভালো ছিল। আবার দেখা হবে হয়তো অন্য এক দুনিয়াতে, যেখানে থাকবে না কোনো রাজনীতি।'

সাবেক সেনা প্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা আজ সকালে আজমির শরিফ থেকে দেশে ফিরেন। তিনি সকালে এরশাদের মরদেহ দেখতে এবং ছেলে এরিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে প্রেসিডেন্ট পার্কে গিয়ে বাধার মুখে বাসার গেট থেকে ফিরে আসেন বলে অভিযোগ করেছেন।

উল্লেখ্য, রোববার (১৪ জুলাই) সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের মৃত্যুর পর তার মরদেহ দাফন জটিলতা তৈরি হয়। ঢাকার নেতারা চাইছেন এরশাদের দাফন হোক সেনা কবরস্থানে। বিপরীতে রংপুরের নেতাকর্মীরা চাইছেন, রংপুরেই হোক এরশাদের শেষ সমাধি।

ফকিরাপুল থেকে বায়িং হাউজের কর্মকর্তা নিখোঁজ

ফকিরাপুল থেকে বায়িং হাউজের কর্মকর্তা নিখোঁজ
নিখোঁজ আব্দুল ছবুর খান

রাজধানীর ফকিরাপুল থেকে আব্দুল ছবুর খান (৩২) নামে বায়িং হাউজের এক কর্মকর্তা নিখোঁজ হয়েছেন। এ ব্যাপারে সোমবার (১৫ জুলাই) মতিঝিল থানায় আব্দুল ছবুর খানের পরিবারের পক্ষ থেকে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়ছে।

নিখোঁজ ব্যক্তির চাচাতো ভাই ইমদাদুল হক জানান, বায়িং হাউজে চাকরির কারণে বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করতেন ছবুর খান। গত ১৪ জুলাই দুপুরের খাবার শেষে বাসা থেকে ফকিরাপুলের উদ্দেশে বের হন তিনি। ওই দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার স্ত্রীর সঙ্গে সবশেষ কথা হয়। তারপর থেকে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও ছবুর খানের কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।

ছবুর খানের গায়ের রং শ্যামলা, উচ্চতা ৫ ফিট ৩ ইঞ্চি, মাথার চুল ছোট করে ছাঁটা। হারিয়ে যাওয়ার সময় তার পরনে ছিল ফুল হাতার চেক শার্ট, জিন্স প্যান্ট ও সাদাকালো জুতা। তার কপালে হালকা দাগ রয়েছে বলে জানান ইমদাদুল হক।

নিখোঁজ আব্দুল ছবুর খান (৩৬) ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীকুণ্ডের মৃত আব্দুল খালেক খানের পুত্র। তিনি পরিবারের সঙ্গে মিরপুরের পল্লবীর কালশীর ‘বি’ ব্লকে ৪ নম্বর রোডের ৬১/১ নম্বর বাসায় থাকতেন।

জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করে মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়ার জন্য কাজ করছি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র