Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মসিকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন যারা

মসিকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন যারা
মসিক নির্বাচনের ফলাফল ঘোষনা করছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলীমুজ্জামান, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ময়মনসিংহ
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের (মসিক) প্রথম নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে ৩৩ টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ১১ টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ফলাফল ঘোষনা করা হয়েছে।

রোববার (৫ মে) নগরীর টাউনহলস্থ এডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসার মো. আলীমুজ্জামান ফলাফল ঘোষনা করেন।

বেসরকারিভাবে নির্বাচিত সাধারণ কাউন্সিলর যারা:

১ নং ওয়ার্ডে ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে আসাদুজ্জামান বাবু ৩৪৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে, তার নিকটতম লাটিম প্রতীকের আব্দুল ওয়াদুদ ১৩৮০ ভোট পেয়েছেন।

২ নং ওয়ার্ডে মিষ্টি কুমড়া প্রতীক নিয়ে মোঃ গোলাম রফিক দুদু ১৮১৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন, তার নিকটতম টিফিন ক্যারিয়ার প্রতীকের এম এ মতিন পেয়েছেন ১৫৯৩ ভোট। 

৩ নং ওয়ার্ডে ঘড়ি প্রতীক নিয়ে মোঃ শরীফুল ইসলাম পেয়েছেন ২৯৮১ ভোট, তার নিকটতম রেডিও প্রতীকের মোঃ রফিকুল ইসলাম শাহীন পেয়েছেন ৪২৯ ভোট।   

৪ নং ওয়ার্ডে রেডিও প্রতীক নিয়ে মোঃ মাহবুবুর রহমান ১৯১১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে, তার নিকটতম ঠেলাগাড়ী প্রতীকে মোঃ রাসেল পাঠান ১৪৫৯ ভোট পেয়েছেন।   

৫ নং ওয়ার্ডে রেডিও প্রতীক নিয়ে মোঃ নিয়াজ মোর্শেদ ১৩৭২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন, তার নিকটতম ঠেলাগাড়ী প্রতীক নিয়ে মোঃ মনিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৮২৯ ভোট।

৬ নং ওয়ার্ডে ঠেলাগাড়ী প্রতীক নিয়ে সৈয়দ শফিকুল ইসলাম মিন্টু ২৮৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে, তার নিকটতম রেডিও প্রতীকে মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান ১৭২ ভোট পেয়েছেন।

৭ নং ওয়ার্ডে ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে আসিফ হোসেন ডন ১৪৯০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন, তার নিকটতম রেডিও প্রতীকের বিপ্লব কুমার সরকার ৩৯৮ ভোট পেয়েছেন।  

৮ নং ওয়ার্ডে ঠেলাগাড়ী প্রতীকের ফারুক হাসান ১৮৫৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম রেডিও প্রতীকে বিকাশ সরকার পেয়েছেন ১৪৭৫ ভোট।

৯ নং ওয়ার্ডে মিষ্টি কুমড়া প্রতীক নিয়ে শীতল সরকার ২২৬১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন, তার নিকটতম ঠেলাগাড়ী প্রতীকের মোঃ আল মাসুদ পেয়েছেন ১৬৫৯ ভোট। 

১০ নং ওয়ার্ডে ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে মোঃ তাজুল ইসলাম ১৮২৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম লাটিম প্রতীক নিয়ে রতন চৌধুরী পন্ডিত পেয়েছেন ১৭৪৪ ভোট।  

১১ নং ওয়ার্ডে লাটিম প্রতীক নিয়ে মোঃ ফরহাদ আলম ১৩৬৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম ঘুড়ি প্রতীকে খন্দকার আনিসুজ্জামান এলিছ ৪২৯ ভোট পেয়েছেন।  

১২ নং ওয়ার্ডে ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে ২০১১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আনিসুর রহমান, তার নিকটতম লাটিম প্রতীকে হানিফ মোঃ ওয়ালিউল্লাহ ১৩৭৭ ভোট পেয়েছেন।  

১৩ নং ওয়ার্ডে ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে দেলোয়ার হোসেন ১৬২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম ঠেলাগাড়ি প্রতীকে মোঃ আব্বাস আলী তালুকদার ১২৬৫ ভোট পেয়েছেন।  

১৪ নং ওয়ার্ডে লাটিম প্রতীক নিয়ে মোঃ ফজলুল হক ১৩৪১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম ঠেলাগাড়ি প্রতীকে মোঃ আাতিকুর হাসান মাসুম ১০৭২ ভোট পেয়েছেন।

১৫ নং ওয়ার্ডে ঠেলাগাড়ি প্রতীক নিয়ে মোঃ মাহবুব আলম হেলাল ২০৫০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে, তার নিকটতম লাটিম প্রতীকে মোঃ রফিকুল ইসলাম ১৫৬৪ ভোট পেয়েছেন।  

১৬ নং ওয়ার্ডে ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে মোঃ আব্দুল মান্নান ১৯২৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে, তার নিকটতম ঠেলাগাড়ী প্রতীকে মোঃ শরাফ উদ্দিন ১৫৭১ ভোট পেয়েছেন।  

১৭ নং ওয়ার্ডে টিফিন ক্যারিয়ার প্রতীক নিয়ে মোঃ কামাল খান ২০৫৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন, তার নিকটতম ঘুড়ি প্রতীকের মোঃ নজরুল ইসলাম ১৮৩৭ ভোট পেয়েছেন।  

১৮ নং ওয়ার্ডে ঠেলাগাড়ী প্রতীক নিয়ে হাবিবুর রহমান হবি ২৮১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম ঘুড়ি প্রতীকে মোঃ জামাল হোসেন রোজ ২২১৫ ভোট পেয়েছেন।

১৯ নং ওয়ার্ডে মিষ্টি কুমড়া প্রতীক নিয়ে মোঃ আব্বাস আলী মন্ডল ৩২০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম করাত প্রতীকে মোঃ মাহবুবুর রহমান ২৭৯৭ ভোট পেয়েছেন।  

২০ নং ওয়ার্ডে লাঠিম প্রতীক নিয়ে মোঃ সিরাজুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন  ২১১৩ ভোট পেয়ে, তার নিকটতম ঘুড়ি প্রতীকে মোঃ সাইদুর রহমান তারু ১০৫৫ ভোট পেয়েছেন।

২১ নং ওয়ার্ডে লাটিম প্রতীক নিয়ে মোঃ মোস্তফা ফারুক ৯৭১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে, তার নিকটতম ঠেলাগাড়ি প্রতীকে মোঃ লাল মিয়া লাল্টু ৩৯৮ ভোট পেয়েছেন।  

২২ নং ওয়ার্ডে ট্রাক্টার প্রতীক নিয়ে মোঃ মোস্তফা কামাল ১০১১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন, তার নিকটতম ঠেলাগাড়ী প্রতীকে মোঃ আবুল হাসেম ৬৩৯ ভোট পেয়েছেন।

২৩ নং ওয়ার্ডে করাত প্রতীক নিয়ে মোঃ সাব্বির ইউনুস ১৭৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে, তার নিকটতম ট্রাক্টর প্রতীকে মোঃ নাজমুল হাসান ৯৫৩ ভোট পেয়েছেন।  

২৪ নং ওয়ার্ডে টিফিন ক্যারিয়ার প্রতীক নিয়ে মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম ৯৪৫ ভোট পেয়ে  নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম কাটা চামচ প্রতীকের মোঃ আসলাম হোসেন পেয়েছেন ৫৬৫ ভোট।

২৫ নং ওয়ার্ডে টিফিন ক্যারিয়ার প্রতীক নিয়ে মোঃ মনোয়ার হোসেন ১১২৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম  মিষ্টি কুমড়া প্রতীকে মোঃ ওমর ফারুক ১০৩২ ভোট পেয়েছেন।

২৬ নং ওয়ার্ডে ঠেলাগাড়ী প্রতীক নিয়ে মোঃ শফিকুল ইসলাম ১৯৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম টিফিন ক্যারিয়ার প্রতীকে মোমিন রুবেল পেয়েছেন ৭৯১ ভোট পেয়েছেন।

২৭ নং ওয়ার্ডে ঠেলাগাড়ী প্রতীক নিয়ে মোঃ শামসুল হক ১৯৭৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম টিফিন ক্যারিয়ার প্রতীকে মোঃ খায়রুল ইসলাম ১৪৭৮ ভোট পেয়েছেন।

২৮ নং ওয়ার্ডে ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে কায়সার জাহাঙ্গীর আকন্দ ১৯৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে, তার নিকটতম রেডিও প্রতীকে মোঃ গোলাম হোসেন হামিদ ৮৬৮ ভোট পেয়েছেন।

২৯ নং ওয়ার্ডে এয়ার কন্ডিশন প্রতীক নিয়ে মোঃ রফিকুল ইসলাম ১০২১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে, তার নিকটতম ঝুড়ি প্রতীকে মোঃ আবুল হোসেন ৭০৯ ভোট পেয়েছেন।

৩০ নং ওয়ার্ডে ঠেলাগাড়ী প্রতীক নিয়ে আবুল বাসার ১৫৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে, তার নিকটতম এয়ার কন্ডিশনার প্রতীকে মোঃ শাহ আলম ১০২৫ভোট পেয়েছেন।

৩১ নং ওয়ার্ডে টিফিন ক্যারিয়ার প্রতীক নিয়ে মোঃ আসাদুজ্জামান ৩১০৯ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তার নিকটতম ট্রাক্টর প্রতীকে মোঃ সেলিম উদ্দিন ২৭৪৪ ভোট পেয়েছেন।

৩২ নং ওয়ার্ডে রেডিও প্রতীক নিয়ে মোঃ এমদাদুল হক মন্ডল ২৩৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে, তার নিকটতম ঝুড়ি প্রতীকে আবু বক্কর সিদ্দিক ১৬১৩ ভোট পেয়েছেন।

৩৩ নং ওয়ার্ডে ট্রাক্টর প্রতীক নিয়ে মোঃ শাহজাহান ৪৫১৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তার নিকটতম মিষ্টি ঘুড়ি প্রতীকে মোস্তফা কামাল পেয়েছেন ২২১১ ভোট।

সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নির্বাচিত যারা:

১/২/৩ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে স্টীল আলমারী প্রতীক নিয়ে সেলিনা আক্তার ৩৮০৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে, তার নিকটতম চশমা প্রতীকে আকিকুন নাহার ৩৭৫২ ভোট পেয়েছেন।

৪/৫/৬ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বই প্রতীক নিয়ে শাম্মী আক্তার মিতু ৪৮৫৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম আনারশ প্রতীকে খোদেজা আক্তার ৩২৭৫ ভোট পেয়েছেন।

৭/৮/৯ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বই প্রতীক নিয়ে মোছাঃ হামিদা পারভীন ৩৩০৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তার নিকটতম ডলফিন প্রতীকে আরতী গুপ্তা ২৯৭০ ভোট পেয়েছেন।

১০/১১/১২ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে হেলিকপ্টার প্রতীক নিয়ে রোকসানা শিরিন ২৩১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছের, তার নিকটতম জীপগাড়ি প্রতীকে রীতা পাল ২১০৭ ভোট পেয়েছেন। 

১৩/১৪/১৫ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে চশমা প্রতীক নিয়ে রোকেয়া হোসেন ৪৫৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম আনারশ প্রতীকে স্বপ্না খন্দকার ৩৪৬৩ ভোট পেয়েছেন। 

১৬/১৭/১৮ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বই প্রতীক নিয়ে রোকসানা পারভীন কাজল ৪৪০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম মোবাইল ফোন প্রতীকে মোছাঃ রানী বেগম ৩৫৭৪ ভোট পেয়েছেন। 

১৯/২০/২১ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে চশমা প্রতীক নিয়ে শামীমা আক্তার ৯৫৫৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম বই প্রতীকে ইসমত আরা বানু  ৩৬৮৪ ভোট পেয়েছেন। 

২২/২৩/২৪ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বই প্রতীক নিয়ে শাহনাজ বেগম ৪৩০৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম আনারশ প্রতীকে মোছাঃ হাজেরা খাতুন ৩৮০৬ ভোট পেয়েছেন। 

২৫/২৬/২৭ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে চশমা প্রতীক নিয়ে আইরিন আক্তার ৪৯৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম মোবাইল ফোন প্রতীকে মোছাঃ রিনা আক্তার ৪৭৫৮ ভোট পেয়েছেন। 

২৮/২৯/৩০ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মোবাইল ফোন প্রতীক নিয়ে কাউসার ই জান্নাত ৫৭২১ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তার নিকটতম বেহালা প্রতীকে মোছাঃ হামিদা ৫০১৫ ভোট পেয়েছেন।

৩১/৩২/৩৩ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বই প্রতীক নিয়ে মোছাঃ ফারজানা ববি কাকলী ৬৫৬৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম হেলিকপ্টার প্রতীকে মোছাঃ কুলসুম বেগম ৪৮৯৩ ভোট পেয়েছেন। 

আর আগে, ১২৭ টি কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে সকাল ৮ টা থেকে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে চলে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত। এতে ৩৩টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৪২জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৭০জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।  

মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বি কোনো প্রার্থী না থাকায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাবেক পৌর মেয়র ও মসিক প্রশাসক ইকরামুল হক টিটু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় ভোট হয় শুধুমাত্র কাউন্সিলর পদে।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের অপেক্ষায় প্রস্তুত বেনাপোল এক্সপ্রেস

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের অপেক্ষায় প্রস্তুত বেনাপোল এক্সপ্রেস
ছবি: বার্তা২৪.কম

বেনাপোল-ঢাকা রেল রুটে বিরতিহীন বেনাপোল এক্সপ্রেস উদ্বোধনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন।

বুধবার (১৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেনাপোল এক্সপ্রেসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। একইদিন প্রধানমন্ত্রী বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনের সেবা চাপাইনবাবগঞ্জ পর্যন্ত বর্ধিতকরণের উদ্বোধনও করবেন বলে জানা গেছে।

বেনাপোলে ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন, রেলওয়ের মহাপরিচালক মো: সামসুজ্জামানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

এদিকে রাতে বেনাপোল স্টেশন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শত শত উৎসুক মানুষের ভিড় সেখানে। ইতিমধ্যে বিক্রি শুরু হয়েছে এ রুটের টিকিট। যাত্রীদের নিরাপত্তায় স্টেশন এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করতে দেখা গেছে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, উদ্বোধনের পর ট্রেনটি দুপুর দেড়টায় বেনাপোল থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। আবার রাত সাড়ে ১২টায় ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে বেনাপোলের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে। ট্রেনটি প্রতিদিন বেনাপোল স্টেশন থেকে ছেড়ে যশোর, ঈশ্বরদী জংশন ও ঢাকা বিমানবন্দরে যাত্রী ওঠানো-নামানোর জন্য সাময়িক বিরতি দিয়ে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের শেষ গন্তব্যে গিয়ে থামবে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563299477336.jpgট্রেনটিতে বগি রয়েছে ১২টি। আসন সংখ্যা ৮৯৬। ট্রেনের ভেতর এসি চেয়ারের জন্য রয়েছে একটি বগি এবং কেবিন একটি বগিতে। বেনাপোল এক্সপ্রেসের ননএসি শোভনের টিকিট ৫৩৪ টাকা, এসি চেয়ারের ভাড়া ১০২৫ টাকা এবং কেবিনের ভাড়া হবে ১২২৮ টাকা। ট্রেনে ৪ ও ৮ সিটের কেবিন রয়েছে। সপ্তাহে ৬ দিন বিরতিহীনভাবে চলবে বেনাপোল এক্সপ্রেস।

বেনাপোল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার সাঈদুজ্জামান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, উদ্বোধনের সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ হয়েছে। বেনাপোল থেকে ট্রেনটি ছেড়ে অপারেশনাল স্টেশন যশোর জংশনে পৌঁছে ১৫ মিনিটের বিরতি নেবে। এ সময়ের মধ্যে রেলের ইঞ্জিন ঢাকামুখী ঘোরানো হবে। এরপর ঈশ্বরদী গিয়ে ট্রেনের চালকসহ অপারেশনাল কর্মী বদলের জন্য আরও ১৫ মিনিটের বিরতি থাকবে। পরে ট্রেনটি ঢাকার কমলাপুর স্টেশনে শেষ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। তবে এর আগে ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে কিছুক্ষণের জন্য ট্রেনটি থামানো হবে।

মোবাইল অনলাইনে জানুন এইচএসসির ফল

মোবাইল অনলাইনে জানুন এইচএসসির ফল
পুরনো ছবি

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামীকাল বুধবার (১৭ জুলাই) প্রকাশ হবে। এদিন দুপুর ১টা থেকে পরীক্ষার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে স্ব-স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফলাফল জানতে পারবেন। এছাড়া এসএমএস ও অনলাইনের মাধ্যমেও ফল জানা যাবে।

এর আগে ফলাফলের অনুলিপি সকাল ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেবেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। উপস্থিত থাকবেন সংশ্লিষ্ট বোর্ড প্রধানরা। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী। মন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে শিক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন।

মোবাইল এসএমএস-এ যেভাবে ফল জানা যাবে

এক্ষেত্রে যেকোনো অপারেটর থেকে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে  তারপর HSC লেখে, আপনি যেই বোর্ড থেকে পরীক্ষা দিয়েছেন সেই বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর, রোল নম্বর, পরীক্ষার সাল লেখে Send করুন 16222 নম্বরে। প্রতি এসএমএস (SMS) এ ২ টাকা ৩০ পয়সা করে কাটা হবে।

উদাহরণ: HSC Dha XXXXXX 2019 send to 16222

বাংলাদেশের সকল শিক্ষা বোর্ডের কোড নাম

Board First 3 letters
Dhaka Board DHA
Barisal Board BAR
Sylhet Board SYL
 Comilla Board COM
Chittagong Board CHI
Rajshahi Board RAJ
Jessore Board JES
Dinajpur Board DIN
 Madrasah Board MAD
Technical Board TEC

 

এসএমএস ছাড়া ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন (http://www.educationboard.gov.bd/)।

প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল জানতে এই ওয়েবসাইটের (www.dhakaeducationboard.gov.bd) 'রেজাল্ট' কর্নারে ক্লিক করে ইআইআইএন নম্বর এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠনভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়া জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইমেইলে কেন্দ্র ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল পাঠানো হবে। ডিসি অফিস ও ইউএনও কার্যালয় থেকে ফলের হার্ড কপি সংগ্রহ করা যাবে।

আলিম পরীক্ষার্থীরা মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে (www.bmeb.gov.bd) প্রবেশ করে আলিম পরীক্ষার জেলা ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল পাওয়া যাবে।

উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র