Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

রাজশাহীতে মাদক কারবারি-পুলিশের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১

রাজশাহীতে মাদক কারবারি-পুলিশের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১
ছবি প্রতীকী
স্টাফ করেসপন্ডেট
বার্তা২৪.কম
রাজশাহী


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার সীমান্ত এলাকায় মাদক কারবারিদের দুই পক্ষ ও পুলিশের ত্রিমুখী সংঘর্ষে জিয়ারুল ইসলাম ওরফে কালু নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে বাঘা ও চারঘাট থানায় অস্ত্র আইন ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১০টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার (৯ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বাঘার সীমান্ত এলাকার কেশবপুর গ্রামের আমবাগানে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জিয়ারুল ইসলাম উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের মৃত. আব্দুল খালেকের ছেলে।

এদিকে, চোরাকারবারিদের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ ৯ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহসিন আলী। তাদেরকে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

আহতরা হলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন দেব, সহকারী পুলিশ সুপার নূরে আলম, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ পরিদর্শক খালেদুর রহমান, বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ মহসীন আলী, জেলা গোয়েন্দা শাখার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এস.আই) উৎপল কুমার, এসআই উসমান গনি, বাঘা থানা উপ-পুলিশ পরিদর্শক রেজাউল করিম এবং কনস্টেবল আরিফুল ইসলাম ও মাহাফুজুল আলম।

চারঘাট সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নূরে আলম জানান, শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার ভারতীয় সীমান্ত এলাকার কেশবপুর গ্রামের একটি আমবাগানে দুই দল মাদক ও চোরাকারবারি নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। খবর পেয়ে পুলিশ একটি দল ঘটনাস্থলে গেলে দুই পক্ষই পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ও গুলি ছুড়তে শুরু করে।

পুলিশ পাল্টা গুলি ছুড়লে কিছুক্ষণ পরই মাদক ও চোরাকারবারিরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে জিয়ারুল ইসলাম ওরফে কালুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয় বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক।

তিনি আরও জানান, সংঘর্ষের পর বাগানে তল্লাশি চালিয়ে এক বস্তা ফেনসিডিল, একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

জানতে চাইলে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. আক্তারুজ্জামান বলেন, 'হাসপাতালে আনার আগেই গুলিবিদ্ধ জিয়ারুলের মৃত্যু হয়। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আর আহত পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।'

আপনার মতামত লিখুন :

অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে গুজব রটানো হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে গুজব রটানো হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে বিফ্রিং করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, একজন সাধারণ মানুষ, একজন শ্রমিকসহ সবাই জানে ব্রিজ তৈরি করতে মানুষের শির লাগে না। তারপরও কেন এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। নিশ্চয়ই তাদের কোন উদ্দেশ্য আছে। মানুষের মধ্যে আতঙ্ক আর অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতেই গুজব রটানো হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি একথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ছেলে ধরার ঘটনা নিছকই একটি গুজব। এই ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের নিশ্চয়ই কোনো উদ্দেশ্য আছে। তাদের যে উদ্দেশ্যই থাকুক না কেন, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক কিংবা অস্থিতিশীল পরিবেশ-যারা সৃষ্টি করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সামাজিকভাবে কতটুকু অবক্ষয় হলে আমাদের এ রকম ঘটনা দেখতে হয়। আমার মনে হয় না, পৃথিবীর অন্য কোন দেশে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। ভাবা যায়, একজন প্রতিবন্ধী, এনজিও কর্মী, সন্তানকে স্কুলে ভর্তি করতে যাচ্ছেন মা- তাদের এমন গণপিটুনির শিকার হতে হচ্ছে। 

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। কেউ যেন এমন গুজবে কান না দেন।

সততা দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে: দুদক চেয়ারম্যান

সততা দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে: দুদক চেয়ারম্যান
দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ, ছবি: সংগৃহীত

সততা ও দক্ষতা দি‌য়ে সাধারণ মানু‌ষের আস্থা অর্জন কর‌তে হ‌বে ব‌লে দুর্নী‌তি দমন ক‌মিশ‌নের (দুদক) কর্মকর্তা‌দের নি‌র্দেশনা দি‌য়ে‌ছেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

‌তি‌নি ব‌লে‌ন, ‘সততা ও দক্ষতার সঙ্গে মেধা ও মননশীলতা দিয়েই কাজ ক‌রে জনসাধার‌ণের ম‌নে আস্থা অর্জন করতে হবে।’

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে অফিসের নিরাপত্তা, অফিস শৃঙ্খলা ও অফিসিলিয়াল আচরণ বিষ‌য়ে প্রশিক্ষণ কোর্সে দুদক চেয়ারম্যান কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এ কথা বলেন।

তিনি ব‌লেন, ‘অফিসের সর্বোচ্চ শৃঙ্খলা বজায় রাখা, আইন-কানুন মেনে চলাই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল দায়িত্ব। বিগত তিন বছরে কমিশনের অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে একাধিকবার দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান, তদন্ত ও প্রসিকিউসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণের এ ধারা অব্যাহত রাখা হবে। এ প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি। কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলেই জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে।’

তিনি সুপারভাইজিং কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘অধীনস্থ কর্মকর্তাদের প্রতি পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে আধুনিক প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার নিয়ম-কানুন অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করবেন।’

প্রশিক্ষণ কোর্সে দুদক পরিচালক, উপপরিচালক, সহকারী পরিচালক ও উপসহকারী পরিচালক পদ মর্যাদার ৩০ জন কর্মকর্তা উপ‌স্থিত ছি‌লেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র