Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

গণহত্যা নিয়ে তুরিন আফরোজের গবেষণামূলক বই প্রকাশ

গণহত্যা নিয়ে তুরিন আফরোজের গবেষণামূলক বই প্রকাশ
তুরিন আফরোজের গবেষণামূলক বই / ছবি: সংগৃহীত
Shadrul Abedin


  • Font increase
  • Font Decrease

১৯৭১ সালের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বরবর নির্যাতনের কথা এখনো আর্ন্তজতিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করেনি। তৎকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আর এদেশীয় দোসররা যে গণহত্যা ঘটিয়েছে, সেটাকে নানাভাবে অপপ্রচার করার চেষ্টা করছে কিছু কিছু মহল। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের বর্বরচিত কালরাতের উপর বিশেষ তথ্য উপাত্ত ডকুমেন্ট আকারে সংগৃহীত না থাকায় সেই সুযোগটি নিচ্ছিল পাকিস্তানি দোসরা।

সেদিন যে গণহত্যা হয়েছে– তাতে প্রাণ দিয়েছে ৩০ রাখ শহীদ, নির্যাতিত হয়েছে পাঁচ লাখ নারীর অধিক, উদ্ভাস্তু জীবন বেছে নিয়েছে প্রায় এক কোটি মানুষ। সেই গণহত্যার বিচার বাংলার মাটিতে হয়েছে প্রায় ৩৯ বছর পর। আর সেই বিচারের মধ্যে দিয়ে উঠে এসেছে গণহত্যার নানা ঘটনা। আন্তর্জাতিক বিশ্বে এই বিচার নিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে নানা অপপ্রচার।

সম্প্রতি সিঙ্গাপুর থেকে প্যাট্রিজ পাবলিশিং প্রকাশ করল ‘ট্রায়লস অব ১৯৭১ বাংলাদেশ জেনোসাইড: থ্রো অ্যা লিগ্যাল লেনস’ নামক বই। বইটিতে বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে সংঘটিত গণহত্যার বিচারিক প্রক্রিয়াকে আইনিভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। একটি অনবদ্য সৃষ্টিকর্ম।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফোরজের লেখা বইটি গণহত্যার বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে নানা বিশ্লেষণ রয়েছে।

ইংরেজি ভাষায় অনূদিত বইটি সম্পর্কে লেখক বলেছেন, ‘বইটি ইংরেজি ভাষায় লেখার অন্যতম কারণ বাংলাদেশের গণহত্যা বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংবেদনশীলতা তৈরি করা। বইটিতে বাংলাদেশে সংঘটিত গণহত্যার একটি চিত্র ফুটে উঠেছে গণহত্যার বিচারের বিভিন্ন দিক উন্মোচিত হওয়ার মধ্যে দিয়ে। বাংলাদেশের গণহত্যা নিয়ে একাডেমিক প্রকাশনার সংখ্যা নিতান্তই অপ্রতুল। সেখানে ইংরেজি ভাষায় প্রকাশনা তেমন নেই বললেই চলে। লেখকের বইটি এখানে একটি আবেদন সৃষ্টি করে। বইটিতে মোট ছয়টি অধ্যায় রয়েছে। প্রতিটি অধ্যায়ে আইনি ব্যাখা বিচারিক বিষয়াদি তুলে ধরেছেন লেখক। বাংলাদেশে পাঠক সমাবেশ থেকে বইটি পাওয়া যাচ্ছে। প্রতি কপি বইয়ের মূল্য নির্ধারণ করা আছে ৮৯৫ টাকা।

বইটিতে ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, যার অধীনে বর্তমানের বিচার চলছে, তার উল্লেখযোগ্য অংশ সমূহের আইনি ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, আন্তর্জাতিক আইনের জাতীয়করণ, সাংবিধানিক প্রাধান্যকে লঙ্ঘন করে ১৯৭৩ সালের আইনকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া, দেশীয় ট্রাইব্যুনালে গণহত্যার বিচারের বিষয়, গণহত্যার সংজ্ঞায়ন, আসামির জামিনের অধিকার, আসামির অনুপস্থিতিতে বিচারের সুযোগ, দণ্ড নিরূপণের প্রক্রিয়া, আপিল ও রিভিউ করার প্রক্রিয়া, প্রেসিডেন্টের মার্জনা ভিক্ষা করার অধিকার ইত্যাদি। লেখক এ সকল বিষয়ে উত্থাপিত আন্তর্জাতিক সমালোচনার কট্টর জবাব দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ১১ মার্চ গণহত্যা দিবসকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের দাবিতে সংসদে একটি সাধারণ প্রস্তাব উত্থাপন হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

বার্তা২৪.কমে খবর প্রকাশ: সরকারি গাছ কাটা বন্ধ করলেন ইউএনও

বার্তা২৪.কমে খবর প্রকাশ: সরকারি গাছ কাটা বন্ধ করলেন ইউএনও
গাছ পরিদর্শনে ফারহানা করিম, ছবি: বার্তা২৪.কম

মাল্টিমিডিয়া অনলাইন নিউজপোর্টাল বার্তা২৪.কম সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার জেলখানা মোড় এলাকায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদারকে উক্ত এলাকার সরকারি গাছ কাটা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারহানা করিম।

সোমবার (২৪ জুন) বার্তা২৪.কমে ‘সরকারি গাছ কাটছে এমডি ফরিদ উদ্দিন কনস্ট্রাকশন’ শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এলাকায় গাছ কাটার ঘটনা তদন্ত করতে যান। খবর পেয়ে  গাছ কাটার শ্রমিকরা ও করাতকলের মালিক ইজ্জত আলী পালিয়ে যান।

এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরকারি গাছ কাটার অনুমতিপত্র আছে কিনা জানতে চাইলে নির্মাণাধীন প্রতিষ্ঠান এমডি ফরিদ উদ্দিন কনস্ট্রাকশনের ঠিকাদার বাপ্পীদের ছোট ভাই কোনো ধরনের কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার গাছকাটা বন্ধের নির্দেশ দেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারহানা করিম বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অনুমতি না থাকায় গাছকাটা বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’ 

বাংলাদেশের আমের স্বাদে মুগ্ধ ব্রিটিশ হাইকমিশনার

বাংলাদেশের আমের স্বাদে মুগ্ধ ব্রিটিশ হাইকমিশনার
বাগান ঘুরে আম দেখছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার, ছবি: বার্তা২৪.কম

একদিনের সফরে মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাজশাহীতে এসেছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেপুটি ব্রিটিশ হাইকমিশনার কানবার হোসেন বর। সকালে পূর্বনির্ধারিত কাজ শেষে বিকেলে বের হয়েছিলেন রাজশাহীর আম বাগান পরিদর্শনে। উদ্দেশ্য বাগানে বসে গাছপাকা আম খাওয়া।

বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজশাহী মহানগরীর জিন্নাহনগরের একটি আম বাগানে ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন গাছের আমের স্বাদ নেন তিনি। রাজশাহী অ্যাগো ফুড প্রডিউসার সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. আনোয়ারুল হকের বাগানের ল্যাংড়া, আম্রপালি ও রাজভোগ আম খেয়ে মুগ্ধতার কথা জানান কানবার হোসেন বর।

বাগান ঘুরে গাছ থেকে নিজে আম পেড়ে সঙ্গে নিয়েও গেছেন বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনারের দায়িত্বে থাকা কানবার।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561484344215.jpg

যাওয়ার সময় বলে গেলেন, ‘অসাধারণ আম! গাছ পাকা এমন স্বাদের আম আমি আগে কখনও খাই নি। বাংলাদেশে যতদিন আছি, আমের মৌসুমে বারবার এখানে আসতে মন চাইবে নিশ্চয়। চেষ্টা থাকবে প্রতিবছর রাজশাহীতে এসে তৃপ্তি সহকারে আম খাওয়ার।’

অ্যাগ্রো ফুড প্রডিউসার সোসাসাইটির চেয়্যারম্যান আনোয়ারুল হক জানান, ব্রিটিশ হাইকমিশনার কানবার হোসেন বর মঙ্গলবার বিকেলে আমার বাগানে আম দেখতে এবং খেতে এসেছিলেন।

তিনি গাছ থেকে ল্যাংড়া, আম্রপালি ও রাজাভোগ আম পেড়ে খেয়েছেন। রাজশাহীর আমের প্রেমে পড়ে গেছেন বলে আবার আসার কথা জানিয়ে গেছেন হাইকমিশনার।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র